সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
মহাদেবপুরে নারী ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মহাদেবপুরে নারী ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁর মহাদেবপুরে মোছা. আলতা বেগম (৫২) নামে এক সংরক্ষিত নারী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের খোদ্দ কালনা উত্তরপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। আলতা বেগম ওই গ্রামের মৃত সবিজ উদ্দিনের মেয়ে। তিনি খাজুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০১১ ও ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে টানা দুবার পরাজিত হয়ে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন তিনি। পরে ২০২১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরেন। তবে প্রায় দুই বছর আগে স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুর পর আলতা বেগমের মানসিক সমস্যা বেড়ে যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শাশুড়ির সঙ্গে একই ঘরে ঘুমিয়েছিলেন আলতা বেগম। আজ সকালে তাঁকে ডাকলে শরীর খারাপের কথা বলে আবারও শুয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ঘরের তীরের সঙ্গে গলায় ফাঁস নেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। খাজুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বেলাল উদ্দিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং তিনি প্রায়ই বিষণ্ণতায় থাকতেন। মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় অপমৃত্যুর মামলা শেষে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’

জনগণের সংকট দেখছে না সরকার: শফিকুর রহমান

বিরোধদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন দেশে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসহ জনগণের নানা ‘সংকট’ সমাধানে সরকার ব্যর্থ। তিনি বলেছেন, ‘সংসদে দাঁড়িয়ে যারা দেশের কোনো সংকট নেই বলে মিথ্যা কথা বলেন, তাদের দিয়ে জনগণের সমস্যার সমাধান হবে না।’ আজ শনিবার ফেনীর মহিপালে ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজনে এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই পথসভার আয়োজন করা হয়। জামায়াত আমির বলেন, ‘বিদ্যুৎ কোথাও নেই কিন্তু বিদ্যুৎ শুধু সংসদে আছে। জিজ্ঞেস করলে বলেন, কোনো সংকট নেই! সংসদে দাঁড়িয়ে যারা মিথ্যা কথা বলেন, তাদের দ্বারা দেশের মানুষের সমস্যার সমাধান হবে না।’ গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে সমবেত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘‘আপনারা দুটো ভোট দিয়েছেন। একটি সংসদের জন্য, আরেকটি বাংলাদেশকে মেরামত ও সংস্কার করার জন্য। সরকারি দল ও বিরোধী দল সবাই একমত হয়েছিলাম—গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে তা বাস্তবায়ন করা হবে। ছয় মাস চলে গেছে, সরকার এখনো তা বাস্তবায়ন করেনি। ” বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান অভিযোগ তুলে বলেন, ‘শুরু থেকেই এই সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। জনগণের দাবি অগ্রাহ্য করেছে। অতীতে যারা জনগণের দাবি অগ্রাহ্য করেছে, তাদের করুণ পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে।’ সরকার সব জায়গায় দলীয়করণ করছে অভিযোগ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘সব জায়গায় আপনারা দলীয়করণ করবেন, আর বিরোধী দল বসে বসে কি আঙুল চুষবে? বিরোধী দল সেসব জায়গায় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে!’

জনগণের সংকট দেখছে না সরকার: শফিকুর রহমান

রংপুর ক্যাডেট কলেজের ৫০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ জনই জিপিএ-৫

রংপুর ক্যাডেট কলেজের ৫০ শিক্ষার্থী এবার দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই পেয়েছে জিপিএ-৫। বিজ্ঞান বিভাগের ৪৭ জন ও মানবিক বিভাগের ৩ জনের সবাই জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এবারও শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ার সাফল্য ধরে রেখেছে রংপুরের এই প্রতিষ্ঠান। গত বছরও ৪৫ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছিল। আজ সোমবার সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর রংপুর ক্যাডেট কলেজে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করে কলেজের অধ্যক্ষ এ এইচ এম ছেরাজুজ্জামান শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, ক্যাডেট ও অভিভাবকদের অভিনন্দন জানান। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, এবারের পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগের ৪৭ জন এবং মানবিক বিভাগের ৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। প্রত্যেকেই জিপিএ-৫ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ফলাফলে শতভাগ সাফল্য এসেছে। অধ্যক্ষ এ এইচ এম ছেরাজুজ্জামান বলেন, ক্যাডেট কলেজের নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ ভালো ফলাফলের অন্যতম কারণ। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিকতা, চরিত্র গঠন, খেলাধুলা ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। অধ্যক্ষ বলেন, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক তদারকি এবং ক্যাডেটদের নিয়মিত অনুশীলন ও অধ্যবসায়ের ফলে এই ফল অর্জন সম্ভব হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, সেনাসদরের দিকনির্দেশনা, অধ্যক্ষের নেতৃত্ব, উপাধ্যক্ষের তত্ত্বাবধান, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতা প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক ভালো ফলাফলে ভূমিকা রাখছে। এছাড়া রংপুর জিলা স্কুল থেকে ২২৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ২১৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫০ জন। রংপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ২৬৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৬৪ জন পাস করেছে। এ প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৭ জন। রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫৩৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৩০ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২৯ জন। রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫৬৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২২ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানেরা বলছেন, শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ, পরীক্ষার আগে বাড়তি প্রস্তুতি এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার কারণে ভালো ফল এসেছে।

রংপুর ক্যাডেট কলেজের ৫০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ জনই জিপিএ-৫

মায়ের গলায় ওড়না প্যাঁচানো, হাত-পা বাঁধা ছেলের মরদেহ খাটে

যশোরের বাঘারপাড়ায় নিজ ঘর থেকে মা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছয় বছরের শিশু জিসানের হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। আর তার মা জুবায়দা খাতুনের (৩২) গলায় প্যাঁচানো ছিল ওড়না। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার খলশী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে।নিহত জুবায়দা খাতুন ওই গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী। জিসান তাঁদের ছয় বছরের সন্তান।পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জুবায়দার গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ছিল। ওড়নার দুই প্রান্ত তাঁর দুই হাতের কাছে পাওয়া যায়। অন্যদিকে শিশুটির হাত ও পা গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। ঘরের ভেতর মরদেহ উদ্ধারের এই অবস্থান থেকেই ঘটনাটি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।মা-ছেলের মৃত্যু আত্মহত্যার ঘটনা, নাকি তাঁদের হত্যা করা হয়েছে—এ নিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশও বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।জুবায়দার ছোট বোন পিনজিরা অভিযোগ করে বলেন, জুবায়দার স্বামী জাকির হোসেন দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে তিনি দেশে ফেরেন। জাকিরের ভাই শিহাবের সঙ্গে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে তাঁর সন্দেহ।বাঘারপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ বলেন, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি দেখে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনের কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

মায়ের গলায় ওড়না প্যাঁচানো, হাত-পা বাঁধা ছেলের মরদেহ খাটে

কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি চালালে মোহাম্মদ তারা মিয়া (২০) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।শনিবার (৮ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের মুরইছড়া সীমান্তসংলগ্ন ভারতের মাগুরুলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত তারা মিয়া কুলাউড়া উপজেলার কর্মদা ইউনিয়নের মুরইছড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ছেলে।বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে তারা মিয়াসহ কয়েকজন বাংলাদেশি সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় বিএসএফের একটি টহল দলের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি পরিস্থিতি তৈরি হয়। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা গুলি ছুড়লে তারা মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন।তার সঙ্গে থাকা অন্যরা সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আত্মগোপনে চলে যান বলে বিজিবি জানিয়েছে।স্থানীয়দের ভাষ্য, তারা মিয়াসহ কয়েকজন যুবক ভারতীয় ‘নাসিরপাতার’ বিড়ি সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সীমান্তের প্রায় ৫০০ গজ ভেতরে মাগুরুলী এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানেই বিএসএফের গুলির ঘটনা ঘটে।বিজিবি-৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, রাতে সীমান্ত এলাকায় গুলির শব্দ শোনার পর বিজিবি দ্রুত বিএসএফের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে বিএসএফের পক্ষ থেকে গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিজিবি।

কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream