সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের গাড়াদহ ইউনিয়নের চরনবিপুর স.রকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কবির উদ্দিন , টেকুয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারি শিক্ষক আব্দুল মতিন ও নরীনা ইউনিয়ন উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে নারীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটকের অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষক কর্তৃক নারী ঘটিত বিষয় ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় সমালোচনার ঝড় ও ওই শিক্ষকদের অপসারনের দাবি উঠেছে। ওই শিক্ষকদের কাছে কেউই নিরাপদ নয় বলে মনে করছে সচেতন মহল।
স্থানীয়সুত্রে জানা যায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে উক্ত বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক চরনবিপুর গ্রামের বাসিন্দা কবির উদ্দিন সহ উক্ত দুইজন এক নারী নিয়ে পাশের টেকুয়াপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের বাড়িতে গভির রাতে ধরা পড়ে। এসময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে বেধে রাখে। পরে চর নবীপুর গ্রামের প্রধানবর্গ গিয়ে দেনদরবার করে ওই গ্রাম থেকে অভিযুক্তদের মুক্ত করে আনে।
টেকুরপাড়া গ্রামের স্থানীয়রা জানায়, রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে ওই শিক্ষককে টেকুয়াপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে নারীর সাথে উপস্থিতি টের পেয়ে স্থানীয়রা আটক করে উত্তমমধ্যম দিয়ে বেধে রাখে। পরে কবিরুদ্দিন এর নিজ গ্রামের প্রধানবর্গ টেকুয়াপাড়া গ্রামে গিয়ে সেখানকার প্রধানবর্গের সাথে দেনদরবার করে তারা এমন কর্মকান্ড আর কখনোই করবে না এবং অভিযুক্তদের দিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করিয়ে সেখান থেকে মুক্ত করে নিয়ে আসে। এঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এলাকায় সমালোচনার ঝর বইতে থাকে। ওই শিক্ষকদের দ্রুত অপসারণ দাবি করেছে স্থানীয়রা। তবে ঘটনার সঠিক তদন্ত করে অপরাধ প্রমাণিত হলে দ্রুত অভিযুক্তদের অপসারণ সহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।
তবে এবিষয়ে সহকারী শিক্ষক কবির উদ্দিন সহ অভিযুক্তদের কাছে জানতে চাইলে তারা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে এসব ছড়ানো হচ্ছে।
চরনবিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, নুরুল ইসলাম ও টেকুয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগ প্রমানিত হলে ব্যাবস্থা নেওয়া দরকার।
এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মুরাদ হোসেন বলেন, সহকারী শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে অভিযোগ প্রমানিত হলে অবশ্যই ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার তারেক হাসান বলেন অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতামত