ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের শয়তানখালী সংলগ্ন পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে ঐতিহ্যবাহী জনসংঘ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় রক্ষায় স্থায়ী ও টেকসই পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিদ্যালয়সংলগ্ন পদ্মা নদীর তীরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত মানুষ অংশ নেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, পদ্মা নদীর অব্যাহত ভাঙনে ইতোমধ্যে এলাকার বহু বসতভিটা ও শত শত একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে জনসংঘ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে শত শত শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী সিকদার বলেন, “পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে একের পর এক বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। এখন আমাদের বিদ্যালয়ও হুমকির মুখে। দ্রুত নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে যেকোনো সময় বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।”
দিয়ারা নারকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন বলেন, “কিছুদিন আগে নদীভাঙন রোধে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম বাবুলের নির্দেশে জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও ভাঙন ঠেকানো সম্ভব হয়নি। প্রতিদিনই শত শত বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।”
তিনি দ্রুত পদ্মা নদী শাসন ও জনসংঘ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বিদ্যালয় রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ, টেকসই নদীশাসন এবং কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বিদ্যালয় ও আশপাশের জনপদ রক্ষায় পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া
মতামত