শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে বিলম্ব, ‘অভিমানে’ আত্মহত্যা করলেন যুবক


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে বিলম্ব, ‘অভিমানে’ আত্মহত্যা করলেন যুবক
ছবি: সংগৃহীত

আজ শুক্রবার সামিউল ইসলামের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার বিয়ের কেনাকাটাও সম্পন্ন হয়। পরে কাবিন ও বিয়ের সময় নির্ধারণ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা হয় তাঁর। এরপরই নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন সামিউল। কিছুক্ষণ পর ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে একটার দিকে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

মৃত সামিউল (২১) সদর উপজেলার দক্ষিণ সালন্দর এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি সালন্দর আলিয়া মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

মিজানুর রহমানের ভাষ্য, গত বুধবার সামিউলের বিয়ের কেনাকাটা করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে সামিউল তাঁর বাবার কাছে জানতে চান, বিয়েতে কতজন লোক যাবেন। বাবা ২৪ জন যাওয়ার কথা জানালে সামিউল ৩৫ জন যাওয়ার কথা বলেন।

পরে বিয়ের ঘটক ও আত্মীয় নজরুল ইসলাম তাঁদের বাড়িতে আসেন। তাঁর সঙ্গে কনের পোশাক ও বিয়ের কাবিন নিয়ে কথা হয় মিজানুর রহমানের। একপর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয়, বৃহস্পতিবার কাবিন হবে এবং শুক্রবার বিয়ে হবে। তবে সামিউল বৃহস্পতিবারই কাবিনসহ বিয়ের যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করার কথা বলেন।

সামিউলের বাবা বলেন, ‘এসব নিয়ে কথা বলার পর সামিউল আমার ওপর অভিমান করে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে তাঁর বন্ধুর ডাক-চিৎকার শুনে ছুটে যাই। জানালা দিয়ে দেখি, ছেলে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।

বিষয় : মৃত্যু রংপুর বিভাগ বিয়ে ঠাকুরগাঁও যুবক

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬


বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে বিলম্ব, ‘অভিমানে’ আত্মহত্যা করলেন যুবক

প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

আজ শুক্রবার সামিউল ইসলামের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার বিয়ের কেনাকাটাও সম্পন্ন হয়। পরে কাবিন ও বিয়ের সময় নির্ধারণ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা হয় তাঁর। এরপরই নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন সামিউল। কিছুক্ষণ পর ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে একটার দিকে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

মৃত সামিউল (২১) সদর উপজেলার দক্ষিণ সালন্দর এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি সালন্দর আলিয়া মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

মিজানুর রহমানের ভাষ্য, গত বুধবার সামিউলের বিয়ের কেনাকাটা করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে সামিউল তাঁর বাবার কাছে জানতে চান, বিয়েতে কতজন লোক যাবেন। বাবা ২৪ জন যাওয়ার কথা জানালে সামিউল ৩৫ জন যাওয়ার কথা বলেন।

পরে বিয়ের ঘটক ও আত্মীয় নজরুল ইসলাম তাঁদের বাড়িতে আসেন। তাঁর সঙ্গে কনের পোশাক ও বিয়ের কাবিন নিয়ে কথা হয় মিজানুর রহমানের। একপর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয়, বৃহস্পতিবার কাবিন হবে এবং শুক্রবার বিয়ে হবে। তবে সামিউল বৃহস্পতিবারই কাবিনসহ বিয়ের যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করার কথা বলেন।

সামিউলের বাবা বলেন, ‘এসব নিয়ে কথা বলার পর সামিউল আমার ওপর অভিমান করে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে তাঁর বন্ধুর ডাক-চিৎকার শুনে ছুটে যাই। জানালা দিয়ে দেখি, ছেলে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream