ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেছেন, “প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন”। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ইবি সাংবাদিক সমিতি, প্রেসক্লাব ও রিপোটার্স ইউনিটির সাংবাদিকবৃন্দ।
উপাচার্য বলেন, "বিতর্ক, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার প্রতি সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটিকে শক্তিশালী করতে ইতোমধ্যেই একটি নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘ইয়ূথ ফোরাম ঢাকা’-র উদ্যোগে ইবি ডিবেটিং সোসাইটির সহায়তায় ও প্রশাসনের পৃষ্ঠপোষকতায় দ্রুত ক্যাম্পাসে প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে। এতে শিক্ষার্থীরা বিতর্ক কার্যক্রম বৃদ্ধি, নিজেদের ভাবনা এবং দক্ষতা জোরদার করার সুযোগ পাবেন।
তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে স্মার্ট ক্লাসরুম, স্মার্ট ক্যাম্পাস, ডিজিটাল লাইব্রেরি, ডিজিটাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং মানসম্মত গবেষণার অবকাঠামো তৈরির মাধ্যমে একটি প্রাণবন্ত শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলা হবে। এছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।”
এছাড়া, মতবিনিময়কালে উপাচার্য গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন ও চাহিদাকেন্দ্রিক শিক্ষা, বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষাক্রম প্রণয়ন, শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শিল্প খাত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যক্ষ মেলবন্ধন, ডিজিটাল রূপান্তর, গবেষণা উৎকর্ষ ও আন্তর্জাতিকীকরণে মানসম্মত গবেষণা এবং বিশ্বমানের শিক্ষক তৈরি, সুশাসন, মান নিশ্চিতকরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে পূর্ণ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিতকরণ ও নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
মতামত