সিরাজগঞ্জ পৌর শহরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নিজ বাসভবনের গ্যাসলাইনে বজ্রপাতের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে ওই এলাকার আরও দুটি ভবনের গ্যাসলাইনে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বেলা সোয়া একটার দিকে সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের হোসেনপুর আল-মাহমুদ সড়কে অবস্থিত মন্ত্রীর বাসভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বজ্রপাত ও অগ্নিকাণ্ড: স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ বিকট শব্দে বজ্রপাত হয়। বেলা সোয়া একটার দিকে মন্ত্রীর বাসভবনের প্রধান ফটকের ডান পাশের দেয়াল ঘেঁষে বাগানের ভেতরে থাকা ১০ ফুট দীর্ঘ গ্যাসলাইনে আগুন ধরে যায় এবং লাইনের রাইজারটি আগুনে পুড়ে যায়।
দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা: আগুনের তীব্রতা দেখে ভবনের নিরাপত্তাপ্রহরী শফিকুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ ফোন দেন। ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আশপাশের ভবনে ক্ষতি: একই সময়ে কাছের হোসেনপুর বাগানবাড়ির আরও দুটি ভবনের গ্যাসলাইনে বজ্রপাত থেকে আগুন ধরে গেলে ফায়ার সার্ভিসের আরও দুটি ইউনিট গিয়ে তা নেভায়। এতে সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে বড় ধরণের বিপর্যয় এড়ানো গেছে।
জ্বালানিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আবু হেনা মোস্তফা নোমান জানান, হঠাৎ গ্যাসলাইনে আগুন ধরে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছিল। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খুব দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলায় কেউ হতাহত হননি।
সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রহমান জানান, মন্ত্রীর বাসভবনসহ মোট তিনটি ভবনের গ্যাসলাইনে বজ্রপাতের কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল। ফায়ার সার্ভিসের মোট তিনটি ইউনিট দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে। এ ঘটনায় কিছু আর্থিক ক্ষতি হলেও কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেনি।
মতামত