রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
Bangla FM
Topic Ads 1
শ্রীমঙ্গলে শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

শ্রীমঙ্গলে শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নয় বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে প্রায় এক মাস ধরে যৌন নির্যাতন ও মারধরের অভিযোগে রাকিবুল হাসান মিরাজ (১৯) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ২টার দিকে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে সিন্দুরখান রোডের জামিয়া ইসলামিয়া বালক-বালিকা মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তার রাকিবুল হাসান মিরাজ শ্রীমঙ্গল উপজেলার সুনগইড় গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে। তিনি ওই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,ওই শিশুটি প্রায় এক মাস ধরে মাদ্রাসার শিক্ষক মিরাজের যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের নির্যাতনে শিশুটি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী,রোববার সকালে শিক্ষকটির কথামতো চলতে অস্বীকৃতি জানালে শিশুটিকে মারধর করা হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে শিশুটির কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে পারেন এবং শ্রীমঙ্গল থানায় অভিযোগ করেন।অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসা থেকে শিক্ষক মিরাজকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে থানায় নিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশের দাবি,জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ জানিয়েছে,শিশুটির শরীরে নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে। তার চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য এসআই হাবিবুর রহমানকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাবিবুর রহমান বলেন,এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর ৩৩। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।পুলিশ জানিয়েছে,অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

নোয়াখালীর হাতিয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগ ও ভিডিও ছড়ানোর ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর হাতিয়ায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ফার্মেসি দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মো. হেলাল উদ্দিন (৪২) নামে এক জামায়াত কর্মিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনা চিত্রের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে ভাইরাল পড়েছে।রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার হরণী ইউনিয়নের আদর্শ গ্রাম বাজারে এ ঘটনা ঘটে।আটক হেলাল উদ্দিন ওরফে হেলাল মাস্টার হরণী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রামের বেলায়েত খলিফার ছেলে। তিনি স্থানীয় আদর্শ গ্রাম বাজারে একটি ফার্মেসি পরিচালনা করেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন ওরফে হেলাল মাস্টার আগে স্থানীয় আদর্শ গ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। ২-৩ বছর আগে তিনি শিক্ষকতা ছেড়ে দেন। রোববার সকালে কৌশলে তিনি ৯ বছর বয়সী ওই শিশুকে তার ফার্মেসি দোকানে ডেকে নেন। পরে দোকানের পেছনের অংশে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি টের পেয়ে টিনের একটি ভাঙা ছিদ্র দিয়ে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। ইতিমধ্যে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি দোকান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে আটক করে চেয়ারম্যানঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করে।স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগে গত ৪ আগস্ট একই এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে বিচার বসানো হয়। ওই ঘটনায় তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও ৫০টি বেত্রাঘাত ধার্য করা হয়। তিনি একসময় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি জামায়াতের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন।হরণী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাফেজ তারিফুল মাওলা বলেন, হেলাল জামায়াতের কোনো কর্মী নন। তিনি আগে যুবলীগ করতেন। নিজেকে বাঁচাতে ৫ আগস্টের পর একটি বড় মিছিলে তিনি ঢুকে যান।এ বিষয়ে চেয়ারম্যানঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন রাসেদ বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয়দের আটক করা অভিযুক্তকে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। ভিকটিমের স্বজনেরা হাতিয়া থানায় মামলা দায়ের করবেন।  হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করবেন। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।

নোয়াখালীর হাতিয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগ ও ভিডিও ছড়ানোর ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

ডোমারের চিলাহাটিতে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি কারেঙ্গাতুলী গ্রামে এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে আরমান হোসেন (২৬) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা লাজু (১৫) নামের এক কিশোরের বিরুদ্ধেও সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই প্রতিবন্ধী তরুণী পরিবারের সঙ্গে নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। অভিযুক্ত আরমান হোসেন একই গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে। আরমান ও লাজু ঢাকায় রড মিস্ত্রির কাজ করেন।অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল রাতে ঢাকায় যাওয়ার কথা থাকলেও তারা সেখানে না গিয়ে এলাকায় ফিরে আসেন। পরে রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে ভুক্তভোগীর মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে টিনের বেড়া ভেদ করে ঘরে প্রবেশ করেন তারা। এ সময় আরমান জোরপূর্বক ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে তার বাবা ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাদের খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে আরমানের বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। সেখানে পরিবারের পক্ষ থেকে আরমান ঢাকায় চলে গেছেন বলে জানানো হয়।এরপর অভিযুক্তদের বাড়ির পেছনে একটি বড়ই গাছের নিচ থেকে কাপড়সহ একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে।খবর পেয়ে ডোমার থানা পুলিশের একটি দল চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বাদশার নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে এবং উদ্ধার হওয়া ব্যাগটি জব্দ করে। পরে ভুক্তভোগীকে থানায় নেওয়া হয়।ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুল্লাহ বলেন, “ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”তবে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন এবং অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

ডোমারের চিলাহাটিতে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ

জয়পুরহাটে প্রবাসী নারীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

জয়পুরহাটের কালাইয়ে মোবাইল ফোন ঠিক করতে আসা এক সৌদি প্রবাসী নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মোস্তেকুল হাসান ওরফে খাইরুল (৩৪) নামে এক মোবাইল মেকানিকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে অভিযুক্ত মোস্তারেকুল হাসান ওরফে খাইরুলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।গ্রেপ্তার মোস্তারেকুল হাসান কালাই পৌর এলাকার কাজীপাড়া মহল্লার গোলজার রহমানের ছেলে। গত ১৯ আগস্ট রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে কালাই থানাধীন তালুকদার শপিং কমপ্লেক্সের অগ্রণী ব্যাংক কালাই শাখা ভবনের নিচতলার মার্কেট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী সৌদি আরব প্রবাসী। দেশে ফেরার পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নষ্ট হলে কালাইয়ের ছয় ভাই সুপার মার্কেটে অভিযুক্তের দোকানে সেটি ঠিক করতে যান। এ সময় কৌশলে ওই নারীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন মোস্তেকুল। পরে ফোনে কথাবার্তার মাধ্যমে তাদের মধ্যে পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। মোস্তারেকুল নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে ওই নারীর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।পুলিশ ও  আদালতে পাঠানো প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মোস্তেকুল ওই নারীর বাবার বাড়ি কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের মান্দাই গ্রামে যাতায়াত শুরু করেন। তিনি ওই নারীকে বিয়ে করবেন বলে তার বাবা-মাকেও আশ্বস্ত করেন। পাশাপাশি ব্যবসা বড় করার কথা বলে ওই নারীর কাছ থেকে এক লাখ টাকা এবং ৬৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি আইফোন নেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৭ জুলাই রাত ৯টার দিকে মোস্তেকুল ওই নারীর বাবার বাড়িতে যান। এ সময় তার বাবা-মা পাশের বাড়িতে সাংসারিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে গেলে ওই নারী বাড়িতে একা ছিলেন। এই সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য বলে মোস্তারেকুল চলে যান।পরদিন ওই নারী তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে মোবাইল ফোন বন্ধ পান। পরে অভিযুক্তের দোকানের আশপাশে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তার একাধিক স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, আমার ব্যক্তিগত ব্যবহারের ফোনটি নষ্ট হলে ছয় ভাই সুপার মার্কেটে তার দোকানে সার্ভিসিং করাতে যাই। তখন সে কৌশলে আমার নম্বর নেয়। পরে নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে আমার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। পরে যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, তার ঘরে দুটি স্ত্রী রয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। তিনি আরও বলেন মোবাইল সার্ভিসিং  ব্যবসার আড়ালে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভিন্ন নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক তৈরি করে থাকেন। এ ঘটনায় ওই নারী জয়পুরহাট আদালতে মামলা করেন। পরে মামলাটি কালাই থানায় এফআইআর হিসেবে রেকর্ডভুক্ত হয়। মামলার নম্বর-১৬, তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৬; জিআর নম্বর-১৪৭। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী-২০২৫)-এর ৯(খ) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।কালাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বলেন, আদালতের একটি ধর্ষণ মামলা থানায় রেকর্ডভুক্ত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে মামলার অভিযুক্ত মোস্তারেকুল হাসান ওরফে খাইরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জয়পুরহাটে প্রবাসী নারীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

নোয়াখালীতে ‘ট্রিপল মার্ডার’ মামলায় ৩ জনের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন

নোয়াখালী সদর উপজেলার আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার ওমর নাসির সাজু (৩২), ওমর শরীফ সুলতান (২৫) এবং নোয়াখালী পৌরসভা এলাকার মো. সৌরভ (২৭)। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার ফিরোজ মাহমুদ বাপ্পী (২৭), কুদরত উল্যাহ (৬৫) ও হারুনুর রশীদ বাবুল (৪৫)।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২১ মে দুপুরে নোয়াখালী সরকারি কলেজের হোস্টেলের পুকুরে কুকুরকে গোসল করানোকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে শালিসি বৈঠক বসে। পরে পূর্বপরিকল্পিত হামলায় গুলিতে ওয়াসিম, রাজিব ও ইয়াছিন নিহত হন। এ ঘটনায় নিহত রাজিবের স্ত্রী সুধারাম থানায় হত্যা মামলা করেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

নোয়াখালীতে ‘ট্রিপল মার্ডার’ মামলায় ৩ জনের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন

সিলেটে অনলাইন জুয়ার সরঞ্জাম সহ গ্রেপ্তার ১

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় অনলাইন জুয়া খেলার অভিযোগে মো. সাগর আহমেদ (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত পাঁচটি কাগজের টোকেন ও একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।র‍্যাব-৯ সূত্রে জানা যায়,শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশিদ চত্বর এলাকায় অবস্থানরত র‍্যাব-৯, সিপিএসসির একটি দল জানতে পারে,খোঁজাখলা এলাকার একটি চায়ের দোকানে কয়েকজন ব্যক্তি অনলাইনে জুয়া খেলছেন। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে র‍্যাবের দলটি সেখানে অভিযান চালায়। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও সাগর আহমেদকে আটক করা হয়।গ্রেপ্তার সাগর আহমেদ মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর থানার জগন্নাথপট্টি এলাকার মো. শাহজাহান বেপারীর ছেলে।র‍্যাব জানায়,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাগর অনলাইনে জুয়া খেলার উদ্দেশ্যে ওই চায়ের দোকানে অবস্থানের কথা স্বীকার করেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন যাচাই করে অনলাইন জুয়া খেলার বিভিন্ন আলামত পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ‘Shillong Night Teer’সহ বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইন জুয়া খেলার কথাও জানিয়েছেন।র‍্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।র‍্যাব জানায়,পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইন,২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে জব্দ করা আলামতসহ তাকে দক্ষিণ সুরমা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অনলাইন জুয়াসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে র‍্যাব-৯-এর গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সিলেটে অনলাইন জুয়ার সরঞ্জাম সহ গ্রেপ্তার ১

নরসিংদীতে অনলাইন বেটিং ও জুয়া চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

নরসিংদীতে অনলাইন বেটিং ও জুয়া পরিচালনার অভিযোগে সংঘবদ্ধ একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস ইউনিটের একটি বিশেষ দল গত ১১ আগস্ট সন্ধ্যা থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—রফিকুল ইসলাম (৪৬), মো. সোহেল (৩৭), মো. শফিকুল ইসলাম (২৭), মো. রুবেল মোল্লা (৩৩) ও আয়ুব হোসেন রিপন (৪৮)।অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ৯টি মোবাইল ফোন, ২০টি সিমকার্ড এবং বিভিন্ন ব্যাংকের চেকবই জব্দ করা হয়েছে।সিআইডি জানায়, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টকে কেন্দ্র করে অনলাইন বেটিং ও জুয়ার প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব প্ল্যাটফর্মে বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করা হতো।

নরসিংদীতে অনলাইন বেটিং ও জুয়া চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

ক্ষেতলালে ঘরে ঢুকে বিধবাকে নির্যাতন, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে এক বিধবা নারীকে মারধর ও নির্যাতনের পর স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে।  ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবে বাড়িতে ঢুকে ওই বিধবা নারীকে নির্যাতন করে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।শুক্রবার (১৪ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের উত্তর মহেশপুর সরকারপাড়া গ্রামের উজ্জ্বলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী বিধবা নারীর নাম রহিমা বিবি বলে জানা গেছে।ভুক্তভোগীর ছেলে উজ্জ্বল হোসেন জানান,মাকে বাড়িতে রেখে শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন। বাড়িতে তিনি না থাকার সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় তার মাকে ব্যাপক মারধর ও নির্যাতন করা হয়। পরে ঘরে থাকা প্রায় দুই ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ ১৮ হাজার টাকা নিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। আমার ধারণা, এলাকার মাদকসেবীদের কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। আমি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম বলেন,এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।৷ 

ক্ষেতলালে ঘরে ঢুকে বিধবাকে নির্যাতন, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

নোয়াখালীতে জোড়া খুনের মামলায় একজনের ফাঁসি, দুইজন খালাস

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে গুলিতে দুইজন নিহতের ঘটনায় করা জোড়া খুনের মামলায় প্রধান আসামি সবুজকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলার অপর দুই আসামি পারুল ও ফরহাদকে খালাস দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালীর অতিরিক্ত দায়রা জজ-২য় আদালতের বিচারক তৌহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল বেগমগঞ্জ উপজেলার জগদীশপুর গ্রামের মনু মিঝি বাড়িতে পুকুরের সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সবুজের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে সেতারা বেগম ও খলিল নিহত হন। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। আহতদের মধ্যে পাঁচজন এখনও অসুস্থ রয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনার পর আবদুস সহিদ বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটির জিআর নম্বর ৪৯৯/১৩। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার আদালত রায় ঘোষণা করেন।রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি জসিম উদ্দিন বাদল বলেন, প্রধান আসামি সবুজকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর দুই আসামি পারুল ও ফরহাদকে খালাস দেওয়া হয়। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সামছুদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

নোয়াখালীতে জোড়া খুনের মামলায় একজনের ফাঁসি, দুইজন খালাস

সিলেটের গোলাপগঞ্জে অনলাইন জুয়ার আসর, গ্রেপ্তার ৪

সিলেটের গোলাপগঞ্জে অনলাইনে জুয়া খেলার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। এ সময় তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত চারটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।র‍্যাব-৯ সূত্রে জানা গেছে,বুধবার (১২ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোলাপগঞ্জ থানার হেতিমগঞ্জ বাজার এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব জানতে পারে, গোলাপগঞ্জ বাজারের ওয়ারিস উল্লাহ মার্কেটের একটি দোকানে কয়েকজন অনলাইন জুয়ায় অংশ নিচ্ছেন। পরে রাত আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে র‍্যাবের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা অনলাইনে জুয়া খেলার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করার কথা স্বীকার করেন। তাদের সঙ্গে থাকা চারটি স্মার্টফোন জব্দ করে যাচাই করা হলে অনলাইন জুয়া খেলার বিভিন্ন আলামত পাওয়া যায়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহজাদপুর গ্রামের মো. রুবেল মিয়া (২৮),সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের প্রদীপ পাল (৩৪),মো. জাহান উদ্দিন (২৯) ও টাকু সেন (২৯)।র‍্যাব জানায়,জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা 299betvip.com, K7777-সহ বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে জুয়া খেলার কথা জানিয়েছেন।পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইন,২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাদের এবং জব্দ করা আলামত গোলাপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র‍্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অনলাইন জুয়াসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে র‍্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সিলেটের গোলাপগঞ্জে অনলাইন জুয়ার আসর, গ্রেপ্তার ৪

গভীর রাতে টিলা কেটে মাটি বিক্রির সময় গোলাপগঞ্জে হাতেনাতে আটক ৩

গভীর রাতে অবৈধভাবে টিলা কেটে মাটি দিয়ে প্লট ভরাটের সময় সিলেটের গোলাপগঞ্জে তিনজনকে হাতেনাতে আটক করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। এ সময় মাটি ভর্তি একটি ট্রাক, দুটি কোদাল ও দুটি বেলচা জব্দ করা হয়।বুধবার (১২ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার আমুড়া ইউনিয়নের ধারাবহর একমাইল এলাকায় অবস্থিত গোলাপগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশের টিলায় এ অভিযান চালানো হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধারাবহর একমাইলস্থ গোলাপগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পার্শ্ববর্তী একটি টিলা থেকে মাটি কেটে ব্রিটিশ আইডিয়াল স্কুলের সামনে গোলাপগঞ্জ-ঢাকা দক্ষিণ সড়কের পাশে বাঘা এলাকার মো. শরীফ উদ্দিনের মালিকানাধীন আবাসন প্রকল্পের প্লট ভরাটের কাজ চলছিল। খবর পেয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে দ্রুত অভিযান চালিয়ে মাটি কাটার অপরাধে জড়িত তিনজনকে আটক করে।আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন-গোলাপগঞ্জ উপজেলার রণকেলী নুরপাড়া গ্রামের আতন আলীর ছেলে শফি আহমদ (৩০), উত্তর কানিশাইল গ্রামের মতচ্ছির আলীর ছেলে তারেক আহমদ (৩০) এবং দত্তরাইল গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে পাপলু আহমেদ (৩৫)।পুলিশ জানায়, এ সময় ঘটনাস্থল থেকে মাটিবোঝাই একটি ট্রাকসহ মাটি কাটার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জন পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তারের বিষয়ে গোলাপগঞ্জ থানার ওসি ছবেদ আলী বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের নামে মামলা রুজ্জু হয়েছে এবং ওনাদের অলরেডি কোর্টে পাঠানো হয়েছে। এই টিলা কাটার ঘটনাটি কিছুদিন পর পর হচ্ছে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা করা হলে তিনি বলেন, আমি আসছি ২৫ তারিখে (২৫ জুলাই) আগের বিষয়টা হয়তো আমি জানবো। এজন্য কালকে আমি সংবাদ পাওয়া মাত্র অভিযান করে এদের ধরছি। আমি নিয়মিত মামলা নিয়েছি। দেখি, এরপরেও যদি আবার হয় আবারো আইনি একশনে যাবো।

গভীর রাতে টিলা কেটে মাটি বিক্রির সময় গোলাপগঞ্জে হাতেনাতে আটক ৩

জামালপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্ধের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ৯৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ওই টাকা বরাদ্ধ হয়েছিলো। বরাদ্ধের পরিমান ছিলো স্কুল প্রতি ১০ হাজার ৫০০ টাকা।জানা গেছে, ইসলামপুর উপজেলায় ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ৯৬ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট খাতে প্রতি বিদ্যালয়ের জন্য ১০ হাজার ৫০০ টাকা করে বরাদ্ধ হয়। টাকা বরাদ্ধের পর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা টাকা উত্তোলন করেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সহকারী অফিসাররা প্রধান শিক্ষকের কাছে টাকা ফেরৎ নেন। তবে ২০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বরাদ্ধকৃত টাকা খরচ হয়েছে।এ বিষয়ে জেলা দুর্নীতি দমন কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয় তদন্ত চলমান।  উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জাহানারা খাতুন জানান, অভিযোগ শতভাগ মিথ্যা। আমাকে প্রশাসনিকভাবে হেয় করার জন্য এ অভিযোগ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আলী আহসান জানান, ঘটনা প্রমানিত হলে অবশ্যই বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এ ব্যাপারে দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক কামরুজ্জামান বলেন, শিক্ষকরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

জামালপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

জয়পুরহাটে এক মাসে মাদককান্ডে ১৬ জন গ্রেপ্তার

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় গত এক মাসে মাদক-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অপরাধে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।আক্কেলপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনের অভিযোগ রয়েছে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- পৌরসভার রাজকান্দা গ্রামের গোপাল চৌধুরীর ছেলে শ্যামল চৌধুরী (৪১), তিলকপুরের গিলাকুড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল কাশেমের ছেলে ইকবাল হোসেন রনি (৩১), পূর্ব রুকিন্দীপুর গ্রামের নারায়ণ চৌহানের ছেলে সুজন চৌহান (৩৫), জামালপুর গ্রামের মৃত শ্যামল চন্দ্রের ছেলে সুজন কুমার (৪০), গন্ডিমসারা হরিপুর গ্রামের হাফিজার রহমানের ছেলে হারুনুর রশিদ (৪২), গোপীনাথপুর রথপাড়ার তাছির সাখিদারের ছেলে আব্দুস ছোবাহান (৩২), মোহনপুর বাঘাপাড়া গ্রামের গয়ের আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম (৪৫), রামশালা শিমুলতলী গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে গোলাম রব্বানী (৩২), কয়া শোবলা গ্রামের মনতাজ ফকিরের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩৬), গুডুম্বা গ্রামের আফসার মণ্ডলের ছেলে সোহাগ হোসেন (২৬), অনন্তপুর গ্রামের এনামুল হকের ছেলে সাকিব হোসেন (২৭), শ্রীগালদীঘি গ্রামের মৃত আবু বক্করের ছেলে সাগর (২৯), নূরনগর গ্রামের ময়নুলের ছেলে টুটুল (২৯), হস্তাবসন্তপুর গ্রামের কুদ্দুসের ছেলে মুক্তার (৪৫), বদলগাছী উপজেলার মজিবর রহমানের ছেলে শুভ (৩৮) এবং চকসুকদেবপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মণ্ডলের ছেলে শওকত হোসেন (৩৬)।আক্কেলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিন রেজা রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, মাদক সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি। এ অপরাধ নির্মূলে পুলিশের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। জনসাধারণের সহযোগিতা পেলে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা সম্ভব হবে। গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই মাদক-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জয়পুরহাটে এক মাসে মাদককান্ডে ১৬ জন গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জে কুপিয়ে কৃষককে হত্যা

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে সড়কের ওপর রামদা দিয়ে কুপিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন মধু মিয়া (৫৮) নামে এক কৃষককে হত্যা করেছে। জমি –জমার সীমানা নির্ধারন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মধু মিয়ার স্ত্রী,সন্তান সহোদর ভাই সহ আরো ৫ জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়।বৃহস্পতিবার (০৬ আগষ্ট) রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে মধু মিয়া মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।তার মৃত্যুর বিষয়টি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে থাকা কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নিহতের স্ত্রী নিশ্চিত করেন।নিহত মধু মিয়া সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বাদাঘাট ইউনিয়নের সুন্দর পাহাড়ি গ্রামের প্রয়াত হরমুজ আলীর ছেলে।শুক্রবার (০৭ আগষ্ট) সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অবস্থানরত নিহত মধু মিয়ার স্ত্রী সাফিয়া বেগম জানান, গেল রবিবার( ২৬ জুলাই) সকালে তাহিরপুরের সুন্দর পাহাড়ি গ্রামের মৃত তমিজ আলীর ছেলে (মধু মিয়ার আপন চাচাত ভাই) আব্দুল হাইয়ের নেতুত্বে তার স্ত্রী ,তাদের ৬ ছেলে, মেয়ে, ছেলের স্ত্রী সহ ১০ জন পুর্ব পরিকল্পিত ভাবে বাদাঘাট-সুন্দর পাহাড়ি সড়কের ওপর মধু মিয়াকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে রক্ষার্থ করে।এ ঘটনায় চিৎকার শুনে বাড়ি থেকে বের হয়ে সড়কে আসার পর আব্দুল হাই ও তার পরিবারের সদস্যরা রামদা দিয়ে কুপিয়ে মধুর স্ত্রী সাফিয়া বেগম, ছেলে শের আলী, মধুর ভাই  আবু ছালাম, কাশেম, তার ছেলে বিপ্লবকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে।ঘটনার পর আহতদের ৪ জনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও মধু ও তার ভাই কাশেমের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাদেরকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় গেল ২৬ জুলাই বিকেলে।এ ঘটনায় উপজেলার সুন্দর পাহাড়ি গ্রামের ভিকটিম আবু ছালাম গেল সোমবার (২৭ জুলাই) বাদী হয়ে একই গ্রামের আব্দুল হাইকে প্রধান অভিযুক্ত করে ৯জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা সহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে তাহিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।পরদিন মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) তাহিরপুর থানায় মামলাটি রেকর্ড ভুক্ত করা হলেও অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি বলে জানান থানার ওসি ফারুক আহম্মেদউপজেলার সুন্দর পাহাড়ি গ্রামের নিহত মধুর প্রতিবেশী ও নিকটাত্বীয় হুমায়ুন জানান,সুন্দর পাহাড়ি গ্রামের সামনে থাকা হাওরে ৫৫ শতক দুই ফসলী জমির সীমানা নির্ধারণকে কেন্দ্র করেই ঘটনার সুত্রপাত।এ নিয়ে আব্দুল হাই ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর থানা-আদালতে সাধারন ডায়েরি (জিডি),একাধিক মামলা থাকার পরও সালিসীদের আহ্বানে সাড়া দেয়নি আব্দুল হাই এবং তার পরিবারের সদস্যরা।শুক্রবার সকালে উপজেলার সুন্দর পাহাড়ি গ্রামের হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত আব্দুল হাই’র মোবাইল ফোনে বক্তব্য জানতে কল করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার এবি এম জাকির হোসেন পিপিএম বলেন, থানায় রেকর্ডকৃত পুর্বের মামলার এজাহারটি হত্যা মামলার ধারা সম্পুক্ত করা হবে।  এছাড়াও ওই হত্যাকান্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারে থানা পুলিশকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার(এসপি).১

সুনামগঞ্জে কুপিয়ে কৃষককে হত্যা

নোয়াখালীতে তরুণীদের পর্নো ভিডিও তৈরির অভিযোগে স্বামী-স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৫

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার কিসমত করিমপুর এলাকার রাবেয়া হাসপাতালের পাশের একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালিয়ে পর্নোগ্রাফি ভিডিও তৈরির অভিযোগে স্বামী-স্ত্রী, তাদের দুই ছেলে এবং আরও একজনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় বিভিন্ন জেলা থেকে চাকরির প্রলোভনে এনে আটকে রাখা চার তরুণীকে উদ্ধার করা হয়।শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল আদালতে সোসর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।আটক ব্যক্তিরা হলেন, মো. সালাউদ্দিন বিপ্লব, তার স্ত্রী পারভিন আক্তার, দুই ছেলে ফাহাদ হাসান ও আরাফাত ইয়াসিন ফাহিম এবং আব্দুর রহিম। তাদের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় হলেও দীর্ঘদিন ধরে নোয়াখালীতে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া তরুণীদের একজন গোপনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে সাহায্য চান। সেই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ভিডিও ধারণের ক্যামেরা, ছয়টি মোবাইল ফোন, একটি চাবুক, ছুরি, কাঁচি এবং নগদ ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া এক তরুণী বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, এক বান্ধবীর মাধ্যমে সালাউদ্দিন বিপ্লবের সঙ্গে পরিচয়ের পর পার্লারে চাকরির আশ্বাসে গত ২ আগস্ট চৌমুহনীতে আসেন এক ভুক্তভোগী। পরে তাকে একটি বাসায় নিয়ে আটকে রাখা হয়, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং জোরপূর্বক যৌন কাজ ও পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ধারণ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, এসব ভিডিও অনলাইনের একটি অ্যাপের মাধ্যমে সম্প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা হতো। বাসায় থাকা অন্য কয়েকজন তরুণীকেও দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখা হয়েছিল। প্রতিবাদ করলে তাদের শারীরিক নির্যাতন করা হতো বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।বেগমগঞ্জ মডেল পরিদর্শক (তদন্ত)  মো: হাবীবুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত তরুনীদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নোয়াখালীতে তরুণীদের পর্নো ভিডিও তৈরির অভিযোগে স্বামী-স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৫

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় আলোচিত রিপন মিয়া গ্রেপ্তার

নেত্রকোণার  স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায়  আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে  র‍্যাব। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪-এর সদর কোম্পানির কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে রিপন মিয়াকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে তাকে নেত্রকোণা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে নেত্রকোণা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় রিপন মিয়ার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও আটজনকে আসামি করা হয়। মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত রিপন আত্মগোপনে ছিলেন। ঘটনার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ১ আগস্ট সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী মেয়েটি বাড়ির উঠানে রান্নার কাজ করছিল। সে সময় তার বাবা-মা কাজের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন। এই সুযোগে রিপন মিয়া তাকে জোরপূর্বক তুলে পাশের এক জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে অভিযুক্ত দ্রুত স্থান ত্যাগ করে পালিয়ে যান। ঘটনার পর গত সোমবার রাতে স্থানীয় একটি বাজারে রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে বিষয়টি মীমাংসায় এক সালিস বৈঠক বসে। অভিযোগে উঠে আসে, উক্ত সালিসে রিপন মিয়াকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ওই সালিস বৈঠকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধের চূড়ান্ত বিষয় নির্ধারিত হবে।

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় আলোচিত রিপন মিয়া গ্রেপ্তার
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream