শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

শিশুদের হাসির অপেক্ষা শেষ, হস্তান্তর হলেই খুলবে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ শিশুপার্ক


| ফটো কার্ড

শিশুদের হাসির অপেক্ষা শেষ, হস্তান্তর হলেই খুলবে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ শিশুপার্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

উত্তর জনপদের অর্থনৈতিক সূচকে অনগ্রসর জেলা হিসেবে তকমা পেয়েছে কুড়িগ্রাম জেলা। তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ ১৬টি নদী দ্বারা পরিবেষ্টিত এ জেলায় প্রায় ২৬ লক্ষ লোকের বাস। ০৯টি উপজেলায় প্রায় ৪ শতাধিক চর রয়েছে। কুড়িগ্রাম শহরেই নানা পেশার প্রায় ৫ লক্ষ লোক বাস করে। শিশুদের সুস্থ বিনোদন ও মানসিক বিকাশের কথা চিন্তা করেই পার্কবিহীন এ শহরে জেলা পরিষদ তার নিজস্ব ৭৩ শতাংশ জমির উপর ডায়াবেটিস হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় শিশু পার্কটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। স্থানীয় অধিবাসীরা জেলা পরিষদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।

সূত্রমতে ২ কোটি ৮৯ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ পার্কটি ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে টেন্ডার আহ্বান করা হয়। শিশু পার্কটির নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। সুন্দর ও নান্দনিক ডিজাইনের শিশু পার্কটিতে রয়েছে সুইং চেয়ার, মিনি ইলেকট্রিক ট্রেন, অ্যাডভান্সার কার, মেরি-গো-রাউন্ড, জেড কোস্টার, ওয়ান্ডার হুইল, বাউন্সিং রাইড, হাতে চালিত রকার, শিশুদের খেলার মাঠ,চারিদিকে সোলার স্টিট লাইট, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, সুন্দর ও আধুনিক গোইট, দেয়ালে শিশুদের ছবিসহ বাচ্চাদের উপযোগী নানা শ্লোগান যা ইতোমধ্যে এলাকাবাসীর নজর কেড়েছে।

জেলা পরিষদ অফিস সূত্রে জানা যায় যে, পার্কটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে আগামী ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ সালে।

শিশুপার্কটির নির্মাণ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী মোঃ নুরুজ্জামান বলেন, শিশু পার্কটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। হস্তান্তরের আবেদন এখনও করি নাই। আশা করছি ৩০ অক্টোবরের আগেই হস্তান্তর করতে পারবো।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন যে, পার্কটি হস্তান্তরের আবেদন এখনও পাওয়া যায়নি। জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডিসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রকৌশলদের নিয়ে জেলা প্রশাসন একটি শক্তিশালী পরিদর্শন টীম গঠন করে দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট টীমকে সার্বিক বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে পত্র প্রদান করা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে এবং পার্কের সকল কাজ সমাপ্ত হলে স্থানীয়দের চাহিদার কথা মাথায় রেখে খুব শ্রীঘ্রই পার্কটি উদ্বোধন করা হবে। পার্কটি চালু হলে শিশুদের মানসিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।

পাশাপাশি রৌমারী ৪তলা ডাকবাংলো হস্তান্তরের আবেদন পাওয়া মাত্রই একইভাবে পরিদর্শন টীম গঠন করে দেয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদের প্রশাসক এ বিষয়ে জানান, কুড়িগ্রামে অন্য কোন পার্ক না থাকায় এ শিশু পার্কটি দ্রুত খুলে দেয়ার জন্য চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে কথা বলছি। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হস্তান্তরের আবেদন করলে, এলজিইডিসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিদের পরিদর্শন প্রতিবেদন হাতে পেলে এবং সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শ্রীঘ্রই কুড়িগ্রাম জেলাবাসীর জন্য এ পার্কটি উন্মুক্ত করা হবে

বিষয় : কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ শিশুপার্ক

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শিশুদের হাসির অপেক্ষা শেষ, হস্তান্তর হলেই খুলবে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ শিশুপার্ক

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

উত্তর জনপদের অর্থনৈতিক সূচকে অনগ্রসর জেলা হিসেবে তকমা পেয়েছে কুড়িগ্রাম জেলা। তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ ১৬টি নদী দ্বারা পরিবেষ্টিত এ জেলায় প্রায় ২৬ লক্ষ লোকের বাস। ০৯টি উপজেলায় প্রায় ৪ শতাধিক চর রয়েছে। কুড়িগ্রাম শহরেই নানা পেশার প্রায় ৫ লক্ষ লোক বাস করে। শিশুদের সুস্থ বিনোদন ও মানসিক বিকাশের কথা চিন্তা করেই পার্কবিহীন এ শহরে জেলা পরিষদ তার নিজস্ব ৭৩ শতাংশ জমির উপর ডায়াবেটিস হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় শিশু পার্কটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। স্থানীয় অধিবাসীরা জেলা পরিষদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।

সূত্রমতে ২ কোটি ৮৯ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ পার্কটি ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে টেন্ডার আহ্বান করা হয়। শিশু পার্কটির নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। সুন্দর ও নান্দনিক ডিজাইনের শিশু পার্কটিতে রয়েছে সুইং চেয়ার, মিনি ইলেকট্রিক ট্রেন, অ্যাডভান্সার কার, মেরি-গো-রাউন্ড, জেড কোস্টার, ওয়ান্ডার হুইল, বাউন্সিং রাইড, হাতে চালিত রকার, শিশুদের খেলার মাঠ,চারিদিকে সোলার স্টিট লাইট, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, সুন্দর ও আধুনিক গোইট, দেয়ালে শিশুদের ছবিসহ বাচ্চাদের উপযোগী নানা শ্লোগান যা ইতোমধ্যে এলাকাবাসীর নজর কেড়েছে।

জেলা পরিষদ অফিস সূত্রে জানা যায় যে, পার্কটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে আগামী ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ সালে।

শিশুপার্কটির নির্মাণ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী মোঃ নুরুজ্জামান বলেন, শিশু পার্কটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। হস্তান্তরের আবেদন এখনও করি নাই। আশা করছি ৩০ অক্টোবরের আগেই হস্তান্তর করতে পারবো।


জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন যে, পার্কটি হস্তান্তরের আবেদন এখনও পাওয়া যায়নি। জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডিসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রকৌশলদের নিয়ে জেলা প্রশাসন একটি শক্তিশালী পরিদর্শন টীম গঠন করে দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট টীমকে সার্বিক বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে পত্র প্রদান করা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে এবং পার্কের সকল কাজ সমাপ্ত হলে স্থানীয়দের চাহিদার কথা মাথায় রেখে খুব শ্রীঘ্রই পার্কটি উদ্বোধন করা হবে। পার্কটি চালু হলে শিশুদের মানসিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।

পাশাপাশি রৌমারী ৪তলা ডাকবাংলো হস্তান্তরের আবেদন পাওয়া মাত্রই একইভাবে পরিদর্শন টীম গঠন করে দেয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদের প্রশাসক এ বিষয়ে জানান, কুড়িগ্রামে অন্য কোন পার্ক না থাকায় এ শিশু পার্কটি দ্রুত খুলে দেয়ার জন্য চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে কথা বলছি। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হস্তান্তরের আবেদন করলে, এলজিইডিসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিদের পরিদর্শন প্রতিবেদন হাতে পেলে এবং সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শ্রীঘ্রই কুড়িগ্রাম জেলাবাসীর জন্য এ পার্কটি উন্মুক্ত করা হবে


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream