বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

খুলনায় চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে জামায়াতের উদ্বেগ


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

খুলনায় চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে জামায়াতের উদ্বেগ
ছবি: সংগৃহীত

খুলনা অঞ্চলে একের পর এক হত্যাকাণ্ড, প্রকাশ্যে গুলি ও চাঁদাবাজির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চলের নেতারা। এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে দাবি করে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও নেপথ্যের মদদদাতাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে দলটি।

গতকাল মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে জামায়াতের খুলনা অঞ্চলের নেতারা বলেন, খুলনার সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ভোর, দিনদুপুর, সন্ধ্যা ও রাতে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা, গুরুতর জখম, জবরদখল ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে। নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ছিঁচকে চুরি থেকে শুরু করে বৈদ্যুতিক তার চুরির মতো অপরাধও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা।

বিবৃতিতে বলা হয়, মাদকের অবাধ বিস্তার এই নৈরাজ্যের অন্যতম কারণ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে মাদকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও অপরাধীদের দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নেতারা। মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অপরাধী চক্রগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন করলেও সামগ্রিক অপরাধ পরিস্থিতির তুলনায় তা যথেষ্ট নয়। অপরাধীদের মদদদাতা ও নেপথ্যের প্রভাবশালীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা। রাজনৈতিক দল ও সচেতন নাগরিক সমাজ প্রতিবাদ ও কর্মসূচি পালন করলেও পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি বলে দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে সন্ত্রাস, খুন, মাদক কারবার ও চাঁদাবাজি দমন করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এর দায় সরকার ও প্রশাসনকে নিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তাঁরা।

বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি, সহকারী পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি, অঞ্চল টিমের সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এমপি, অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান এমপি, মাস্টার শফিকুল আলম ও মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি।

এ ছাড়া বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন খুলনা মহানগর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ও সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন এমপি, খুলনা জেলা আমির মাওলানা এমরান হুসাইন ও সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, বাগেরহাট জেলা নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম ও সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মদ ইউনুস এবং সাতক্ষীরা জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল ও সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান।

বিষয় : জেলার খবর জামায়াতে ইসলামী খুলনা চাঁদাবাজি

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


খুলনায় চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে জামায়াতের উদ্বেগ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

খুলনা অঞ্চলে একের পর এক হত্যাকাণ্ড, প্রকাশ্যে গুলি ও চাঁদাবাজির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চলের নেতারা। এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে দাবি করে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও নেপথ্যের মদদদাতাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে দলটি।

গতকাল মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে জামায়াতের খুলনা অঞ্চলের নেতারা বলেন, খুলনার সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ভোর, দিনদুপুর, সন্ধ্যা ও রাতে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা, গুরুতর জখম, জবরদখল ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে। নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ছিঁচকে চুরি থেকে শুরু করে বৈদ্যুতিক তার চুরির মতো অপরাধও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা।

বিবৃতিতে বলা হয়, মাদকের অবাধ বিস্তার এই নৈরাজ্যের অন্যতম কারণ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে মাদকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও অপরাধীদের দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নেতারা। মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অপরাধী চক্রগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন করলেও সামগ্রিক অপরাধ পরিস্থিতির তুলনায় তা যথেষ্ট নয়। অপরাধীদের মদদদাতা ও নেপথ্যের প্রভাবশালীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা। রাজনৈতিক দল ও সচেতন নাগরিক সমাজ প্রতিবাদ ও কর্মসূচি পালন করলেও পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি বলে দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে সন্ত্রাস, খুন, মাদক কারবার ও চাঁদাবাজি দমন করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এর দায় সরকার ও প্রশাসনকে নিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তাঁরা।

বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি, সহকারী পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি, অঞ্চল টিমের সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এমপি, অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান এমপি, মাস্টার শফিকুল আলম ও মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি।

এ ছাড়া বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন খুলনা মহানগর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ও সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন এমপি, খুলনা জেলা আমির মাওলানা এমরান হুসাইন ও সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, বাগেরহাট জেলা নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম ও সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মদ ইউনুস এবং সাতক্ষীরা জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল ও সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream