রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

ধলেশ্বরীর ভাঙন আতঙ্কে ১৫ পরিবার, চোখের সামনে নদীতে বিলীন বসতঘর



ধলেশ্বরীর ভাঙন আতঙ্কে ১৫ পরিবার, চোখের সামনে নদীতে বিলীন বসতঘর
ধলেশ্বরীর ভাঙন আতঙ্কে ১৫ পরিবার, চোখের সামনে নদীতে বিলীন বসতঘর

‎মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে ধলেশ্বরী নদীর তীব্র স্রোতে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে কেয়াইন ইউনিয়নের বড় বর্তা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে একটি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ঝুঁকিতে রয়েছে আরও অন্তত ১৫টি বসতবাড়ি।

‎রোববার দুপুরে আকস্মিক নদীভাঙনে গফুর শেখের টিনের ঘরটি আসবাবপত্রসহ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। চোখের সামনে বসতঘর হারিয়ে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিনের কষ্টে গড়ে তোলা শেষ আশ্রয়টুকুও মুহূর্তেই হারিয়ে যায় তাদের।

‎ভুক্তভোগী গফুর শেখ বলেন, “হঠাৎ করে নদীর পাড় ভাঙতে শুরু করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাড়িটি নদীতে চলে যায়। ঘরের অনেক মালামাল বের করারও সুযোগ হয়নি। বর্তমানে আমি খোলা আকাশের নিচে আছি।”

‎‎সিরাজদীখান উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনির হোসাইন বলেন, ধলেশ্বরী নদীর তীব্র স্রোতের কারণে গত কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রতিনিয়ত নদীর পাড় ভেঙে বসতবাড়ির দিকে পানি এগিয়ে আসছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও অন্তত ১৫টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

‎‎ভুক্তভোগী নাদিম হোসেন অনিক বলেন, “একদিকে নদীর তীব্র স্রোত, অন্যদিকে প্রতিদিন নদীতে প্রায় ১৫ থেকে ২০টি বাল্কহেডে বালু লোড-আনলোড করা হয়। এতে নদীর তীরে চাপ তৈরি হয়ে ভাঙন আরও বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে দুই-একদিনের মধ্যে আমার বাড়িটিও নদীতে তলিয়ে যেতে পারে।”

‎এদিকে ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা, এখনই নদীর পাড় রক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়া না হলে একের পর এক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

‎সিরাজদীখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ধলেশ্বরীর ভাঙন আতঙ্কে ১৫ পরিবার, চোখের সামনে নদীতে বিলীন বসতঘর

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

‎মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে ধলেশ্বরী নদীর তীব্র স্রোতে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে কেয়াইন ইউনিয়নের বড় বর্তা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে একটি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ঝুঁকিতে রয়েছে আরও অন্তত ১৫টি বসতবাড়ি।

‎রোববার দুপুরে আকস্মিক নদীভাঙনে গফুর শেখের টিনের ঘরটি আসবাবপত্রসহ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। চোখের সামনে বসতঘর হারিয়ে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিনের কষ্টে গড়ে তোলা শেষ আশ্রয়টুকুও মুহূর্তেই হারিয়ে যায় তাদের।

‎ভুক্তভোগী গফুর শেখ বলেন, “হঠাৎ করে নদীর পাড় ভাঙতে শুরু করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাড়িটি নদীতে চলে যায়। ঘরের অনেক মালামাল বের করারও সুযোগ হয়নি। বর্তমানে আমি খোলা আকাশের নিচে আছি।”

‎‎সিরাজদীখান উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনির হোসাইন বলেন, ধলেশ্বরী নদীর তীব্র স্রোতের কারণে গত কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রতিনিয়ত নদীর পাড় ভেঙে বসতবাড়ির দিকে পানি এগিয়ে আসছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও অন্তত ১৫টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

‎‎ভুক্তভোগী নাদিম হোসেন অনিক বলেন, “একদিকে নদীর তীব্র স্রোত, অন্যদিকে প্রতিদিন নদীতে প্রায় ১৫ থেকে ২০টি বাল্কহেডে বালু লোড-আনলোড করা হয়। এতে নদীর তীরে চাপ তৈরি হয়ে ভাঙন আরও বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে দুই-একদিনের মধ্যে আমার বাড়িটিও নদীতে তলিয়ে যেতে পারে।”

‎এদিকে ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা, এখনই নদীর পাড় রক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়া না হলে একের পর এক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

‎সিরাজদীখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”



Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream