কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ছয় কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া দুটি সিআর পরোয়ানাভুক্ত এক আসামী, মাদক সেবনের অপরাধে সামারি ট্রায়ালে সাতজন এবং বিভিন্ন মামলায় চারজন রিমান্ডের আসামীসহ মোট ১৩ জনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ও শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ডি.এম.এ মজিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ৪ নম্বর শশীদল ইউনিয়নের নাগাইশ সাকিন এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানকার রহিম মাষ্টারের ভিটেবাড়ির সামনে শশীদল থেকে বড়ধুশিয়াগামী পাকা রাস্তার ওপর থেকে ৬ কেজি গাঁজাসহ মোঃ শাকিল (২০) নামের এক তরুণকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শাকিল ওই এলাকার রামচন্দ্রপুর (বাল্লাক) গ্রামের মোঃ হাইয়ুমের ছেলে।
অন্য এক অভিযানে ১১ সেপ্টেম্বর সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোঃ নুর-আল আহসান ও এএসআই মোঃ কামরুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে দুটি সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামী মোঃ রুবেলকে (৫০) গ্রেফতার করেন। তিনি নাইঘর এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে ও ‘হোসাইন মোটরস’-এর স্বত্বাধিকারী।
একই দিন এসআই মোঃ রকিফুল ইসলাম, এএসআই মোঃ নুর-আল-আহসান, এএসআই রতন কুমার মল্লিক ও এএসআই মোঃ নাছির উদ্দিনের যৌথ অভিযানে মাদক সেবনের অপরাধে ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তাদের সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার জালাল আহম্মেদ (৪৫), কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার জাহিদুল ইসলাম ওরফে মেহেদী (২৬) ও মোঃ কাউছার মোল্লা (৩২), ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মোঃ মাসুম (৪২) ও গোলাম মোস্তফা (৪০) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মোঃ সোহেল আহম্মেদ (৩৮) ও মোঃ ইসমাইল (৩০)।
এছাড়া নিয়মিত বিভিন্ন মামলার আরও ৪ জন রিমান্ডের আসামীকে পুলিশ আদালতে সোপর্দ করেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফারুক হোসেন জানান, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কাজ করছে পুলিশ। নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত সকল আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে থানা পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মতামত