যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের জঙ্গলবাঁধাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, কর্মচারী ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক মাকসুদুর রহমান সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার কোনাবাড়িয়া গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত এবং সেখানে ব্যক্তিগতভাবে প্রাইভেট টিউশনও করান।
দাবি, গত ১১ আগস্ট প্রাইভেট পড়ানোর সময় ওই ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন মাকসুদুর রহমান। বিষয়টি জানতে পেরে ছাত্রীর অভিভাবক বিদ্যালয়ে এসে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকদের সামনে লিখিত অভিযোগ দেন এবং ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
জঙ্গলবাঁধাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রোজনীল আনোয়ার বলেন, এক অভিভাবক দম্পতি তাদের মেয়েকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযুক্ত শিক্ষক অভিযোগ স্বীকার করেছেন বলেও আমাদের কাছে জানানো হয়েছে। বিদ্যালয়ে বর্তমানে কোনো ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার পরামর্শে তাকে সব ধরনের দায়িত্ব ও কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে বিরত রাখা হয়েছে এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
বসুন্দিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রিয়াজুল হক মিল্টন বলেন, অভিযোগের বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মাকসুদুর রহমান বলেন, আমাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ।
মতামত