সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
এক তরুণীর নিখোঁজের ঘটনায় উন্মোচিত হলো একাধিক প্রশ্ন

এক তরুণীর নিখোঁজের ঘটনায় উন্মোচিত হলো একাধিক প্রশ্ন

এক তরুণীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা। এরপর বীভৎস এক অপরাধ সামনে আসে। গোটা দেশ ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে। চারদিকে সাধারণ মানুষের একটাই দাবি, অপরাধীর শাস্তি চাই। কিন্তু তদন্ত যত এগোয়, ততই সহজ সমীকরণগুলো জটিল হতে থাকে। অপরাধীর সন্ধানের পাশাপাশি সামনে আসে পুলিশ এনকাউন্টার, অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্দেহভাজন এবং বিচারব্যবস্থার এমন কিছু প্রশ্ন, যার কোনো উত্তর এককথায় দেওয়া যায় না। এমনই এক অস্বস্তিকর প্রশ্নের সামনে দর্শককে দাঁড় করিয়েছে মেঘনা গুলজারের নতুন সিনেমা ‘দায়রা’। অপরাধ, আইন, তদন্ত, নৈতিকতা এবং বিচারব্যবস্থার জটিল সমীকরণ নিয়ে তৈরি হয়েছে এই ইনভেস্টিগেটিভ ক্রাইম থ্রিলার। তবে ‘দায়রা’ কেবল একটি অপরাধের রহস্য উন্মোচনের গল্প নয়। অপরাধের তদন্ত করতে গিয়ে আইন ও ব্যক্তিগত নৈতিকতার যে সংঘাত তৈরি হয়, সেটি ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে গল্পের মূল চালিকাশক্তি।  ‘দায়রা’ সিনেমার গল্পের শুরু একটি তরুণীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা দিয়ে। পরে সামনে আসে বীভৎস এক ঘটনা; যা ছড়িয়ে পড়তে দেশজুড়ে তৈরি হয় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা। তদন্তের দায়িত্ব এসে পড়ে পুলিশের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ডিপিসি আজুনি কোহলি ও ডিপিসি রমন কুমারের ওপর। দুজনেরই লক্ষ্য এক। সত্য খুঁজে বের করা এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা। সেই সত্যে পৌঁছানোর পথ নিয়ে তাদের অবস্থান সম্পূর্ণ আলাদা। কারিনা কাপুর খান অভিনীত আজুনি কোহলি একজন শান্ত, সংযত ও অভিজ্ঞ তদন্তকারী। আইনি প্রক্রিয়ার ওপর তাঁর আস্থা। তাঁর বিশ্বাস, অপরাধ যত ভয়াবহই হোক, একজন তদন্তকারীকে নিজের সীমা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। কারণ আইনকে পাশ কাটিয়ে প্রতিষ্ঠিত ন্যায়বিচার শেষ পর্যন্ত নতুন অন্যায়ের জন্ম দিতে পারে। অন্যদিকে পৃথ্বীরাজ সুকুমারনের রমন কুমার অনেক বেশি কঠোর। ভয়াবহ অপরাধের জন্য দ্রুত ও কঠোর শাস্তির পক্ষপাতী তিনি। তাঁর কাছে ন্যায়বিচার শুধু আদালতের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার বিষয় নয়; অপরাধের ভয়াবহতার সঙ্গে শাস্তির মাত্রারও সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন। ফলে একই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে আজুনি ও রমনের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য ক্রমে স্পষ্ট হতে থাকে। তদন্ত যত এগোয়, মামলাটি ততই জটিল হয়ে ওঠে।  সামনে আসে একটি বিতর্কিত পুলিশ এনকাউন্টার এবং এক অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্দেহভাজনের সম্পৃক্ততার বিষয়। তখন প্রশ্ন আরও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ধর্ষণ ও হত্যার মতো জঘন্য অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে তার জন্য আইনের বিশেষ সুরক্ষা কি একইভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত? অপরাধের ভয়াবহতা কি বয়সের আইনি সীমাকে অতিক্রম করতে পারে? নাকি বিচারব্যবস্থার মূল নীতিই হলো–অপরাধ যত ভয়াবহ হোক, আইন সবার জন্য নির্দিষ্ট নিয়মে চলবে? এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে দুই পুলিশ কর্মকর্তার দ্বন্দ্ব তীব্র হতে থাকে। একজন মনে করেন, আইনই শেষ কথা। অন্যজনের কাছে অপরাধের ভয়াবহতার সঙ্গে ন্যায়বিচারের তীব্রতা গুরুত্বপূর্ণ। ফলে তদন্তের প্রতিটি ধাপ শুধু মামলার রহস্য উন্মোচন করে না, বরং দুই চরিত্রের বিশ্বাসকেও পরীক্ষা করে।’ দায়রা’র গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা সম্ভবত এখানেই। সিনেমাটি দর্শককে সহজ কোনো উত্তর দেয় না। মামলার সঙ্গে যখন এনকাউন্টারের প্রসঙ্গ যুক্ত হয়, তখন সেই দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়ে ওঠে। সিনেমাটি নিয়ে এরই মধ্যে বলিউডের বেশ আলোচনা হচ্ছে। কারণ এই সিনেমার গল্পের সঙ্গে বাস্তবতার একটা যোগসূত্র রয়েছে। শুরুতে ধারণা তৈরি হয়েছিল, ২০১৯ সালের হায়দরাবাদ গণধর্ষণ এবং পরবর্তী বিতর্কিত পুলিশ এনকাউন্টার হয়তো ‘দায়রা’র মূল অনুপ্রেরণা। তবে নির্মাতা মেঘনা গুলজার ভারতীয় গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, সিনেমাটি কোনো একটি নির্দিষ্ট ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া একাধিক সত্য ঘটনা, অপরাধ এবং আইনি জটিলতার প্রভাব রয়েছে গল্পে। ফলে ‘দায়রা’কে কোনো একটি ঘটনা বা মামলার পুনর্নির্মাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং বাস্তব জীবনের নানা ঘটনার ভেতর থেকে উঠে আসা একটি বৃহত্তর প্রশ্নের সিনেমাটিক অনুসন্ধান এটি। সেই প্রশ্ন হলো–একটি অপরাধের বিচার করতে গিয়ে রাষ্ট্র, আইন ও ব্যক্তির নৈতিক অবস্থান কোথায় গিয়ে মিলিত হয়?  মেঘনা গুলজারের নির্মাণে বাস্তব ঘটনা, সামাজিক সংকট এবং ব্যক্তিমানুষের দ্বন্দ্ব এর আগেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।  কারিনা কাপুর খান ও পৃথ্বীরাজ সুকুমারনের চরিত্রের মধ্যকার দ্বন্দ্ব তাই কেবল দুই পুলিশ কর্মকর্তার ব্যক্তিগত মতপার্থক্য নয়। এটি মূলত দুটি ভিন্ন বিচারদর্শনের সংঘাত। একদিকে প্রমাণ, আইন ও প্রক্রিয়া; অন্যদিকে দ্রুত বিচার, কঠোর শাস্তি এবং অপরাধের ভয়াবহতার প্রতি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া। দুজনই নিজেদের অবস্থান থেকে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে চান। ন্যায়ের পথ যে সবার কাছে এক নয়, সিনেমাটি সেই বাস্তবতা সামনে আনে। গল্প যত এগোয়, দর্শকের কাছেও হয়তো প্রশ্নটি বদলে যেতে থাকে। শুরুতে মনে হতে পারে, অপরাধীকে খুঁজে বের করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পরে প্রশ্ন আসে অপরাধী কে, সেটিই কি একমাত্র বিষয়? নাকি তাকে বিচারের মুখোমুখি করার প্রক্রিয়াটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ? উত্তরটি দর্শকের কাছে ছেড়ে দিয়েছেন মেঘনা গুলজার।

তৃতীয় সন্তানের গুঞ্জনে কারিনা-সাইফ

আবারও কি মা হতে যাচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান? নেটদুনিয়ায় তৃতীয় সন্তানের আগমন ঘিরে স্বামী সাইফ আলি খানের সঙ্গে এমনই জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, কারিনা অন্তঃসত্ত্বা নন।একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কারিনার এই গুঞ্জনের সূত্রপাত। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে গাড়ির দিকে হেঁটে যাচ্ছেন অভিনেত্রী। এ সময় তার এক সহযোগী ছাতা ধরে কারিনার সামনে হাঁটছিলেন।নেটিজেনদের একাংশের ভিডিওটি দেখেই ধারণা, কারিনা ছাতার আড়ালে নিজের ‘বেবি বাম্প’ লুকানোর চেষ্টা করছেন। এরপরই মুহূর্তের মধ্যে তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে।তবে কারিনার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এই জল্পনাকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, মোটেও অন্তঃসত্ত্বা নন  অভিনেত্রী। ক্যামেরার বিশেষ কোণ, পোশাকের ধরন কিংবা সাম্প্রতিক ছুটিতে খাওয়াদাওয়ার কারণে তাকে কিছুটা ভিন্ন দেখাতে পারে। তাই ভিডিওতে ছাতা ব্যবহারের ঘটনাকে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।সাইফ-কারিনা দম্পতির ঘরে এরই মধ্যে দুই সন্তান তৈমুর ও জেহ। গত ১৬ আগস্ট সাইফ আলি খানের ৫৬তম জন্মদিন উপলক্ষে পরিবারসহ সমুদ্রসৈকতে ছুটি কাটিয়ে ফিরেছেন তারা।এর আগে, এক সাক্ষাৎকারে কারিনা জানিয়েছিলেন, সাইফ ষাটোর্ধ্ব বয়সে আবার বাবা হন, এমনটা তিনি চান না। দুই সন্তানকে নিয়ে বর্তমানে বেশ গুছিয়েই সংসার করছেন এই তারকা দম্পতি।

তৃতীয় সন্তানের গুঞ্জনে কারিনা-সাইফ

২৫ বছর পর আবারও আলোচনায় কারিনা-বিপাশা

বলিউডে কারিনা কাপুর খান ও বিপাশা বসুর কথিত ‘চড়কাণ্ড’ নিয়ে ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অজনবি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় দুই অভিনেত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছিল বলে দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন রয়েছে। এমনকি কারিনা নাকি বিপাশাকে চড় মেরেছিলেন এবং ‘কালী বিল্লি’ বলেও অপমান করেছিলেন—এমন দাবিও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। যদিও এ ঘটনার সত্যতা কখনোই নিশ্চিত হয়নি। সম্প্রতি সিদ্ধার্থ কান্নানের পডকাস্টে বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। সেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সানডে মিড-ডে–এর সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ বিনোদন সাংবাদিক আস্থা আত্রে। আলোচনার একপর্যায়ে সিদ্ধার্থ প্রশ্ন করেন, ‘কারিনা কাপুর নাকি বিপাশা বসুকে চড় মেরেছিলেন এবং ‘কালী বিল্লি’ বলেছিলেন। তখন, অর্থাৎ ২০০০-এর দশকে, কেন নেপো কিডদের এমন আচরণের জন্য প্রকাশ্যে সমালোচনা করা হতো না?” জবাবে আস্থা আত্রে বলেন, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ইনস্টাগ্রাম ছিল না। ফলে তারকাদের ব্যক্তিগত বিতর্ক মূলত চলচ্চিত্রবিষয়ক ম্যাগাজিনের গসিপ কলামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত। তার ভাষায়, ‘তখন ইনস্টাগ্রাম ছিল না, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও ছিল না। স্টারডাস্ট, ফিল্মফেয়ারের মতো ম্যাগাজিনে শোভা দে গসিপ লিখতেন। মানুষ সেসব পড়তেই ম্যাগাজিন কিনত। এখন আর সেই সংস্কৃতি নেই। আজকাল বিভিন্ন অজ্ঞাতনামা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেই তারকাদের সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা দাবি করা হয়।” তিনি আরও বলেন, ‘আগে মানুষ গসিপ পড়ার জন্য ম্যাগাজিন কিনত। এখন সবাই শুধু স্ক্রল করে, আর গসিপ হাতের মুঠোয় চলে আসে।’ বহুল প্রচলিত গুঞ্জন অনুযায়ী, কারিনা ও বিপাশার মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। সেখান থেকেই নাকি উত্তেজনা চরমে পৌঁছে ‘চড়কাণ্ডের’ জন্ম। তবে ২০০১ সালে ফিল্মফেয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিপাশা বসু এ ঘটনাকে গুরুত্ব দিতে চাননি। তিনি বলেছিলেন, ‘ছোট একটি বিষয়কে অযথা বড় করা হয়েছে। আমার সঙ্গে কোনো সমস্যা ছিল না। কারিনার সমস্যা ছিল ডিজাইনারের সঙ্গে। কেন আমাকে এতে জড়ানো হলো, তা জানি না। পুরো বিষয়টি ছিল শিশুসুলভ।’ অন্যদিকে ২০০২ সালে একই সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কারিনা কাপুরও অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “তার নিজের প্রতিভার ওপর যেন আত্মবিশ্বাস নেই। চার পৃষ্ঠার সাক্ষাৎকারের তিন পৃষ্ঠাজুড়েই সে আমার কথা বলেছে। নিজের কাজ নিয়ে কথা বলল না কেন? ‘অজনবি’র সময় বিক্রম ফাডনিসকে নিয়ে আমাদের মধ্যে যে ঝামেলার কথা বলা হয়, সেটাই যেন তার একমাত্র পরিচয় হয়ে গেছে। আমি তাকে অপমানজনক নামে ডেকেছি—এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ তার কল্পনা।” বহু বছর সম্পর্কের টানাপোড়েন চললেও পরে সেই দূরত্ব ঘুচে যায়। ২০০৮ সালে সাইফ আলি খানের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বিপাশাকে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানান কারিনা। সেই আমন্ত্রণের মধ্য দিয়েই দুই অভিনেত্রীর প্রায় সাত বছরের শীতল সম্পর্কের অবসান ঘটে বলে মনে করা হয়। উল্লেখ্য, ২০০১ সালে ‘অজনবি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় বিপাশা বসুর। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন অক্ষয় কুমার, ববি দেওল ও কারিনা কাপুর খান। //সূত্র: এনডিটিভি

২৫ বছর পর আবারও আলোচনায় কারিনা-বিপাশা
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream