প্রফেশনাল ফুটবলারস অ্যাসোসিয়েশনের (পিএফএ) প্রথমবারের মতো বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। সহকর্মী ফুটবলারদের ভোটে ২০২৫/২৬ মৌসুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার পেয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পর্তুগিজ মিডফিল্ডার। তাঁর হাতে মঙ্গলবার রাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
ফার্নান্দেজ গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলে সহায়তার দীর্ঘদিনের রেকর্ড ভেঙে ২১টি গোলে সহায়তা করেন। পাশাপাশি ইউনাইটেডের হয়ে করেন ৯ গোল। মাইকেল ক্যারিকের অধীনে দলের ঘুরে দাঁড়ানোর অন্যতম প্রধান কারিগর ছিলেন তিনি। ইউনাইটেড প্রিমিয়ার লিগে তৃতীয় হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে তাঁর পারফরম্যান্সে।
ফার্নান্দেজ এর আগে রেকর্ড পঞ্চমবারের মতো জিতেছেন ক্লাবের স্যার ম্যাট বাসবি বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। গত মে মাসে তাঁকে ফুটবল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের বর্ষসেরা ফুটবলারও নির্বাচিত করা হয়। এবার ২০১০ সালে ওয়েন রুনির পর প্রথম ইউনাইটেড খেলোয়াড় হিসেবে পিএফএর বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেন ফার্নান্দেজ।
১৯৭৩-৭৪ মৌসুমের পর চালু হওয়া এই পুরস্কারটি পিএফএর সদস্যদের ভোটে দেওয়া হয়। ফার্নান্দেজের আগে ইউনাইটেডের হয়ে গ্যারি প্যালিস্টার, এরিক ক্যান্টোনা, রয় কিন, টেডি শেরিংহাম, রুড ভান নিস্টেলরয়, রায়ান গিগস ও ওয়েন রুনি একবার করে এই স্বীকৃতি পেয়েছেন। মার্ক হিউজ ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো দুবার করে পিএফএর বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন।
বর্ষসেরার দৌড়ে ফার্নান্দেজের সঙ্গে মনোনয়ন পেয়েছিলেন আর্সেনালের ডেভিড রায়া, গ্যাব্রিয়েল ও ডেকলান রাইস এবং ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হলান্ড ও রায়ান শেরকি।
পুরস্কার জয়ের পর ফার্নান্দেজ বলেন, ‘প্রতি সপ্তাহে যাঁদের বিপক্ষে মাঠে নামি, তাঁদের ভোটে এই পুরস্কার জেতা আমাকে ভীষণ গর্বিত করেছে। তাঁরা আমার বিপক্ষে খেলেছেন, আমি কী করতে পারি তা তাঁরা দেখেছেন। তাঁদের ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।’
ক্লাবের হয়ে এমন স্বীকৃতি পাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে ফার্নান্দেজ বলেন, ‘এই ধরনের পুরস্কারে ক্লাবের নাম দেখতে পাওয়া সবসময়ই ভালো লাগে। আর ক্লাবের সমর্থন ও পেছনে থাকা শক্তির কারণেই খেলোয়াড়েরা নিজেদের সেরাটা তুলে ধরতে পারে। আমাদের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
মতামত