সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে আলোচনা করতে মন্ত্রিসভা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু হয়েছে। সোমবার বিকেল ৫টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে শুরু হওয়া এই বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামোর চূড়ান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান ও সরকারের ওপর সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন। উক্ত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে কার্যকর করা হতে পারে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির লক্ষ্য রাখা হয়েছে। বেতন কমিশনের মূল সুপারিশে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৬০,০০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে সরকার কমিশনের এই প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করে নতুন সমন্বিত প্রস্তাব তৈরি করায় চূড়ান্ত অনুমোদনের পরেই আসল অঙ্ক স্পষ্ট হবে। দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৃদ্ধির অপেক্ষায় থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখন মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন।
মতামত