শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
দুই তলা থেকে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

দুই তলা থেকে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

রাজধানীর ভাটারার সাঈদনগর এলাকায় একটি ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে পড়ে ফুয়াদ নাঈম (২৩) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে সাঈদনগর বড় মসজিদসংলগ্ন একটি সাততলা ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে নিচে পড়ে যান ফুয়াদ। পরে সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নাঈম ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি রংপুরের মিঠাপুকুরে। তার বাবা মোস্তাফিজুর রহমান পেশায় একজন শিক্ষক। নাঈমের রুমমেট মাজহারুল ইসলাম ও প্রতিবেশী ইয়াসিন আরাফাত জানান, নাঈমসহ কয়েকজন সাইদনগরের ১২ নম্বর রোডের ২২ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলায় মেস করে থাকতেন। ভবনটির পাশেই একই মালিকের আরেকটি ভবন রয়েছে। মাঝখানের সংযোগপথ দিয়ে দুই ভবনের ফ্ল্যাটে যাতায়াত করা যায়। তারা জানান, শুক্রবার সকালে তারা ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ নিচে হইচই শুনে বেরিয়ে দুই ভবনের মাঝখানে নাঈমকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ফরাজি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সকাল ৯টার দিকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সহপাঠীরা জানান, কীভাবে নাঈম নিচে পড়ে গেছেন, তা তারা দেখেননি। ঘটনার সময় সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। তবে ভবনের কেয়ারটেকারের কাছ থেকে তারা জানতে পেরেছেন, নাঈম এক ভবন থেকে পাশের ভবনে গিয়ে কাউকে ডাকাডাকি করেছিলেন। এ সময় তিনি বারান্দা থেকে পড়ে গিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছেন তারা। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, নাঈমের লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ভবন ধসে নিহত ২০, আহত ১৪

গাজা উপত্যকায় যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত একটি আবাসিক ভবন ধসে অন্তত নারী-শিশুসহ ২০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। ১৪ জন এ ঘটনায় আহত হয়েছেন। শতাধিক আটকা পড়েছেন এ ছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে বলে আল-জাজিরার প্রতিবেদনে জানা গেছে। ফিলিস্তিনের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাতের বেলায় ছয়তলা একটি আবাসিক ভবন ধসে পড়ে। নিহতদের মধ্যে পাঁচটি শিশু রয়েছে। আল-জাজিরার যাচাই করা ভিডিওতে দেখা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে শিশুদের বের করে আনছেন। তাঁদের সঙ্গে স্থানীয়রাও হাত দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং ভিডিওতে দেখা যায়, সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা জীবিতদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিল। এ সময় ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশুদের সাহায্যের জন্য চিৎকার শোনা যাচ্ছিল। একটি ভিডিওতে ধ্বংসস্তূপ থেকে একটি ছোট মেয়েকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে দেখা যায়। এ সময় আরও শিশুসহ কয়েকজনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে বের হয়ে আসতে দেখা যায়। তাদের শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের দুর্ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল আল-জাজিরাকে জানান, সিভিল ডিফেন্সের দলগুলো এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে চেষ্টা চালাচ্ছে। ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় ১০০ ফিলিস্তিনি আটকা রয়েছেন বলেও জানান মুখপাত্র। তিনি আরও জানান, উদ্ধারকারী দলের কাছে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া মানুষের কাছে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইসরায়েলের আগের একটি বিমান হামলায় ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ওই হামলার পর ভবনটিতে ফাটল ধরেছিল এবং এর কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছিল। পরে সেটিই ধসে পড়ে। এক বিবৃতিতে গাজার সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয় এই ঘটনার জন্য ইসরায়েল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ‘সম্পূর্ণ ও সরাসরি’ দায়ী করেছে। কার্যালয়টি বলেছে, ছয়তলা ভবনটিতে প্রতিটি তলায় চারটি করে আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ছিল। ভবনটিকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। এতে ভবনটির কাঠামোগত দৃঢ়তা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত সেটি ধসে যায়। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডজুড়ে হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত ও আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে। মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী গাজায় প্রবেশেও ইসরায়েল বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মুখপাত্র বাসাল বলেন, অনেক ফিলিস্তিনি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণ, তাঁদের যাওয়ার মতো অন্য কোনো জায়গা নেই। শরণার্থী কেন্দ্র বা উপযুক্ত তাঁবুর অভাবেই তাঁদের এমন ভবনে থাকতে হচ্ছে, যা তাঁদের হুমকির মুখে ফেলছে। এ দিকে ধ্বংসস্তূপ নিরাপদে সরানো এবং উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য সিভিল ডিফেন্সের প্রয়োজনীয় ভারী সরঞ্জাম গাজায় প্রবেশেও ইসরায়েল কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এর ফলে ভবনধসের ঘটনায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া মানুষদের কাছে পৌঁছাতে উদ্ধারকারী দলগুলোকে মূলত হাতের সাহায্যে কাজ করতে হচ্ছে। এতে জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজের গতি ধীর হয়ে যাচ্ছে। গাজা সিটির মেয়র ইয়াহইয়া আল-সাররাজ আল-জাজিরাকে বলেন, ‘এটি কোনো ভবনধসের প্রথম ঘটনা নয়। আমরা আশঙ্কা করছি, এটিই শেষ ঘটনাও নাও হতে পারে।’ মেয়র আরও জানান, সিটি করপোরেশন ও সিভিল ডিফেন্স ‘অচল’ হয়ে পড়েছে। মানুষকে উদ্ধারে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তাদের হাতে নেই।

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ভবন ধসে নিহত ২০, আহত ১৪

অকালেই থেমে গেল নাট্যকার মারুফ হোসেন সজীবের পথচলা

তরুণ নাট্যকার ও পরিচালক মারুফ হোসেন সজীব আর নেই। তিনি মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে নাট্যাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে । সজীবের মৃত্যুর খবর জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। তিনি সজীবের সঙ্গে কাজের স্মৃতি তুলে ধরে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। নির্মাতা আশিকুর রহমান জানান, হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছিলেন সজীব। কিছুদিন আগে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থও হয়েছিলেন। তবে মঙ্গলবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার বাদ জোহর জানাজা শেষে রাজধানীর উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে সজীবকে দাফন করা হবে। নিজের গল্প ও নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে নাট্যাঙ্গনে পরিচিতি পেয়েছিলেন মারুফ হোসেন সজীব। তিনি নিজেই গল্প লিখে নাটক নির্মাণ করতেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘বিলোপ’, ‘বাবুই পাখির বাসা’, ‘রঙিন কাগজ’, ‘আধার’, ‘সিকিউরিটি গার্ল’, ‘জলকৌড়ি’, ‘মেঘলা’ ও ‘নুসাইবা’। তরুণ এই নির্মাতার অকাল মৃত্যুতে সহকর্মী ও ভক্তদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।

অকালেই থেমে গেল নাট্যকার মারুফ হোসেন সজীবের পথচলা

ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৫৬১

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৬১ জন। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪৯ জনে। এর মধ্যে শুধু আগস্ট মাসেই মারা গেছেন ৪৩ জন। সেপ্টেম্বরে গত ১২ দিনে মৃত্যু হয়েছে ৫২ জনের। এ ছাড়া জুলাইয়ে ৩৬, জুনে ১৩, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বুলেটিনে জানানো হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৫৬১ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৮৩৭ জনে। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৩৯৪ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে, ৬২৭ জন। এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২৭৫, বরিশালে ২০২, চট্টগ্রামে ১৮১, রাজশাহীতে ১০৪, ময়মনসিংহে ৯৩, রংপুরে ৭৩ এবং সিলেটে ছয়জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৫৬১

ভারতে বিষাক্ত মদ পানে মৃত্যু, অসুস্থ আরও ১০ জন

বিষাক্ত মদ পানে ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের সাগর জেলায় অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আরও দশজনেরও বেশি মানুষ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাজ্য প্রশাসন ঘটনার পর দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি গ্রামে জরুরি স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু করা হয়েছে এবং আগাম সতর্কতা হিসেবে স্থানীয় ছয়টি মদের দোকান সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, নিহতদের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি। চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও ফরেনসিক পরীক্ষার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তবে চিকিৎসকেরা ধারণা করছেন, এটি মিথাইল অ্যালকোহলের বিষক্রিয়া হতে পারে। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানান, এ ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গণমাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের অবিলম্বে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছি। আমরা বিষয়টি নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করব এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেব। আমাদের সরকার এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই বরদাশত করবে না।’ ইতিমধ্যে প্রশাসনিক দল ও চিকিৎসকদের প্রতিনিধিদল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। অসুস্থদের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, রোগীদের শরীরে কিছু বিশেষ উপসর্গ দেখা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে সায়ানোসিস বা ত্বক নীল হয়ে যাওয়া এবং মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া। এ ছাড়া বমি, তীব্র মাথাব্যথা ও জ্বরের মতো লক্ষণও দেখা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক দল ও চিকিৎসকেরা সাগর জেলার নৌরা ও ঘুগরুসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালাচ্ছেন। সাগরের মুখ্য চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (সিএমএইচও) ডা. দেবেশ পাতেরিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের চিকিৎসক ও নার্সদের একাধিক দল উপদ্রুত গ্রামগুলোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। রোগীদের যেসব লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তা মিথাইল অ্যালকোহলের বিষক্রিয়ার ইঙ্গিত দেয়। তবে ফরেনসিক রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত এটি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।’ ডা. দেবেশ আরও জানান, আশঙ্কাজনক রোগীদের প্রাথমিক স্থিতিশীল করে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হচ্ছে এবং মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে, গত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যারা মদ পান করেছেন বা যাদের মধ্যে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিয়েছে, তাঁরা যেন অবিলম্বে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করেন। এ ট্র্যাজেডির পর এলাকায় অবৈধ ও ভেজাল মদ বিক্রি বন্ধে স্থানীয় আবগারি বিভাগের নজরদারি ও ভূমিকা নিয়ে মারাত্মক প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগেই একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদ ব্যবসায়ী ‘বোম্বে হুইস্কি’ নামে একটি কৃত্রিম ও ভেজাল মদের ব্র্যান্ড বিক্রির বিষয়ে আবগারি বিভাগে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। এ ছাড়া মাত্র চার দিন আগে লাইসেন্সধারীদের সঙ্গে আবগারি কর্মকর্তাদের এক বৈঠকেও অবৈধ মদ বিক্রির বিষয়টি জোরালোভাবে তোলা হয়েছিল। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন মদের উৎস, সরবরাহকারী এবং পুরো সরবরাহ শৃঙ্খল খতিয়ে দেখতে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে।

ভারতে বিষাক্ত মদ পানে মৃত্যু, অসুস্থ আরও ১০ জন

ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ডা. জাহাঙ্গীর কবির ইনসুলিন বন্ধ করে ‘কিটো ডায়েট’ ও সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দেওয়ার পর এক ডায়াবেটিস রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অননুমোদিত সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের অভিযোগও তদন্ত করবে কমিটি। ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের প্রতিষ্ঠান হেলথ রেভল্যুশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে অভিযোগও রয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর ওই কমিটি গঠন করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের অ্যান্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. ইন্দ্রজিৎ প্রসাদ গত ৫ মে অপচিকিৎসা প্রদান ও অননুমোদিত সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ডা. ইন্দ্রজিৎ প্রসাদের অভিযোগে বলা হয়েছে, সুমি বেগম নামের ৩৬ বছর বয়সী ওই নারী দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি নিয়মিত ইনসুলিন ব্যবহার করতেন। পরে অনলাইনের মাধ্যমে ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের প্রতিষ্ঠান হেলথ রেভল্যুশন লিমিটেডের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়।  প্রতিষ্ঠানটি তাঁকে ইনসুলিন বন্ধ করে নির্দিষ্ট শর্করাবিহীন খাদ্যতালিকা অনুসরণ এবং উচ্চমূল্যের কিছু সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দেয়। ওই পরামর্শ অনুসরণ করে ইনসুলিন বন্ধ করার পর তাঁর ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে। পরে তিনি সিভিয়ার ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসে (ডিকেএ) আক্রান্ত হন। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢামেক হাসপাতালের অ্যান্ডোক্রাইনোলজি বিভাগে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২ ফেব্রুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ইনসুলিন বন্ধের পরামর্শ, কিটো ডায়েট ও সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের পরামর্শের সঙ্গে রোগীর মৃত্যুর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা) অধ্যাপক ডা. মো. নুরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যে কোনো অভিযোগ এলে তা আমলে নেওয়া আমাদের কর্তব্য। যেহেতু ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, এটিও তদন্ত হবে। এই অভিযোগ তদন্তে আমরা কমিটি গঠন করেছি। এ ছাড়া অননুমোদিত সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারসহ অভিযোগগুলো তদন্ত করবে কমিটি।’ কমিটিকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির-উজ-জামানকে। সদস্যসচিব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. মাহমুদুর রহমান। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যান্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এম এ হালিম খান, ঢামেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসান হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) অ্যান্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হুরজাহান বানু এবং বারডেম হাসপাতালের অ্যান্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আজিমুন্নেছা শিউলী।

ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

এক ঢলে নিখোঁজ প্রায় ৪০০, শোকে স্তব্ধ নেপালের রসুয়া

আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী ভোতে কোশি নদীতে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৪০০ জন। নিখোঁজদের মধ্যে ভারতীয় নাগরিকসহ ১০৫ জন অন্তত ২৯১ জন বিদেশি ও ৯৩ জন নেপালি নাগরিক রয়েছেন। আজ বুধবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরাঞ্চলীয় রসুয়া জেলায় ভোরের দিকে এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নেপাল পর্যটন বোর্ড জানায়, এলাকায় ভ্রমণরত পর্যটক ও স্থানীয়দের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। পর্যটন বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, নিখোঁজ ২৯১ জন বিদেশি নাগরিকদের তালিকায় রয়েছেন—১০৫ জন ভারতীয়, ৩৭ জন প্রবাসী ভারতীয় (এনআরআই), ১৭ জন মালয়েশিয়ান, ১২ জন ব্রিটিশ, ৪ জন দক্ষিণ আফ্রিকান, ৩ জন আমেরিকান, ১ জন অস্ট্রেলিয়ান, ১ জন ডাচ নাগরিক এবং আরও ১১১ জন অন্যান্য দেশের নাগরিক, যাঁদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ওই এলাকায় একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। পরবর্তীতে ভূকম্পনের ফলে সৃষ্ট হিমবাহ ধস থেকেই এই ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এই ঘটনায় নেপালের পাশাপাশি সংলগ্ন চীন অংশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং উভয় দেশ যৌথভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে নেপালের ২৬ জন পুলিশ সদস্য, ৯ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য এবং ৪৪ জন সেনাসদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। এ ছাড়া স্থানীয় কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের একাধিক কর্মকর্তাও নিখোঁজ রয়েছেন। পাহাড়ি ঢলে রসুয়া ও নুয়াকোট জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংস হয়ে গেছে অবকাঠামো, সড়ক যোগাযোগ, সেতু, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা। উদ্ধার অভিযান ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

এক ঢলে নিখোঁজ প্রায় ৪০০, শোকে স্তব্ধ নেপালের রসুয়া

ইউরোপজুড়ে তাপপ্রবাহে প্রাণ গেল ৩৫ হাজারের বেশি মানুষের

চলতি গ্রীষ্মে ইউরোপে পরপর চারটি রেকর্ডভাঙা তাপপ্রবাহে গত বছরের গ্রীষ্মের তুলনায় অতিরিক্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৩৫ হাজার মানুষের। মহাদেশটির অর্ধেকেরও কম এলাকার অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসাব করা হয়েছে। ফলে চূড়ান্ত মৃত্যুর সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। জার্মানি, ফ্রান্স ও স্পেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বড় তিন দেশেই এখন পর্যন্ত অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়িয়েছে। প্রাথমিক জাতীয় হিসাবের ভিত্তিতে এই সংখ্যা পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগস্টের পূর্ণাঙ্গ তথ্য যোগ হলে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। মে মাস থেকে পশ্চিম ইউরোপজুড়ে পরপর তাপপ্রবাহ আঘাত হানে। শত শত আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বকালের তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙে যায়। ফ্রান্সে জাতীয় গড় তাপমাত্রার হিসাবে সবচেয়ে উষ্ণ দিন রেকর্ড করা হয়েছে। জার্মানিতে জুনের শেষ দিকে টানা তিন দিন তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙে। ওই সময় দেশটির ৪৬টি আবহাওয়া কেন্দ্রে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট) ছাড়িয়ে যায়। স্পেনেও দীর্ঘ সময় ধরে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে ছিল। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ছে। এর ফলে এ ধরনের চরম তাপপ্রবাহ আরও ঘন ঘন ঘটছে এবং এগুলোর তীব্রতাও বাড়ছে। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে জার্মানিতে। দেশটির জনস্বাস্থ্য সংস্থা রবার্ট কখ ইনস্টিটিউট (আরকেআই) গত সপ্তাহের শেষ দিকে জানিয়েছে, ৬ এপ্রিল থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত আনুমানিক ১৪ হাজার মানুষ তাপজনিত কারণে মারা গেছেন। শুধু ২২ থেকে ২৮ জুনের এক সপ্তাহেই ৯ হাজার ৬০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে আরকেআই। ২০০৮ সাল থেকে নিয়মিতভাবে সংগ্রহ করা ইইউর অতিরিক্ত মৃত্যুর তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর চলতি বছরের জুনের ওই সপ্তাহেই সবচেয়ে বেশি অতিরিক্ত মৃত্যুর হার দেখা গেছে। তবে ২০২২ সালে কোভিড-১৯ মহামারি তখনও সক্রিয় ছিল। রেকর্ড রাখা শুরুর পর জার্মানিতে তাপজনিত মৃত্যুর জন্য ২০২৬ সালই সবচেয়ে ভয়াবহ বছর। এর আগে দেশটিতে সর্বোচ্চ তাপজনিত মৃত্যুর রেকর্ড ছিল ২০১৮ সালে, যখন ৮ হাজার ৯০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। আরকেআই জানিয়েছে, স্বাভাবিক গ্রীষ্মে জার্মানিতে তাপজনিত মৃত্যু সাধারণত ২ হাজারের নিচে থাকে। স্পেনের কার্লোস থ্রি হেলথ ইনস্টিটিউটের মৃত্যুহার পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা অনুযায়ী, মে মাস থেকে চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত দেশটিতে তাপের কারণে ৪ হাজার ৯৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে তাপজনিত মৃত্যুর হিসাবে ২০২৬ সাল স্পেনের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বছর হয়ে উঠেছে। এর আগে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড ছিল ২০২২ সালে, যখন ৪ হাজার ৫২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তবে বিভিন্ন দেশ তাপজনিত মৃত্যুর হিসাব ভিন্ন পদ্ধতিতে করে। স্পেন ও জার্মানি তাৎক্ষণিকভাবে মডেল ব্যবহার করে তাপজনিত মৃত্যুর হিসাব করে। প্রতিদিনের তাপমাত্রা ও মৃত্যুহারের মধ্যে সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে কতজনের মৃত্যু তাপের কারণে হয়েছে, তা অনুমান করা হয়। এ ধরনের হিসাবের প্রয়োজন হয় কারণ মৃত্যুসনদে খুব কম ক্ষেত্রেই সরাসরি ‘তাপ’কে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সাধারণত অতিরিক্ত গরম মানুষের আগে থেকেই থাকা শ্বাসতন্ত্র বা হৃদ্রোগের মতো অসুস্থতাকে আরও গুরুতর করে তোলে। শেষ পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে, স্ট্রোক করে বা কিডনি বিকল হয়ে মারা যেতে পারেন। তাই মৃত্যুর চূড়ান্ত কারণ নির্ধারণ করতে কয়েক সপ্তাহ, এমনকি কয়েক মাসও লেগে যেতে পারে। ইউরোপের অনেক দেশ এখনো আগস্টের শুরুর দিকের মৃত্যুর হিসাবও প্রকাশ করেনি। জার্মানির সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী কার্ল লাউটারবাখ গত সপ্তাহে বলেছেন, এখন পর্যন্ত প্রকাশিত সংখ্যাগুলো শেষ পর্যন্ত প্রকৃত মৃত্যুর তুলনায় কম বলে প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ফ্রান্সে ৫০০ টিরও বেশি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এক পর্যায়ে দেশটির ৯৮ শতাংশ এলাকা তাপপ্রবাহের সতর্কতার আওতায় ছিল। ফ্রান্স প্রথমে সব ধরনের মৃত্যুর ওপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত মৃত্যুর হিসাব প্রকাশ করে। পরে বিস্তারিত বিশ্লেষণের মাধ্যমে কতজনের মৃত্যু তাপের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত ছিল, তা নির্ধারণ করা হয়। দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থা গত সপ্তাহে জানিয়েছে, মে মাসের শেষ দিক থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৩০০। তবে আগস্টের তথ্য তখনও পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি প্রাথমিক এই হিসাব ইলেকট্রনিক মৃত্যুসনদের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা দেশটির মোট মৃত্যুর প্রায় ৮০ শতাংশের তথ্য ধারণ করে। ইতালির জাতীয় তাপপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা স্থানীয় পৌরসভাগুলোর তথ্য ব্যবহার করে। ফলে দেশটির পূর্ণাঙ্গ জাতীয় মৃত্যুর হিসাব প্রকাশে প্রায়ই উল্লেখযোগ্য সময় লাগে। এখন পর্যন্ত ইতালি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ না করে অসম্পূর্ণ তাৎক্ষণিক সূচক দিয়েছে। মডেলভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, শুধু ২২ থেকে ২৮ জুনের মধ্যেই ইতালিতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ২ হাজার ৭০০ জন বেশি মারা গেছেন। মহামারিবিদরা বলেছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে হিসাব সম্পন্ন হলে ইতালিতে তাপের সঙ্গে সম্পর্কিত মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫ হাজার থেকে ৮ হাজারের মধ্যে হতে পারে। ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে অতিরিক্ত মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করেছে। যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সংস্থা জুলাইয়ে জানিয়েছে, তাদের মডেল অনুযায়ী মে ও জুনের তাপপ্রবাহে ইংল্যান্ডে ২ হাজার ৮৭৭ জনের তাপ-সম্পর্কিত মৃত্যু হয়েছে। বেলজিয়াম জানিয়েছে, ১৮ থেকে ২৯ জুনের মধ্যে দেশটিতে মৃত্যুহার ৩৯ শতাংশ বেড়েছিল। এর অর্থ ওই সময়ে স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত ১ হাজার ২২২ জন মারা গেছেন। নেদারল্যান্ডস জানিয়েছে, ২২ জুন থেকে ৫ জুলাইয়ের মধ্যে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অন্তত ৯০০ জন বেশি মারা গেছেন। ইউরোপীয় কমিশনের উদ্ধৃত একটি দ্রুত মডেলিং গবেষণায় বলা হয়েছে, জুনের শেষের তাপপ্রবাহের সময় পোল্যান্ডে স্বাভাবিকের তুলনায় আরও ১ হাজার ৭০ জন মারা গেছেন। সুইজারল্যান্ডের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, একই সপ্তাহে অতিরিক্ত তাপজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২২০। লুক্সেমবার্গ, গ্রিস, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া ও ডেনমার্কের প্রাথমিক হিসাবেও প্রতিটি দেশে প্রায় ৪০টি করে অতিরিক্ত মৃত্যুর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির হিসাব অনুযায়ী, চলতি গ্রীষ্মে ইউরোপের যেসব এলাকায় ৮ কোটির বেশি মানুষ বসবাস করেন, সেখানে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠেছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মে মাসে জানিয়েছিল, গত ২০ বছরে তাদের ইউরোপীয় অঞ্চলে তাপজনিত মৃত্যুহার ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করেছে, জলবায়ু সংকটের কারণে ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ইউরোপের বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকায় তীব্র গরমের স্বাস্থ্যঝুঁকিও আরও বাড়বে। চলতি গ্রীষ্মের পরপর চারটি তাপপ্রবাহ সেই ভবিষ্যতেরই একটি ভয়াবহ পূর্বাভাস হয়ে উঠেছে। আর এখন পর্যন্ত পাওয়া ৩৫ হাজারের বেশি অতিরিক্ত মৃত্যুর হিসাবও চূড়ান্ত নয়। আগস্টের পূর্ণাঙ্গ তথ্য এবং পরবর্তী স্বাস্থ্য বিশ্লেষণ প্রকাশিত হলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

ইউরোপজুড়ে তাপপ্রবাহে প্রাণ গেল ৩৫ হাজারের বেশি মানুষের

খেলতে নেমে মাঠেই পর্তুগিজ ফুটবলারের মৃত্যু

পর্তুগিজ ফুটবলার কেভিন কাস্ত্রো প্রীতি ম্যাচে খেলতে নেমেছিলেন। কিন্তু হঠাৎই মাঠে লুটিয়ে পড়লেন। এরপর আর উঠলেন না ২৫ বছর বয়সী ফুটবলার। পর্তুগালের ফুটবলে তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই ঘটনা ঘটে শনিবার (২২ আগস্ট) পর্তুগালের মালভেইরায় রিয়াল স্পোর্ট ক্লুবে ও এস্ত্রেলা দে আমাদোরার মধ্যকার প্রাক-মৌসুম প্রীতি ম্যাচে। কাস্ত্রো ম্যাচের শুরুর দিকে অসুস্থ বোধ করেন এবং প্রায় ১০ মিনিটের মাথায় মাঠে পড়ে যান। মাঠেই তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হয় এবং ডিফিব্রিলেটর ব্যবহার করা হয়। পরে জরুরি চিকিৎসাকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু নিশ্চিত হয়। তার মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। ম্যাচটি ঘটনার পর স্থগিত করা হয়। কাস্ত্রো ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট ব্রোমউইচ অ্যালবিয়নসহ বেশ কয়েকটি ক্লাবে খেলেছেন। ২০২১ সালে কিশোর বয়সে ওয়েস্ট ব্রোমউইচে যোগ দিয়ে আর্সেনালের বিপক্ষে কারাবাও কাপের ম্যাচে প্রথম দলের হয়ে অভিষেক করেন। পরে বার্টন, নটস কাউন্টি, গেটসহেড ও ইয়র্ক সিটির মতো ক্লাবেও খেলেছেন। কাস্ত্রোর মৃত্যুতে তার বর্তমান ও সাবেক ক্লাবগুলো শোক প্রকাশ করেছে। ওয়েস্ট ব্রোমউইচ জানিয়েছে, রোববার বার্নলির বিপক্ষে ম্যাচে ২৫ মিনিটে করতালির মাধ্যমে তাকে শ্রদ্ধা জানানো হবে এবং খেলোয়াড়রা কালো আর্মব্যান্ড পরবেন।

খেলতে নেমে মাঠেই পর্তুগিজ ফুটবলারের মৃত্যু

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৯৪ জন এবং এখনও ৪৯৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। গতকাল বুধবার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েয়া এই তথ্য জানিয়েছেন। এদিকে, ভূমিকম্পের পর প্রায় চাঁর দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর উদ্ধার অভিযান চলছে।। আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পটির পর বুধবার উদ্ধার অভিযান ৭২ ঘণ্টার গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমার কাছাকাছি পৌঁছায়। ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের উদ্ধারের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রথম ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে ওই সময়সীমা পেরিয়েও জীবিতদের উদ্ধারের নজির রয়েছে। কালির মেয়র আলেহান্দ্রো এদের গতকাল বুধবার বলেন, ‘আমরা চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করছি। এর অর্থ এই নয় যে এরপর আর কোনো জীবিত মানুষকে পাওয়া যাবে না, তবে তখন তা আরও কঠিন হয়ে যাবে।’ ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি চলতি শতাব্দীতে কলম্বিয়ায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে ৯ হাজার ৫৫০ টির বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। কফি উৎপাদন অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত পেরেইরা শহরে ৮৩ জন এবং দেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালিতে ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। পেরেইরায় উদ্ধারকারীরা একটি ধসে পড়া বেকারির ধ্বংসস্তূপে অভিযান চালাচ্ছেন। সেখানে সোমবারের ভূমিকম্পের পর আটকে পড়া এক রাস্তার বিক্রেতা এখনও জীবিত থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কম্পন শনাক্ত করতে সক্ষম বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে সম্ভাব্য প্রাণের সংকেত পেয়েছেন। এতে আটকে থাকা পাবলো লোয়াইজার স্বজনেরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁর ১৬ বছর বয়সী ভাতিজি সারা লোয়াইজা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘তারা আমাদের বলছে, এটা হয়তো তিনিই। আমার হৃদয় যেন বুকের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসছে।’ স্বজনেরা জানান, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা ব্যক্তিকে দুবার, এরপর তিনবার শব্দ করার অনুরোধ করলে তিনি সাড়া দিয়েছেন বলে মনে হয়েছে। কালিতে উদ্ধারকারীরা তৃতীয় রাতেও ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবনের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। তারা খালি হাত, ক্রেন ও প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করছেন। শব্দ শনাক্ত করার জন্য নিয়মিত কাজ থামিয়ে পুরো এলাকা নীরবও করা হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধারকর্মী জোহানা সানচেজ এএফপিকে বলেন, ‘প্রতি আধা ঘণ্টায় আমরা সবাইকে চুপ থাকতে বলি, যাতে জীবিত মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় কি না, তা শোনা যায়। এখন পর্যন্ত তিনজনকে জীবিত এবং তিনজনকে মৃত অবস্থায় বের করে আনা হয়েছে।’ কালির দক্ষিণাঞ্চলের তোরেস দেল লিমোনার আবাসিক কমপ্লেক্সে বাসিন্দারা ধ্বংসস্তূপ সরাতে হাতে হাতে মালামাল পৌঁছে দেওয়ার মানবশৃঙ্খল তৈরি করেছেন। সৈন্য, মেয়রের কার্যালয়ের কর্মী ও অন্যরা ধ্বংসস্তূপের স্তূপ থেকে একে অপরের হাতে তা তুলে দিচ্ছেন।

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫

মায়ের গলায় ওড়না প্যাঁচানো, হাত-পা বাঁধা ছেলের মরদেহ খাটে

যশোরের বাঘারপাড়ায় নিজ ঘর থেকে মা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছয় বছরের শিশু জিসানের হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। আর তার মা জুবায়দা খাতুনের (৩২) গলায় প্যাঁচানো ছিল ওড়না। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার খলশী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে।নিহত জুবায়দা খাতুন ওই গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী। জিসান তাঁদের ছয় বছরের সন্তান।পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জুবায়দার গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ছিল। ওড়নার দুই প্রান্ত তাঁর দুই হাতের কাছে পাওয়া যায়। অন্যদিকে শিশুটির হাত ও পা গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। ঘরের ভেতর মরদেহ উদ্ধারের এই অবস্থান থেকেই ঘটনাটি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।মা-ছেলের মৃত্যু আত্মহত্যার ঘটনা, নাকি তাঁদের হত্যা করা হয়েছে—এ নিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশও বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।জুবায়দার ছোট বোন পিনজিরা অভিযোগ করে বলেন, জুবায়দার স্বামী জাকির হোসেন দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে তিনি দেশে ফেরেন। জাকিরের ভাই শিহাবের সঙ্গে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে তাঁর সন্দেহ।বাঘারপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ বলেন, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি দেখে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনের কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

মায়ের গলায় ওড়না প্যাঁচানো, হাত-পা বাঁধা ছেলের মরদেহ খাটে
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream