রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ইমামের যাবজ্জীবন



জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ইমামের যাবজ্জীবন
দন্ডিত ইমাম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক কিশোরী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।


রোববার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া গাইবান্ধা জেলার  ফুলছরি থানার হরিচন্ডি গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান- দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া যে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন সেখানে আরবী পড়তে যেতেন ভুক্তভোগী কিশোরী। প্রতিদিন সকালে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে ভুক্তভোগীকে মসজিদে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করাতেন মুছা মিয়া। এ সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২৮ নভেম্বর, ১ ও ২ ডিসেম্বর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন মুছা মিয়া। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে সেই বছরের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর মা।

সেই মামলায় ২০২১ সালের ৫ মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। পরে ১০ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে এই রায় ঘোষনা করে আদালত। মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে আদালত।


0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬


জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ইমামের যাবজ্জীবন

প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক কিশোরী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।


রোববার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া গাইবান্ধা জেলার  ফুলছরি থানার হরিচন্ডি গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান- দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া যে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন সেখানে আরবী পড়তে যেতেন ভুক্তভোগী কিশোরী। প্রতিদিন সকালে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে ভুক্তভোগীকে মসজিদে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করাতেন মুছা মিয়া। এ সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২৮ নভেম্বর, ১ ও ২ ডিসেম্বর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন মুছা মিয়া। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে সেই বছরের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর মা।

সেই মামলায় ২০২১ সালের ৫ মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। পরে ১০ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে এই রায় ঘোষনা করে আদালত। মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে আদালত।



Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream