কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে শনিবার সকাল ৭টার দিকে ৪৮ বছর বয়সি এ রাজনীতিকের মৃত্যু হয়। এরপর লাশ দেশে নিতে কলকাতায় বাংলাদেশ উপ হাইকমিশনে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সারা হয়।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে রোটনের মরদেহ সড়কপথে ভারতের পেট্রাপোল হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এ সময় তার লাশ গ্রহন করেন তার বড় ভাই নাসিমুল হায়দার চৌধুরী মিল্টন।
এর আগে তার বোনের ছেলে সোহানুর রহমানের কাছে কলকাতা থেকে মরদেহ হস্তান্তর করে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অনাপত্তিপত্র দেন বলেও জানায় দূতাবাস। পুলিশ প্রহরায় রোটনের মরদেহ বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান।
কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট পাসপোর্ট ব্যবহার করে বেনাপোল দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান রোটন। শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার জন্য তার মরদেহ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুমতিপত্র ইস্যু করে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।
রোটনের মরদেহ হস্তান্তরের সময় পুলিশ, বিজিবি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ভোর থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট সীমান্ত এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়। সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষজন চলাচল প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়।
রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। চিকিৎসার জন্য দুই বছরের বেশি সময় ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন তিনি।
ছাত্রলীগের পর রোটন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় হন। ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য মনোনীত হন তিনি।#
মতামত