২০২৫ সালের নভেম্বরে মা হওয়ার পর দীর্ঘদিন সংবাদমাধ্যম ও পাপারাজ্জিদের থেকে নিজেকে দূরে রেখেছিলেন বলিউড তারকা ক্যাটরিনা কাইফ। সম্প্রতি স্বামী ভিকি কৌশলের সঙ্গে আম্বানিদের এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিন পর প্রকাশ্যে আসেন তিনি। সন্তান জন্মের পর নারীদের শরীরে স্বাভাবিক পরিবর্তন এলেও, ক্যাটরিনার এই পরিবর্তিত অবয়ব ও বাড়তি ওজন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় নেটিজেনদের একশ্রেণির অসংবেদনশীল কটূক্তি।
তারকাদের শরীর নিয়ে এই ট্রোলিং ও অসংবেদনশীল মন্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনপ্রিয় বাংলাদেশি অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়া। নিজেও একজন মা হওয়ায় ক্যাটরিনার এই ছবির সঙ্গে নিজের ছবি জুড়ে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন ও প্রতিবাদী পোস্ট দেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমের ওই দীর্ঘ বার্তায় মাতৃত্বকালীন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নাদিয়া লিখেন:
“একজন নারী যখন মা হন, তখন শুধু তার জীবনটাই বদলে যায় না, বদলে যায় তার শরীরও। গর্ভধারণ, সন্তান জন্ম দেওয়া, ঘুমহীন রাত, মানসিক চাপ ও হরমোনের পরিবর্তনের ছাপ শরীরে থাকাটাই স্বাভাবিক। নতুন এক জীবনকে পৃথিবীতে আনার সুযোগ সৃষ্টিকর্তার এক অপার আশীর্বাদ।”
সামাজিক মাধ্যমের ‘ফিগার সচেতন’ নেটিজেনদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “'আগের ফিগার কোথায়?', 'ওজন এত বাড়ল কেন?'—এ ধরনের সাধারণ মন্তব্যগুলো একজন মায়ের আত্মবিশ্বাস ও নিজের পরিচয়কে ভেঙে দেয়।”
নারীদের এই রূপান্তরকে সামাজিক বিচারে না ফেলে ভালোবাসা ও সম্মানের চোখে দেখার আহ্বান জানান নাদিয়া।
সন্তান জন্মের পর এটিই ছিল প্রকাশ্যে ক্যাটরিনা কাইফের প্রথম উপস্থিতি। অনুষ্ঠানে হাসিমুখে পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় পোজ দিলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ফিগার ও চেহারার পরিবর্তন নিয়ে চর্চা শুরু হলে বিনোদন জগতের অনেক তারকা ও সাধারণ ভক্তরাও ক্যাটরিনা ও নাদিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে এই মানসিকতার নিন্দা জানান।
মতামত