রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

২৫ বছর পর আবারও আলোচনায় কারিনা-বিপাশা


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| ফটো কার্ড

২৫ বছর পর আবারও আলোচনায় কারিনা-বিপাশা
কারিনা কাপুর ও বিপাশা বসু

বলিউডে কারিনা কাপুর খান ও বিপাশা বসুর কথিত ‘চড়কাণ্ড’ নিয়ে ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অজনবি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় দুই অভিনেত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছিল বলে দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন রয়েছে। এমনকি কারিনা নাকি বিপাশাকে চড় মেরেছিলেন এবং ‘কালী বিল্লি’ বলেও অপমান করেছিলেন—এমন দাবিও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। যদিও এ ঘটনার সত্যতা কখনোই নিশ্চিত হয়নি।

সম্প্রতি সিদ্ধার্থ কান্নানের পডকাস্টে বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। সেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সানডে মিড-ডে–এর সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ বিনোদন সাংবাদিক আস্থা আত্রে।

আলোচনার একপর্যায়ে সিদ্ধার্থ প্রশ্ন করেন, ‘কারিনা কাপুর নাকি বিপাশা বসুকে চড় মেরেছিলেন এবং ‘কালী বিল্লি’ বলেছিলেন। তখন, অর্থাৎ ২০০০-এর দশকে, কেন নেপো কিডদের এমন আচরণের জন্য প্রকাশ্যে সমালোচনা করা হতো না?”

জবাবে আস্থা আত্রে বলেন, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ইনস্টাগ্রাম ছিল না। ফলে তারকাদের ব্যক্তিগত বিতর্ক মূলত চলচ্চিত্রবিষয়ক ম্যাগাজিনের গসিপ কলামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত।

তার ভাষায়, ‘তখন ইনস্টাগ্রাম ছিল না, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও ছিল না। স্টারডাস্ট, ফিল্মফেয়ারের মতো ম্যাগাজিনে শোভা দে গসিপ লিখতেন। মানুষ সেসব পড়তেই ম্যাগাজিন কিনত। এখন আর সেই সংস্কৃতি নেই। আজকাল বিভিন্ন অজ্ঞাতনামা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেই তারকাদের সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা দাবি করা হয়।”

তিনি আরও বলেন, ‘আগে মানুষ গসিপ পড়ার জন্য ম্যাগাজিন কিনত। এখন সবাই শুধু স্ক্রল করে, আর গসিপ হাতের মুঠোয় চলে আসে।’

বহুল প্রচলিত গুঞ্জন অনুযায়ী, কারিনা ও বিপাশার মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। সেখান থেকেই নাকি উত্তেজনা চরমে পৌঁছে ‘চড়কাণ্ডের’ জন্ম। তবে ২০০১ সালে ফিল্মফেয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিপাশা বসু এ ঘটনাকে গুরুত্ব দিতে চাননি।

তিনি বলেছিলেন, ‘ছোট একটি বিষয়কে অযথা বড় করা হয়েছে। আমার সঙ্গে কোনো সমস্যা ছিল না। কারিনার সমস্যা ছিল ডিজাইনারের সঙ্গে। কেন আমাকে এতে জড়ানো হলো, তা জানি না। পুরো বিষয়টি ছিল শিশুসুলভ।’

অন্যদিকে ২০০২ সালে একই সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কারিনা কাপুরও অভিযোগ অস্বীকার করেন।

তিনি বলেন, “তার নিজের প্রতিভার ওপর যেন আত্মবিশ্বাস নেই। চার পৃষ্ঠার সাক্ষাৎকারের তিন পৃষ্ঠাজুড়েই সে আমার কথা বলেছে। নিজের কাজ নিয়ে কথা বলল না কেন? ‘অজনবি’র সময় বিক্রম ফাডনিসকে নিয়ে আমাদের মধ্যে যে ঝামেলার কথা বলা হয়, সেটাই যেন তার একমাত্র পরিচয় হয়ে গেছে। আমি তাকে অপমানজনক নামে ডেকেছি—এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ তার কল্পনা।”

বহু বছর সম্পর্কের টানাপোড়েন চললেও পরে সেই দূরত্ব ঘুচে যায়। ২০০৮ সালে সাইফ আলি খানের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বিপাশাকে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানান কারিনা। সেই আমন্ত্রণের মধ্য দিয়েই দুই অভিনেত্রীর প্রায় সাত বছরের শীতল সম্পর্কের অবসান ঘটে বলে মনে করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে ‘অজনবি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় বিপাশা বসুর। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন অক্ষয় কুমার, ববি দেওল ও কারিনা কাপুর খান। //সূত্র: এনডিটিভি

বিষয় : বিপাশা বসু কারিনা কাপুর খান

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


২৫ বছর পর আবারও আলোচনায় কারিনা-বিপাশা

প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বলিউডে কারিনা কাপুর খান ও বিপাশা বসুর কথিত ‘চড়কাণ্ড’ নিয়ে ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অজনবি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় দুই অভিনেত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছিল বলে দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন রয়েছে। এমনকি কারিনা নাকি বিপাশাকে চড় মেরেছিলেন এবং ‘কালী বিল্লি’ বলেও অপমান করেছিলেন—এমন দাবিও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। যদিও এ ঘটনার সত্যতা কখনোই নিশ্চিত হয়নি।

সম্প্রতি সিদ্ধার্থ কান্নানের পডকাস্টে বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। সেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সানডে মিড-ডে–এর সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ বিনোদন সাংবাদিক আস্থা আত্রে।

আলোচনার একপর্যায়ে সিদ্ধার্থ প্রশ্ন করেন, ‘কারিনা কাপুর নাকি বিপাশা বসুকে চড় মেরেছিলেন এবং ‘কালী বিল্লি’ বলেছিলেন। তখন, অর্থাৎ ২০০০-এর দশকে, কেন নেপো কিডদের এমন আচরণের জন্য প্রকাশ্যে সমালোচনা করা হতো না?”

জবাবে আস্থা আত্রে বলেন, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ইনস্টাগ্রাম ছিল না। ফলে তারকাদের ব্যক্তিগত বিতর্ক মূলত চলচ্চিত্রবিষয়ক ম্যাগাজিনের গসিপ কলামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত।

তার ভাষায়, ‘তখন ইনস্টাগ্রাম ছিল না, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও ছিল না। স্টারডাস্ট, ফিল্মফেয়ারের মতো ম্যাগাজিনে শোভা দে গসিপ লিখতেন। মানুষ সেসব পড়তেই ম্যাগাজিন কিনত। এখন আর সেই সংস্কৃতি নেই। আজকাল বিভিন্ন অজ্ঞাতনামা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেই তারকাদের সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা দাবি করা হয়।”

তিনি আরও বলেন, ‘আগে মানুষ গসিপ পড়ার জন্য ম্যাগাজিন কিনত। এখন সবাই শুধু স্ক্রল করে, আর গসিপ হাতের মুঠোয় চলে আসে।’

বহুল প্রচলিত গুঞ্জন অনুযায়ী, কারিনা ও বিপাশার মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। সেখান থেকেই নাকি উত্তেজনা চরমে পৌঁছে ‘চড়কাণ্ডের’ জন্ম। তবে ২০০১ সালে ফিল্মফেয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিপাশা বসু এ ঘটনাকে গুরুত্ব দিতে চাননি।

তিনি বলেছিলেন, ‘ছোট একটি বিষয়কে অযথা বড় করা হয়েছে। আমার সঙ্গে কোনো সমস্যা ছিল না। কারিনার সমস্যা ছিল ডিজাইনারের সঙ্গে। কেন আমাকে এতে জড়ানো হলো, তা জানি না। পুরো বিষয়টি ছিল শিশুসুলভ।’

অন্যদিকে ২০০২ সালে একই সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কারিনা কাপুরও অভিযোগ অস্বীকার করেন।

তিনি বলেন, “তার নিজের প্রতিভার ওপর যেন আত্মবিশ্বাস নেই। চার পৃষ্ঠার সাক্ষাৎকারের তিন পৃষ্ঠাজুড়েই সে আমার কথা বলেছে। নিজের কাজ নিয়ে কথা বলল না কেন? ‘অজনবি’র সময় বিক্রম ফাডনিসকে নিয়ে আমাদের মধ্যে যে ঝামেলার কথা বলা হয়, সেটাই যেন তার একমাত্র পরিচয় হয়ে গেছে। আমি তাকে অপমানজনক নামে ডেকেছি—এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ তার কল্পনা।”

বহু বছর সম্পর্কের টানাপোড়েন চললেও পরে সেই দূরত্ব ঘুচে যায়। ২০০৮ সালে সাইফ আলি খানের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বিপাশাকে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানান কারিনা। সেই আমন্ত্রণের মধ্য দিয়েই দুই অভিনেত্রীর প্রায় সাত বছরের শীতল সম্পর্কের অবসান ঘটে বলে মনে করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে ‘অজনবি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় বিপাশা বসুর। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন অক্ষয় কুমার, ববি দেওল ও কারিনা কাপুর খান। //সূত্র: এনডিটিভি


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream