মুসলমানদের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ চট্টগ্রামের চুনতি। ফজরের নামাজের মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো *ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক সিরাতুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাহফিল। ১ দিনের মাহফিলকে ১৯ দিনব্যাপী রূপ দিয়ে লাখো মানুষের মিলনমেলায় পরিণত করেছেন শাহা মঞ্জিল সাহা সাপ কেবলা।
ছবিতে দেখা যায়, রাতের আঁধার চিরে হাজার হাজার মুসল্লি সাদা পোশাক ও টুপি পরে মাহফিল প্রাঙ্গণে সমবেত হয়েছেন। চুনতি এলাকায় বিশাল প্যান্ডেলের নিচে ধর্মপ্রাণ মানুষের এই ঢল ছিল চোখে পড়ার মতো।
একদিনের জন্য পরিকল্পিত এই মাহফিলটি মানুষের ভালোবাসা ও চাহিদার কারণে ১৯ দিনব্যাপী পরিচালিত হয়। প্রতিদিন সিরাত আলোচনা, নাতে রাসুল, ওয়াজ ও দোয়ার মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর ঈমানি চেতনাকে জাগ্রত করা হয়।
এই ঐতিহাসিক মাহফিলের প্রতিষ্ঠাতা সাহা মঞ্জিল সাহা সাপ কেবলা। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও আধ্যাত্মিক দিকনির্দেশনায় চুনতির এই মাহফিল আজ আন্তর্জাতিক রূপ লাভ করেছে। দূর-দূরান্ত থেকে আলেম, ওলামা ও সাধারণ মুসলমানরা এখানে ছুটে আসেন রাসুল (সা.) এর জীবনাদর্শ নিয়ে আলোচনা শুনতে।
মাহফিলের শেষ দিন ফজরের নামাজের পর সম্মিলিত মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। লাখো কণ্ঠে "আমিন আমিন" ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠে চুনতির আকাশ-বাতাস। মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিমের শান্তি, দেশের সমৃদ্ধি ও উম্মাহর ঐক্য কামনা করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, এই ১৯ দিনে চুনতি পরিণত হয়েছিল ইমানের নগরীতে। হোটেল, দোকানপাট ও যানবাহনে ছিল উপচে পড়া ভিড়। অনেকে বলছেন, "এই মাহফিল শুধু চুনতির না, পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের গর্ব।"
একদিনের মাহফিল ১৯ দিনে রূপ নেওয়া প্রমাণ করে মানুষ এখনো রাসুল (সা.) এর আদর্শের জন্য কতটা তৃষ্ণার্ত। সাহা সাপ কেবলার এই উদ্যোগ আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
মতামত