যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সফরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তিনি আন্তর্জাতিক দাতব্য ও জনহিতকর সংস্থাগুলোর একটি বৈঠক, রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের কমিটির বৈঠক এবং বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেন। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্য বাংলায় তুলে ধরবেন। ভাষণে বাংলাদেশের ‘গণতান্ত্রিক নবযাত্রা’, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো বিষয় গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সংগত ব্যবহার এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কার নিয়েও কথা বলবেন তিনি। বিষয়টি জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার মধ্য দিয়ে জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান। এর আগে তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছেন।
বুধবার রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্যোগে গাম্বিয়া ও বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক ও মালয়েশিয়াসহ আট দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, শুধু সহমর্মিতা প্রকাশ নয়, এখন সংকটের মূল কারণ চিহ্নিত করে সমাধানের পথে এগিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিশ্রুতির জায়গা থেকে কার্যকর পদক্ষেপ এবং বাস্তুচ্যুতদের ব্যবস্থাপনা থেকে তাদের বাস্তুচ্যুতি বন্ধ করার দিকে যেতে হবে।
এর আগে মঙ্গলবার জাতিসংঘে প্রথম দিনেই ১০টি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি তিনটি দেশ সফরের আমন্ত্রণও পেয়েছেন।
মতামত