সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা সদর ইউনিয়নের গলহা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল হক'র নামে একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।এনিয়ে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও গলহা গ্রামের সুধীজনদেরও একজন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,গলহা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধ্রুব দেবনাথ ও মিলি দেবনাথের অভিভাবক লাকী রানী ও যমুনা দেবী দুজন শিক্ষার্থীর সাধারণ ও টেলেন্টপুল বৃত্তির টাকা পাননি বলে, অভিযোগ করেন,৭ই নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে।প্রধান শিক্ষক রফিকুল হকের কাছে বৃত্তির টাকা সম্পর্কে জানতে চাইলে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে এরিয়ে যান।অভিভাবকরা অভিযোগে তুলে ধরেন প্রধান শিক্ষক সুনির্দিষ্ট কোন প্রমান বা সন্তোষজনক কোন ব্যাখাও দিতে পারেননি বিষয়টির।বৃত্তির টাকা না পাওয়ার দরুন শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার খরচ চালাতে অনেক হিমসিম খেতে হচ্ছে তাদের।
ঐপ্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানিক অনিয়ম নিয়ে আরো একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন গলহা গ্রামের মোঃওয়াসিম মিয়া।বিদ্যালয়ের পাঁচতলা ভবণ নির্মাণে ঠিকাদারের সাথে সমন্বয়ে নিম্নমানের কাজের সম্মতি, অনিয়ম,দুর্নীতি,অর্থ আত্মসাৎ,সেচ্ছাচারিতা,ক্ষমতার অপব্যবহার,শিক্ষার্থীদের রেজিষ্টেশন ভুল দেখিয়ে অর্থ আদায়,বিদ্যালয় ফান্ডের টাকা নিজ একাউন্টে রাখা, অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা খাতায় সাক্ষর,এবং এসএসসির বাচাই পর্বে অনৈতিক লেনদেনের বিষয় তুলে ধরেন অভিযোগকারী।
তিনটি অভিযোগ মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরের দায়ের করা হয়েছে।অভিযোগ সঠিক সুরাহা ও তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী অভিযোগকারী তিনজন।
এবিষয়ে গলহা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল হক অভিযোগে বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন,আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পুর্ন মিত্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে ফোন কেটে দেন।
মধ্যনগর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা জনি রায়ের সাথে কথা বললে তিনি জানান,অভিযোগ পেয়েছি।অবশ্যই তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
মতামত