সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার চারাটি ইউনিয়নের সহস্র কৃষকেরা বোরোধান ফলিয়ে বিপাকে পরেছেন তাঁরা।বিক্রিও করতে পারছেন'না ফেলেও দিতেও পারছেন না।শুকনো ধান পড়ে রয়েছে কৃষকের গোলায়।বিগত বোরো মৌসুমে অতিভারী বৃষ্টি আর আগাম বন্যায় ফলিত পাকা বোরোধান তলিয়ে গেলেও বিভিন্ন পক্রিয়ায় অধিকাংশ কৃষক ধান সংগ্রহও করেছেন।সংগৃহীত ধানের ভিতরে চালের রং ভাল হলেও ধানের গায়ের রং অনেকটাই কালো।উঁচু জমির কর্ত্তণকৃত ধানের রং সোনালী তবেও কৃষক খোলা বাজারেও ধান বিক্রি করতে পারছেন না।পর্যাপ্ত মূল্য না পাওয়া এবং বাজারে ধানের চাহিদা না'থাকার দরুণ।এতে করে কৃষক দিশা হারা হয়ে গুরছেন ধান ক্রেতার আড়ৎ বা মোকামের দ্বারেদ্বারে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিমণ ধানের মূল্য ১হাজার৪শত৪০ টাকা বেধে দিলেও খোলা বাজারে কৃষকদের ধানের দাম বলছেন না আড়ৎদার বা খরিদদাররা।মাঝে মধ্যে কিছু বিক্রেতার দেখা মিলে সামাণ্য মণকয়েক ধান বিক্রি করেছেন ৭শত থেকে ৮শত টাকা দরে।আবার কোন কোন ধানের পুটলি হাতে বলছেন এজাতীয় ধানের দামেই বলছে না ত্রেতারা।কোনকোন জায়গায় কালো ধানের দাম৪শত টাকা মণ বিক্রি হতেও জানা গেছে।যা হাঁসের খামারিরা ক্রয় করছেন।
দিশাহারা কৃষকদের প্রাণের কথা বুক ফাটে মুখ দিয়ে বেড়িয়ে আসছে "ধান গোলায় তুইল্লা ঠেকছি"অহন বেচতাম পারি না,ফালাইতামও পারি না।
মধ্যনগর খাদ্য গোদামের তথ্যানুযায়ী এবছর'মধ্যনগর,চামরদানী,বংশীকুন্ড(উঃ),বংশীকুন্ডা(দঃ)ও জয়শ্রী সহ ৫টি ইউনিয়ন মিলে মোট বরাদ্দ ছিল ১হাজার ৪শত মেট্রিকটন ধান গুদামজাত করণের।যা ফলিত ধানের তুলনায় নামেমাত্র।
এমতাবস্থায় ভাটি অঞ্চলের কৃষকেরা মনমরা হয়ে আগামী বছর বোরোধানের মৌসুমে কৃষি কাজ করবেন কিনা তা ভাবছেন।এবং ফলিত ধানের পর্যাপ্ত মূল্য না পেয়ে জেলা ও উপজেলা কৃষি কর্মর্তাদের বাজার মনিটরিং এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জোড় দাবী জানিয়েছেন এলাকার কৃষক মহল।
মতামত