রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

চা-বাগান থেকে পিএইচডির পথে কুলাউড়ার 'চম্পা'



চা-বাগান থেকে পিএইচডির পথে কুলাউড়ার 'চম্পা'
কুলাউড়ার লংলা চা বাগানের চম্পা নাইডু

সীমিত সুযোগ,নানা প্রতিকূলতা ও দীর্ঘ সংগ্রাম পেরিয়ে সেই পথচলা আজ পৌঁছেছে ভারতের অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষণায়। তিনি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার লংলা চা-বাগানে বেড়ে ওঠা চম্পা নাইডু।

চম্পার গল্প শুধু একজন তরুণীর উচ্চশিক্ষায় সাফল্যের গল্প নয়। এটি চা-বাগান থেকে উঠে আসা সেইসব মেয়ের স্বপ্নের গল্প,যাদের সামনে সুযোগের পরিধি সীমিত হলেও স্বপ্নের কোনো সীমা নেই।

২০১০ সালে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে চম্পা নাইডু ভর্তি হন ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন স্কুলে। চা-বাগানের শ্রমিক পরিবারের সন্তানদের জন্য পরিচালিত ওই আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিনি বিনা খরচে পড়াশোনা ও আবাসনের সুযোগ পান। সেখান থেকেই তাঁর শিক্ষাজীবনের নতুন অধ্যায়ের শুরু।

২০১৫ সালে এসএসসি এবং ২০১৭ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেন তিনি। শিক্ষাজীবনে মেধার স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ফাউন্ডেশনের বৃত্তিও।

এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময়ও নিজের শেকড় ও চা-বাগানের মানুষের কাছ থেকে দূরে সরে যাননি চম্পা। বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে চা-শ্রমিক ও তাঁদের সন্তানদের শিক্ষা, অধিকার এবং জীবনযাত্রার নানা বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

চা-বাগানের শ্রমজীবী মানুষের জীবন, শিক্ষা,মানবাধিকার ও সামাজিক বৈষম্যের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে করতেই তাঁর আগ্রহ আরও বিস্তৃত হয়। পরবর্তীতে পাবলিক পলিসি ও হিউম্যান রাইটস বিষয়েও কাজ শুরু করেন তিনি।

তবে এই পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। নানা প্রতিকূলতা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে।

উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে ২০২৩ সালে আইসিসিআর স্কলারশিপ পেয়ে ভারতে যান চম্পা। সেখানে ভারতের অন্যতম পুরোনো ও প্রতিষ্ঠিত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তি হন।

অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নেওয়ার পেছনে ছিল তাঁর পারিবারিক শেকড়ের টানও। চম্পা তেলুগু সম্প্রদায়ের সদস্য এবং তাঁর পারিবারিক পূর্বপুরুষদের শেকড় অন্ধ্র প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত। তাই পূর্বপুরুষদের সেই অঞ্চলে থেকেই নিজের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পথ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন তিনি।

২০২৫ সালে দ্বিতীয়বারের মতো আইসিসিআর স্কলারশিপ লাভ করেন চম্পা নাইডু। এরপর অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডি গবেষণা শুরু করেন তিনি।

পিএইচডির জন্য দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও সুযোগ পেয়েছিলেন চম্পা। তবে পারিবারিক শেকড় এবং অন্ধ্র প্রদেশের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের কারণে শেষ পর্যন্ত অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়েই গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বর্তমানে ২০২৫ থেকে ২০২৮ মেয়াদে অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডি করছেন তিনি। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় বাংলাদেশের চা-বাগানের শ্রমজীবী মানুষের জীবন,মানবাধিকার ও সামাজিক বাস্তবতা। পাশাপাশি চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন,তাঁদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের সম্ভাবনা নিয়েও গবেষণা করছেন তিনি।

চম্পা নাইডু বলেন,“আমি চা-বাগানের পরিবেশে বড় হয়েছি। খুব কাছ থেকে দেখেছি শ্রমজীবী মানুষের জীবন,তাঁদের সংগ্রাম,সীমাবদ্ধতা এবং অধিকারবঞ্চনার নানা বাস্তবতা। তাই উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও আমি সেই মানুষগুলোর জীবনকেই গুরুত্ব দিতে চেয়েছি।”

তিনি বলেন,“আমার গবেষণার উদ্দেশ্য শুধু চা-শ্রমিকদের সমস্যাগুলো তুলে ধরা নয়। তাঁদের জীবনমান উন্নয়ন,অধিকার নিশ্চিত করা এবং বাস্তবসম্মত ও কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নে কী ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন,সেটিও খুঁজে দেখা।”

চম্পার মতে,তাঁর এই পথচলা শুধু ব্যক্তিগত অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। চা-বাগান থেকে উঠে আসা নতুন প্রজন্মের বিশেষ করে মেয়েদের জন্য এটি অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন,“চা-বাগানের অনেক ছেলে-মেয়ে এখন পড়াশোনা করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছে। আমি বিশ্বাস করি,সুযোগ ও সঠিক সহায়তা পেলে চা-বাগানের মেয়েরাও আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে। আমার পথচলা যদি তাদের কাউকে স্বপ্ন দেখতে সাহস দেয়, সেটিই হবে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

যে চা-বাগানের জীবন তিনি শৈশব থেকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন,আজ সেই মানুষগুলোর জীবন ও অধিকারই তাঁর গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাঁর লক্ষ্য শুধু ব্যক্তিগতভাবে একটি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করা নয়;গবেষণার মাধ্যমে চা-শ্রমিকদের জীবন ও সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নীতিগত পরিবর্তনের পথ খুঁজে বের করাও।

লংলা চা-বাগান থেকে শুরু হওয়া চম্পা নাইডুর এই দীর্ঘ পথচলায় তাই রয়েছে সংগ্রাম,শিক্ষার জন্য নিরন্তর লড়াই, নিজের শেকড়ের প্রতি গভীর টান এবং সেই মানুষগুলোর জন্য কাজ করার প্রত্যয়,যাদের জীবনকে তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন।

চম্পা চা-বাগান থেকে বেরিয়ে এসেছেন, কিন্তু চা-বাগানকে পেছনে ফেলে আসেননি। বরং নিজের শেকড়ের মানুষদের জীবন,অধিকার ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কাজ করেই এগিয়ে চলেছেন তিনি।

আর এখানেই হয়তো তাঁর গল্পের সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি শুধু নিজের জীবনের সীমানা বদলাননি,তাঁর পথচলা চা-বাগানের আরও অনেক তরুণী ও তরুণের স্বপ্নের সীমানাও বড় করে দিয়েছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬


চা-বাগান থেকে পিএইচডির পথে কুলাউড়ার 'চম্পা'

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সীমিত সুযোগ,নানা প্রতিকূলতা ও দীর্ঘ সংগ্রাম পেরিয়ে সেই পথচলা আজ পৌঁছেছে ভারতের অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষণায়। তিনি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার লংলা চা-বাগানে বেড়ে ওঠা চম্পা নাইডু।

চম্পার গল্প শুধু একজন তরুণীর উচ্চশিক্ষায় সাফল্যের গল্প নয়। এটি চা-বাগান থেকে উঠে আসা সেইসব মেয়ের স্বপ্নের গল্প,যাদের সামনে সুযোগের পরিধি সীমিত হলেও স্বপ্নের কোনো সীমা নেই।

২০১০ সালে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে চম্পা নাইডু ভর্তি হন ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন স্কুলে। চা-বাগানের শ্রমিক পরিবারের সন্তানদের জন্য পরিচালিত ওই আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিনি বিনা খরচে পড়াশোনা ও আবাসনের সুযোগ পান। সেখান থেকেই তাঁর শিক্ষাজীবনের নতুন অধ্যায়ের শুরু।

২০১৫ সালে এসএসসি এবং ২০১৭ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেন তিনি। শিক্ষাজীবনে মেধার স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ফাউন্ডেশনের বৃত্তিও।

এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময়ও নিজের শেকড় ও চা-বাগানের মানুষের কাছ থেকে দূরে সরে যাননি চম্পা। বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে চা-শ্রমিক ও তাঁদের সন্তানদের শিক্ষা, অধিকার এবং জীবনযাত্রার নানা বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

চা-বাগানের শ্রমজীবী মানুষের জীবন, শিক্ষা,মানবাধিকার ও সামাজিক বৈষম্যের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে করতেই তাঁর আগ্রহ আরও বিস্তৃত হয়। পরবর্তীতে পাবলিক পলিসি ও হিউম্যান রাইটস বিষয়েও কাজ শুরু করেন তিনি।

তবে এই পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। নানা প্রতিকূলতা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে।

উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে ২০২৩ সালে আইসিসিআর স্কলারশিপ পেয়ে ভারতে যান চম্পা। সেখানে ভারতের অন্যতম পুরোনো ও প্রতিষ্ঠিত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তি হন।

অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নেওয়ার পেছনে ছিল তাঁর পারিবারিক শেকড়ের টানও। চম্পা তেলুগু সম্প্রদায়ের সদস্য এবং তাঁর পারিবারিক পূর্বপুরুষদের শেকড় অন্ধ্র প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত। তাই পূর্বপুরুষদের সেই অঞ্চলে থেকেই নিজের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পথ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন তিনি।

২০২৫ সালে দ্বিতীয়বারের মতো আইসিসিআর স্কলারশিপ লাভ করেন চম্পা নাইডু। এরপর অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডি গবেষণা শুরু করেন তিনি।

পিএইচডির জন্য দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও সুযোগ পেয়েছিলেন চম্পা। তবে পারিবারিক শেকড় এবং অন্ধ্র প্রদেশের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের কারণে শেষ পর্যন্ত অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়েই গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বর্তমানে ২০২৫ থেকে ২০২৮ মেয়াদে অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডি করছেন তিনি। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় বাংলাদেশের চা-বাগানের শ্রমজীবী মানুষের জীবন,মানবাধিকার ও সামাজিক বাস্তবতা। পাশাপাশি চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন,তাঁদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের সম্ভাবনা নিয়েও গবেষণা করছেন তিনি।

চম্পা নাইডু বলেন,“আমি চা-বাগানের পরিবেশে বড় হয়েছি। খুব কাছ থেকে দেখেছি শ্রমজীবী মানুষের জীবন,তাঁদের সংগ্রাম,সীমাবদ্ধতা এবং অধিকারবঞ্চনার নানা বাস্তবতা। তাই উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও আমি সেই মানুষগুলোর জীবনকেই গুরুত্ব দিতে চেয়েছি।”

তিনি বলেন,“আমার গবেষণার উদ্দেশ্য শুধু চা-শ্রমিকদের সমস্যাগুলো তুলে ধরা নয়। তাঁদের জীবনমান উন্নয়ন,অধিকার নিশ্চিত করা এবং বাস্তবসম্মত ও কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নে কী ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন,সেটিও খুঁজে দেখা।”

চম্পার মতে,তাঁর এই পথচলা শুধু ব্যক্তিগত অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। চা-বাগান থেকে উঠে আসা নতুন প্রজন্মের বিশেষ করে মেয়েদের জন্য এটি অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন,“চা-বাগানের অনেক ছেলে-মেয়ে এখন পড়াশোনা করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছে। আমি বিশ্বাস করি,সুযোগ ও সঠিক সহায়তা পেলে চা-বাগানের মেয়েরাও আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে। আমার পথচলা যদি তাদের কাউকে স্বপ্ন দেখতে সাহস দেয়, সেটিই হবে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

যে চা-বাগানের জীবন তিনি শৈশব থেকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন,আজ সেই মানুষগুলোর জীবন ও অধিকারই তাঁর গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাঁর লক্ষ্য শুধু ব্যক্তিগতভাবে একটি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করা নয়;গবেষণার মাধ্যমে চা-শ্রমিকদের জীবন ও সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নীতিগত পরিবর্তনের পথ খুঁজে বের করাও।

লংলা চা-বাগান থেকে শুরু হওয়া চম্পা নাইডুর এই দীর্ঘ পথচলায় তাই রয়েছে সংগ্রাম,শিক্ষার জন্য নিরন্তর লড়াই, নিজের শেকড়ের প্রতি গভীর টান এবং সেই মানুষগুলোর জন্য কাজ করার প্রত্যয়,যাদের জীবনকে তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন।

চম্পা চা-বাগান থেকে বেরিয়ে এসেছেন, কিন্তু চা-বাগানকে পেছনে ফেলে আসেননি। বরং নিজের শেকড়ের মানুষদের জীবন,অধিকার ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কাজ করেই এগিয়ে চলেছেন তিনি।

আর এখানেই হয়তো তাঁর গল্পের সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি শুধু নিজের জীবনের সীমানা বদলাননি,তাঁর পথচলা চা-বাগানের আরও অনেক তরুণী ও তরুণের স্বপ্নের সীমানাও বড় করে দিয়েছে।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream