লক্ষ্মীপুরে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত সামারি ট্রায়ালে নিরাপদ খাদ্য আইনে অভিযান চালিয়ে রাজমহল, নূরজাহান ও মোহাম্মদীয়া হোটেলকে রান্নাঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অসতর্কতার সাথে খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ, ফ্রিজে কাঁচা ও রান্না করা খাবার একসাথে রাখা, নিষিদ্ধ কেওড়া জল ব্যবহার, রান্না ঘরে কাপড় রাখা ইত্যাদি অপরাধে মোট ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে। আজ ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ওমর ফারুক এর নেতৃত্বে পরিচালিত এই সামারি ট্রায়ালে সার্বিক সহযোগিতার করেন জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার সুমধু চক্রবর্ত্তী। এসময় নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক তাজুল ইসলাম, আবদুল্লা হিল হাকিম সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার সুমধু চক্রবর্ত্তী সাংবাদিকদের জানান, রান্নাঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অসতর্কতার সাথে খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ, ফ্রিজে কাঁচা ও রান্না করা খাবার একসাথে রাখা, নিষিদ্ধ কেওড়া জল ব্যবহার, রান্না ঘরে কাপড় রাখা ইত্যাদি অপরাধে নিরাপদ খাদ্য আইনে লক্ষ্মীপুর শহরের পোস্ট অফিসের সামনে রাজ মহল হোটেলকে ৪ লাখ, উত্তর তেমুহনী হোটেল নুরজাহান কে ৫ লাখ এবং হোটেল মোহাম্মদীয়া ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য জনগনের অধিকার। নিম্নমানের ও ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে এই ধরণের অভিযান, মোবাইল কোর্ট ও সামারি ট্রায়াল জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ওমর ফারুক খাদ্য ব্যবসায়ীদেরকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক নিজ নিজ খাদ্য স্থাপনার পরিবেশের উন্নয়ন ও নিরাপদ উপায়ে খাদ্য উৎপাদনের জন্য নির্দেশনা দেন।
মতামত