শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

দেশজুড়ে বেড়েছে তীব্র লোডশেডিং


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| ফটো কার্ড

দেশজুড়ে বেড়েছে তীব্র লোডশেডিং
প্রতীকি ছবি

কয়লাসংকট কাটিয়ে ওঠার পরপরই এবার কারিগরি ত্রুটির মুখে পড়েছে ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানির ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। একটি ইউনিট হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে লোডশেডিং পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় গত ৭ আগস্ট থেকে আদানির কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কমে যায়। পরবর্তীতে কয়লা সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন আবারও বাড়ানো শুরু হয়। এমনকি গতকাল রাতে তা ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু দিবাগত রাত ১২টার দিকে হঠাৎ বয়লারে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ইউনিট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে সাড়ে ৭০০ মেগাওয়াটেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বয়লারের ত্রুটি মেরামতের কাজ শুরু করার আগে এটি সম্পূর্ণ শীতল হতে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। এর পর কাজ শুরু হবে, যা শেষ করে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে আরও কয়েক দিন সময় লেগে যেতে পারে।

এদিকে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশে তীব্র গ্যাসসংকটের কারণে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন কমে গেছে। পাশাপাশি কয়লাসংকট ও কারিগরি ত্রুটির কারণে অন্যান্য কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রেও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি কারণে বন্ধ রয়েছে এবং পাশের অপর বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে চলছে কয়লার অভাব। একইভাবে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রও কয়লাস্বল্পতায় উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে।

বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গরম বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি জ্বালানি তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো দিয়ে চাহিদার ঘাটতি মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলস্বরূপ, দেশে বিদ্যুৎসংকট তীব্র রূপ নিচ্ছে।গতকাল বিকেল ৩টায় দেশজুড়ে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়। এমনকি ছুটির দিনের সকালেও সারা দেশে আড়াই হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং সহ্য করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


দেশজুড়ে বেড়েছে তীব্র লোডশেডিং

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কয়লাসংকট কাটিয়ে ওঠার পরপরই এবার কারিগরি ত্রুটির মুখে পড়েছে ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানির ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। একটি ইউনিট হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে লোডশেডিং পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় গত ৭ আগস্ট থেকে আদানির কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কমে যায়। পরবর্তীতে কয়লা সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন আবারও বাড়ানো শুরু হয়। এমনকি গতকাল রাতে তা ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু দিবাগত রাত ১২টার দিকে হঠাৎ বয়লারে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ইউনিট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে সাড়ে ৭০০ মেগাওয়াটেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বয়লারের ত্রুটি মেরামতের কাজ শুরু করার আগে এটি সম্পূর্ণ শীতল হতে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। এর পর কাজ শুরু হবে, যা শেষ করে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে আরও কয়েক দিন সময় লেগে যেতে পারে।

এদিকে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশে তীব্র গ্যাসসংকটের কারণে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন কমে গেছে। পাশাপাশি কয়লাসংকট ও কারিগরি ত্রুটির কারণে অন্যান্য কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রেও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি কারণে বন্ধ রয়েছে এবং পাশের অপর বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে চলছে কয়লার অভাব। একইভাবে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রও কয়লাস্বল্পতায় উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে।

বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গরম বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি জ্বালানি তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো দিয়ে চাহিদার ঘাটতি মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলস্বরূপ, দেশে বিদ্যুৎসংকট তীব্র রূপ নিচ্ছে।গতকাল বিকেল ৩টায় দেশজুড়ে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়। এমনকি ছুটির দিনের সকালেও সারা দেশে আড়াই হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং সহ্য করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।



Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream