বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও জর্জিনা রদ্রিগেজ। গত ১১ আগস্ট বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন তারা। তবে বিয়ের পর এই তারকা জুটিকে ঘিরে আলোচনায় এসেছে তাদের আর্থিক ও আইনি চুক্তির বিষয়টিও।
জানা গেছে, পর্তুগিজ আইনের অধীনে রোনালদো ও জর্জিনা ‘সম্পত্তি পৃথকীকরণ’ কাঠামোর আওতায় বিয়ে করেছেন। অর্থাৎ, বিয়ের আগে ও পরে দুজনের অর্জিত সম্পদ, আয় ও বিনিয়োগ আলাদা থাকবে এবং প্রত্যেকে নিজের সম্পদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবেন।
এর ফলে রোনালদোর ফুটবল থেকে আয়, বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তি, ব্যবসা ও অন্যান্য সম্পদের মালিকানা তার নিজের কাছেই থাকবে। ভবিষ্যতে তাদের বিচ্ছেদ হলেও জর্জিনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে রোনালদোর ব্যক্তিগত সম্পদের অংশীদার হবেন না।
তবে চুক্তিতে জর্জিনার ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টিও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পর্তুগিজ ম্যাগাজিন ‘টিভি গুইয়া’। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিচ্ছেদ হলে রোনালদোর কাছ থেকে জর্জিনা প্রতি মাসে ১ লাখ ইউরো ভাতা পেতে পারেন।
এ ছাড়া স্পেনের মাদ্রিদের লা ফিনকার বিলাসবহুল বাড়িটির মালিকানাও জর্জিনার হাতে যাওয়ার শর্ত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ওই বাড়িটির মূল্য ৫০ লাখ ডলারের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, চুক্তির কাঠামোয় রোনালদোর বিশাল সম্পদ ও ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য যেমন আলাদা থাকছে, তেমনি সম্পর্ক ভেঙে গেলেও জর্জিনার আর্থিক নিরাপত্তার জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
রোনালদোর মোট সম্পদের পরিমাণ ১০০ কোটি ডলারের বেশি বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। ফুটবল, ব্যবসা, ব্র্যান্ড ও বিনিয়োগ মিলিয়ে তার বিশাল আর্থিক সাম্রাজ্যের বড় অংশই এই সম্পত্তি পৃথকীকরণ ব্যবস্থার আওতায় সুরক্ষিত থাকবে। তবে এসব শর্ত নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর সব তথ্য রোনালদো বা জর্জিনার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
মতামত