স্পিডব্রেকারের কাছে গতি কমাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি মোটরসাইকেল বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলচালক আরাফাত রহমান বাবু (৩২) নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলের অপর আরোহী আসাদুল ইসলাম (৩১)।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদী পৌর এলাকার দক্ষিণ বিজয়পুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আরাফাত রহমান বাবু উপজেলার আশোকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দুই সন্তানের জনক। বর্তমানে তিনি উপজেলার মহিলারা এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. হানিফ আকনের পালিত ছেলে হিসেবে বসবাস করতেন। আহত আসাদুল ইসলামও আশোকাঠী গ্রামের বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে কুয়াকাটার উদ্দেশে যাচ্ছিল তাজবীহ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। বাসটি দক্ষিণ বিজয়পুর এলাকায় পৌঁছে একটি স্পিডব্রেকার অতিক্রম করছিল। একই সময়ে বিপরীত দিক থেকে একটি মোটরসাইকেল আসছিল। স্পিডব্রেকারের কাছে মোটরসাইকেলচালক গতি কমানোর চেষ্টা করলে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটির সামনে চলে যায়। পরে বাস ও মোটরসাইকেলের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। চালক আরাফাত রহমান বাবু ও আরোহী আসাদুল ইসলাম সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরাফাত রহমান বাবুকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আসাদুল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও মোটরসাইকেলটি আটক করে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বাস ও মোটরসাইকেলটি আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
মতামত