সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার সারিয়াকান্দি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি পদ থেকে উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি এ্যাড. নূর- এ- আজম বাবুকে অপসারণের ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ডের সিদ্ধান্তে তাকে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি জানা- জানি হলে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে এনিয়ে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়।
উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, স্থানীয় সাংসদ এর ডিও লেটারের মাধ্যমে এ্যাড. নূর-এ-আজম বাবুকে গভর্নিং বডির সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ্যাড. নূর- এ- আজম বাবু সারিয়াকান্দি উপজেলা বিএনপি'র সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে তিনি সারিয়াকান্দি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। ফলে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতাকে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বিষয়টি শুধু একটি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতির পদ পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতি, নেতৃত্বের অবস্থান এবং দলীয় অভ্যন্তরীণ সম্পর্কের বিষয়ও জড়িয়ে থাকতে পারে।
ক্ষোভের সঙ্গে তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এবং উপজেলা বিএনপি'র সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এমন একজন নেতাকে কলেজের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা পরিষ্কার করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে সারিয়াকান্দি কলেজের গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি এ্যাড. নূর- এ- আজম বাবু বলেন, আমি দায়িত্বে থাকাকালীন কলেজে কোনো ধরনের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই। নিয়োগ কার্যক্রম যাতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে আমি সবসময় কঠোর অবস্থানে ছিলাম। আমার দায়িত্ব পালনকালে অনিয়মের মাধ্যমে কোনো নিয়োগ দেওয়া সম্ভব নয়- এ কারণেই হয়তো সভাপতি পদে পরিবর্তন এনে সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সভাপতি করা হয়েছে।
মতামত