বাকেরগঞ্জে বোয়ালিয়ায় পান চুরির অভিযোগে ব্যবসায়ী কালাচাঁদ দাসের নেতৃত্বে চৌদ্দ বুড়িয়া গ্রামের শহীদ সিকদার নামে এক ব্যক্তিকে আমগাছের সঙ্গে বেঁধে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে নির্যাতনের অভিযোগ উঠছে।
নির্যাতন শেষে একপর্যায়ে তাকে মৃত নিশ্চিত মনে করে খালে ফেলে দেওয়া হয় বলে জানান। প্রাণ বাঁচাতে তিনি কোনো রকমে খাল থেকে উঠে খালের ওপারে নিজের বাড়ির সামনে পৌঁছান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার দুই পায়ের দুটি আঙুল কেটে ফেলতে হয়। এছাড়া তার দুই পা পচে গেছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। চিকিৎসকরা জানান, তাকে বাঁচাতে হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে ঢাকায় নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করানো সম্ভব না হওয়ায় তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে বলে পরিবার জানায়।
পরিবারের দাবি, ভুক্তভোগীর শরীরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন অঙ্গ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিডনি ও অন্যান্য অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি লিভার ফুলে গেছে বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় বাড়িতে রয়েছেন এবং মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এ বিষয় নলছিটি ও বাকেরগঞ্জ থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এক জন ব্যক্তিকে চুরির অপরাধে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে বিচার করে রাষ্ট্রীয় আইনকে অশ্রদ্ধার শামিল ছাড়া আর কিছু না। এদিকে দোষী ব্যক্তিকে আইনের হাতে তুলে না দিয়ে নিজের আর্থিক দাম্ভিকতার পরিচয় দেওয়া ব্যবসায়ী কালাচানকে আইনের আওতায় আনার দাবি করেন স্হানীয় সাধারণ মানুষ।
মতামত