নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যাল শাখার গোপন কর্মসূচিতে সহায়তার অভিযোগ উঠেছে সংগঠনটির নেতা ও বর্তমানে সাংবাদিকতায় যুক্ত ফেইস দ্যা পিপলের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি রাশেদুজ্জামান রাশেদের বিরুদ্ধে। যিনি নিজেকে এখন সাংবাদিক পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ক্যাম্পাস।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে পাওয়া একটি কমিটি অনুমোদনের শাখা সভাপতি মো: ইব্রাহিম ফরাজি এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসেনের স্বাক্ষরিত একটি প্যাডে রাশেদুজ্জামান রাশেদের নাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। নথিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে রাশেদের পাশাপাশি তুহিন আহমেদ ও আদিল মিয়ার নামও রয়েছে। বিভাগের কমিটির সভাপতি আওলাদ হোসেন সম্রাট, সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পান মজিদুল ইসলাম ফাহাদ।
অভিযোগ রয়েছে ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংগঠনটির বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে পর্দার আড়াল থেকে সহযোগিতা করছেন সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া রাশেদ ও তার সাথে চলা বেশ কয়েজন সাংবাদিক। রাশেদ ছাত্রলীগের পদধারী নেতা হয়েও নিজেকে এখন বিএনপি পন্থী বলেও প্রচার করার চেষ্টা করছেন বিভিন্ন সময়। বিশেষ করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মসূচির তথ্য আদান-প্রদান, কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের আওয়ামী ট্যাগ দিয়ে হুমকি দেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তার আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অক্টোবরে সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এরপরও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠনটির নামে বিভিন্ন তৎপরতার খবর গণমাধ্যমে এসেছে। ২০২৬ সালের ২১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ গেটে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত ও আহতদের স্মরণে শোক ব্যানার টাঙানোর খবর প্রকাশিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকবার খুব গোপনীয়ভাবে নিষিদ্ধ জবি ছাত্রলীগ ব্যানার পোস্টার লাগিয়ে যায় ক্যাম্পাসের আশেপাশে।
মতামত