জামালপুর জেলা সদরসহ জেলার ৬টি উপজেলা থেকে ঢাকা রোডে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। শ্রমিক ধর্মঘটের কারনে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারি ও রাজিবপুর উপজেলাসহ ৯টি উপজেলার সাথে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছে বাসযাত্রীরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ন আহবায়ক হারনুর রশিদ।
জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন বুধবার(২ সেপ্টেম্বর ) দিবাগত রাতে শ্রমিক, পরিবহন ও যাত্রীদের নিরাপত্তার দাবিতে শ্রমিক ধর্মঘটের ঘোষনা দেয়। নিরাপত্তার সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।
জানা যায়, ৩১ আগস্ট জামালপুর ময়মনসিংহ মহা- সড়কে এক সড়ক দুর্ঘটনায় রাজিব পরিবহনের ৪ জন বাসযাত্রী নিহত হয়। আহত হয় কমপক্ষে ১০ জন। এ ঘটনার পর বিক্ষোব্ধ জনতা বুধবার সকালে জামালপুরের নান্দিনা বাজার এলকায় ২টি বাস ভাংচুর এবং সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভকারী রাজিব পরিবহনের রোড পারমিট বাতিলের দাবি জানান।
এ ঘটনার পর শ্রমিক, পরিবহন ও যাত্রীদের নিরাপত্তার দাবিতে বাস শ্রমিকরা শ্রমিক ধর্মঘটের ডাক দেয়। ফলে জামালপুর জেলার সদর উপজেলা, বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ, সরিষাবাড়ী, কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলা থেকে ঢাকা রোডে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ৯টি উপজেলার বাসযাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছে।
এব্যপারে রাজিব পরিবহনে চালক মিলন আহমেদ বলেন, নান্দিনা বাজারে অন্যাভাবে বাস, শ্রমিক ও যাত্রীদের উপর অন্যায়ভাবে হামলা করা হয়েছে। ভাংচুর করা হয়েছে পরিবহন। মারপিট করা হয়েছে শ্রমিকদের। তিনি ওই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।
জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ন আহবায়ক হারনুর রশিদ বলেন, রোডে শ্রমিকদের রিনাপত্তা নেই। রিনাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিক ধর্মঘট চলমান থাকবে।
মতামত