মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

ডোমারে ‎গলা কেটে ও মুখে বিষ ঢেলে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ ‎



ডোমারে ‎গলা কেটে ও মুখে বিষ ঢেলে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ  ‎
সংগৃহীত ছবি

‎নীলফামারীর ডোমারে গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার হওয়া একরামুল হক (৬০) নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। স্বজনদের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয় এবং পরে মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়।

‎সোমবার (৩১ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একরামুল হকের মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডোমার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর আলী।

‎নিহত একরামুল হক ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের হলহলিয়া তেলিপাড়া গ্রামের মো. সকিউল ইসলামের ছেলে।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার ভোরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় একরামুল হককে পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং মুখে বিষ ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে তাকে উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

‎নিহতের ভাতিজা রতন ইসলাম জানান, রাতে প্রস্রাব করতে বাড়ির বাইরে যাওয়ার পর একরামুল হক আর বাড়িতে ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সকালে স্থানীয় একজনের মাধ্যমে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকার খবর পান স্বজনরা। পরে তাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

‎নিহতের জামাতা হামিদুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ তারা জানতে পারেন তার শ্বশুরকে কে বা কারা গলা কেটে ফেলে রেখেছে। গুরুতর অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।

‎স্থানীয়দের ভাষ্য, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

‎ডোমার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর আলী জানান, একরামুল হকের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি পুলিশের জানা রয়েছে। ওই বিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

‎ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ডোমারে ‎গলা কেটে ও মুখে বিষ ঢেলে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ ‎

প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

‎নীলফামারীর ডোমারে গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার হওয়া একরামুল হক (৬০) নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। স্বজনদের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয় এবং পরে মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়।

‎সোমবার (৩১ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একরামুল হকের মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডোমার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর আলী।

‎নিহত একরামুল হক ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের হলহলিয়া তেলিপাড়া গ্রামের মো. সকিউল ইসলামের ছেলে।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার ভোরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় একরামুল হককে পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং মুখে বিষ ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে তাকে উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

‎নিহতের ভাতিজা রতন ইসলাম জানান, রাতে প্রস্রাব করতে বাড়ির বাইরে যাওয়ার পর একরামুল হক আর বাড়িতে ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সকালে স্থানীয় একজনের মাধ্যমে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকার খবর পান স্বজনরা। পরে তাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

‎নিহতের জামাতা হামিদুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ তারা জানতে পারেন তার শ্বশুরকে কে বা কারা গলা কেটে ফেলে রেখেছে। গুরুতর অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।

‎স্থানীয়দের ভাষ্য, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

‎ডোমার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর আলী জানান, একরামুল হকের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি পুলিশের জানা রয়েছে। ওই বিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

‎ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream