মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

অর্থনীতি

বেনাপোলে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বুধবার সকল কার্যক্রম বন্ধ

বেনাপোলে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বুধবার সকল কার্যক্রম বন্ধ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বুধবার (২৬ আগস্ট) দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত অন্যান্য দিনের মতো স্বাভাবিক থাকবে।সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি।তিনি জানান, বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে আবারো যথানিয়মে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম চলবে।বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন খান জানান, বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বুধবার বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রীরা স্বাভাবিক ভাবে যাতায়াত করতে পারবেন।বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) দিবসে সরকারি ছুটি থাকায় বুধবার বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুনরায় বন্দরের কার্যক্রমসহ আমদানি-রপ্তানি শুরু হবে। তবে বেনাপোল বন্দরে পণ্য খালাস করা খালি ভারতীয় খালি ট্রাক ফিরে যেতে পারবে।এদিকে একদিনের জন্য বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় দুই দেশের বন্দরে পণ্যজটের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে প্রায় ৬০০ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। পাশাপাশি চিকিৎসা, ব্যবসা ও বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন দেড় হাজারের বেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী এ পথে যাতায়াত করেন। বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিদিন সরকার প্রায় ১০ কোটি টাকা এবং যাত্রী যাতায়াত থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। 

অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করে ‘এপ্রিল-মার্চ’ করার সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশের বর্তমান ‘জুলাই-জুন’ অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করে ‘এপ্রিল-মার্চ’ করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কর্মপন্থা ও কৌশল নির্ধারণ করতে সরকার ৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে।মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, আইন ও সংসদ বিষয়ক সচিব এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান।আগামী ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন ‘এপ্রিল-মার্চ’ সময়সীমা পুরোপুরি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই পরিবর্তনটি সহজে বাস্তবায়নের জন্য ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে ৯ মাসের একটি অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর হিসেবে ধরা হবে (জুলাই থেকে শুরু হয়ে মার্চে শেষ)।কমিটির কাজের পরিধি: কমিটি অর্থবছরের সময়সীমা বদলাতে সংবিধান ও ‘জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭’-এর প্রয়োজনীয় সংশোধন এবং সরকারের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনায় দরকারি সংস্কারের কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে।বিদ্যমান ‘জুলাই-জুন’ অর্থবছরে দেশের অবকাঠামো উন্নয়নকাজের একটি বড় অংশ জুলাই ও আগস্ট মাসে গড়ায়। এ সময় তীব্র বর্ষার কারণে সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ ব্যাহত হয়, কাজের গুণগত মান নষ্ট হয় এবং জনভোগান্তি বাড়ে।অর্থবছর 'এপ্রিল-মার্চ' করা হলে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের সিংহভাগ কাজ নিরাপদে ও নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হবে।

অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করে ‘এপ্রিল-মার্চ’ করার সিদ্ধান্ত

গ্যাস সংকটে ফুওয়াং ফুডের কারখানায় ৬ মাসের বন্ধ উৎপাদন

গ্যাস–সংকট ও কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির কারণে খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ফুওয়াং ফুডের গাজীপুরের হোতাপাড়া কারখানা ছয় মাসের জন্য লেঅফ ঘোষণা করা হয়েছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি আজ রোববার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে এ তথ্য জানিয়েছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের শনিবারের সভায় কারখানা লেঅফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গতকাল শনিবার থেকেই কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই লেঅফের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় মাস। ফুওয়াং ফুড দেশে ব্রেড, বিস্কুট, কেক, নুডলসসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য উৎপাদন করে। কোম্পানিটির কারখানা গাজীপুরের হোতাপাড়ায় অবস্থিত। ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় এক হাজার কর্মী রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে থাকা কোম্পানিটি বর্তমানে শেয়ারবাজারের ‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত। ২০২৩ সালের পর শেয়ারধারীদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহের সংকট পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। কারখানা বন্ধের খবর শেয়ারবাজারেও প্রভাব ফেলেছে। রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ফুওয়াং ফুডের শেয়ারের দাম ১০ পয়সা বা প্রায় ১ শতাংশ কমে ১১ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে। দিনটিতে কোম্পানিটির প্রায় পৌনে দুই লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ছয় মাসের লেঅফের ফলে কারখানার উৎপাদন ও কর্মীদের ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে এখন নজর রয়েছে। গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি ও উৎপাদন ব্যয় স্বাভাবিক হলে প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত সময়ের আগেই কার্যক্রমে ফিরতে পারবে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

গ্যাস সংকটে ফুওয়াং ফুডের কারখানায় ৬ মাসের বন্ধ উৎপাদন

বাংলা কিউআরে লেনদেন বেড়ে দৈনিক ১১০ কোটি টাকা, মার্চেন্ট ছাড়াল ৩০ লাখ

ডিজিটাল লেনদেনকে আরও সহজ ও বিস্তৃত করতে চালু করা ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এই ব্যবস্থায় প্রতিদিন ১১০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হচ্ছে। একই সময়ে বাংলা কিউআর গ্রহণকারী মার্চেন্টের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩০ লাখে পৌঁছেছে। ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়ার অংশ হিসেবে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে দেশের ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব বা প্রোপ্রাইটরি কিউআর কোডের পরিবর্তে একক বাংলা কিউআর ব্যবহারের ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়। এর ফলে গ্রাহকদের জন্য ডিজিটাল পেমেন্ট আরও সহজ হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যাংক ও এমএফএস অ্যাপের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার মূল্য পরিশোধ করা যাচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীদের একাধিক প্রতিষ্ঠানের আলাদা কিউআর কোড রাখার প্রয়োজনও কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, জুলাইয়ের শুরুতে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৮ হাজার লেনদেন হতো। সর্বশেষ হিসাবে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩ লাখ ৩ হাজারে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের আর্থিক পরিমাণেও বড় পরিবর্তন এসেছে। জুলাইয়ের শুরুতে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ৩৭ কোটি টাকার লেনদেন হতো, বর্তমানে তা বেড়ে ১১০ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। অর্থাৎ অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলা কিউআর ব্যবস্থায় লেনদেনের পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়েছে। মার্চেন্টের সংখ্যাতেও একই ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। আগে যেখানে প্রায় ১৬ লাখ মার্চেন্ট বাংলা কিউআর ব্যবহার করতেন, বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩০ লাখ হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, ‘এক দেশ এক কিউআর’ নীতি বাস্তবায়নের ফলে ব্যবসায়ী ও গ্রাহক—দুই পক্ষই সুবিধা পাচ্ছেন। ব্যবসায়ীদের একাধিক কিউআর কোড ব্যবহারের ঝামেলা কমেছে। অন্যদিকে গ্রাহকরা নিজেদের পছন্দের ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ ব্যবহার করেই বিভিন্ন দোকান ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে বিল পরিশোধ করতে পারছেন। রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি—উভয় ধরনের ব্যাংক এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়ার ফলে দেশে ডিজিটাল পেমেন্টের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে এবং নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সহজ, দ্রুত ও আন্তঃসংযুক্ত ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা তৈরি করা। বাংলা কিউআরের ব্যবহার যেভাবে দ্রুত বাড়ছে, তাতে দেশের ক্যাশলেস অর্থনীতির দিকে অগ্রযাত্রায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলা কিউআরে লেনদেন বেড়ে দৈনিক ১১০ কোটি টাকা, মার্চেন্ট ছাড়াল ৩০ লাখ

বিশ্বব্যাংকে নতুন দায়িত্বে সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান

সদ্য অবসরে যাওয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানকে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট কনস্টিটুয়েন্সির ‘বিকল্প নির্বাহী পরিচালক’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তরে এ দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। যোগদানের দিন থেকে তিন বছর মেয়াদে চুক্তিভিত্তিক এই নিয়োগ কার্যকর হবে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অবসর-পরবর্তী ছুটি ও সংশ্লিষ্ট সুবিধা স্থগিত এবং অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান-সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক না রাখার শর্তে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।মো. আবদুর রহমান খান ২০২৪ সালের আগস্টে এনবিআর চেয়ারম্যান ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিবের দায়িত্ব নেন। চলতি বছরের জুনে সরকারি চাকরির নিয়মিত মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি অবসরে যান।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর তিনি আইসিএমএবি থেকে পেশাগত ডিগ্রি অর্জন করেন এবং এফসিএমএ সনদ পান। তিনি বিসিএস (কর) ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচের কর্মকর্তা।

বিশ্বব্যাংকে নতুন দায়িত্বে সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান

বিশ্ববাজারে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, আরও বাড়বে দেশে

মার্কিন ডলারের দরপতন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের বন্ড পুনঃক্রয় কর্মসূচি সম্প্রসারণের ঘোষণায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। ফলে টানা তৃতীয় সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুটির দাম বাড়ার পথে রয়েছে। এর প্রভাব দেশের বাজারেও পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।শুক্রবার (২১ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টা ৫ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্সে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৫৩৭ দশমিক ৪১ ডলার। সপ্তাহের হিসাবে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। এর আগের লেনদেন পর্বে জুনের শুরুর পর সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছিল স্বর্ণ।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের ফিউচার চুক্তির দামও ০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৯৩ দশমিক ৯০ ডলারে উঠেছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ডলারের মান কমে যাওয়ায় অন্য মুদ্রার ক্রেতাদের কাছে ডলারে মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণ তুলনামূলক সাশ্রয়ী হয়ে উঠছে। এতে চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, সরকার বন্ড পুনঃক্রয়ের পরিমাণ আরও বাড়ানোর কথা বিবেচনা করছে। ট্রেজারি বিভাগ ইতোমধ্যে আগামী প্রান্তিকে দীর্ঘমেয়াদি সিকিউরিটিজের বন্ড পুনঃক্রয় দ্বিগুণ করে প্রতিটি কার্যক্রমে কমপক্ষে ৪ বিলিয়ন ডলারে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।তবে স্বর্ণের বাজারের পরবর্তী গতি অনেকটাই নির্ভর করবে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ওপর। বাজারে সুদের হার বাড়ার আশঙ্কা থাকলে সাধারণত স্বর্ণের আকর্ষণ কমে, কারণ এ ধাতু থেকে কোনো সুদ বা নিয়মিত আয় পাওয়া যায় না।এদিকে সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, আগামী মাসে ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে—এমন সম্ভাবনা দেখছেন ৬৩ শতাংশ ব্যবসায়ী। আর সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা ধরা হচ্ছে ৩৭ শতাংশ।অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও দেখা গেছে ঊর্ধ্বগতি। শুক্রবার স্পট রুপার দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৮ দশমিক ৯৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনাম ২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮৬৫ দশমিক ২৯ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৪৪ দশমিক ৪৪ ডলারে উঠেছে।বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার এই ঊর্ধ্বগতির প্রভাব বাংলাদেশের বাজারেও পড়তে পারে। এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম বাড়িয়েছে।নতুন নির্ধারিত দামে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকায়। ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ১৯৬ টাকা।একই সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম এখন ৫ হাজার ৩০৭ টাকা। চলতি বছরে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ইতোমধ্যে ১০৫ বার এবং রুপার দাম ৬৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে।বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের বাজারেও স্বর্ণ ও রুপার দাম নতুন করে বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্ববাজারে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, আরও বাড়বে দেশে

জেনে নিন আজকের স্বর্ণের ভরি কত

আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। জেনে নিন আজকের স্বর্ণের ভরি কতনতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৬১৫ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ১৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা করা হয়েছে। এর আগে গত ১৫ আগস্টও দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। সেবার ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একইভাবে ২১ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা। জেনে নিন আজকের স্বর্ণের ভরি কতঅন্যদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৮৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।

জেনে নিন আজকের স্বর্ণের ভরি কত

আগস্টের প্রথম ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩ হাজার কোটি টাকা

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আগস্ট মাসের প্রথম ১৭ দিনেই ১৮৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩ হাজার ২১০ কোটি ১০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কেবল সোমবার (১৭ আগস্ট) একদিনেই দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ১,২০৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা।গত বছরের চেয়ে প্রবৃদ্ধি: গত ২০২৫ সালের আগস্টের প্রথম ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় ৩২.৬০% বৃদ্ধি পেয়েছে।অর্থবছরের সামগ্রিক চিত্র (১ জুলাই - ১৭ আগস্ট): চলতি অর্থবছরের এই দেড় মাসে মোট ৪৭৪ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩৯০ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, সামগ্রিকভাবে আয় ২১.৬০% বেড়েছে।

আগস্টের প্রথম ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩ হাজার কোটি টাকা

চুয়াডাঙ্গায় লোডশেডিংয়ের প্রভাবে মুরগি ডিম উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে

চুয়াডাঙ্গায় সদর উপজেলা হাতিকাটা গ্রামে তিন বিঘা জমির ওপর নির্মিত বিশাল এক জোয়ার্দ্দার পোল্ট্রি ফার্ম। এ ফার্মে ৩ হাজার লেয়ার মুরগি আছে। যেখানে প্রতিদিন ২ হাজার ডিম উৎপাদন হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের কারণে ডিম উৎপাদন কমেছে দৈনিক ৫০০ থেকে ৭০০ পিস। এই সাথে বেড়েছে মুরগি ও ডিম উৎপাদনের দ্বিগুণ খরচের পরিমাণ। জোয়ার্দ্দার ফার্মে মাসে ৯০ শতাংশ ডিম উৎপাদন কমে মাসিক ডিম উৎপাদন হচ্ছে ৬০ হাজার। লোডশেডিংশের আগে এই ফার্মে প্রতিমাসে ডিম উৎপাদন হতো ৭৫ হাজারের বেশি।সারাদেশে লোডশেডিংয়ের প্রভাবে পোল্ট্রি শিল্প খাতে বড় লোকশানের ধাক্কা খাচ্ছে ফার্ম মালিকেরা। দিনে ও রাতের বেলায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রভাবে চুয়াডাঙ্গাতে পোল্ট্রি ফার্মে ডিম উৎপাদনে ব্যহত হচ্ছে। দিনে ও রাতের অর্ধেক সময়জুড়ে বন্ধ থাকছে বিদ্যুৎ। যার ফলে মুরগি ও ডিম উৎপাদনে চরম লোকশান গুনতে হবে বলে জানান ফার্ম মালিকরা।হাতিকাটা জোয়ার্দ্দার ফার্মের মালিক পিন্টু জোয়ার্দ্দার  জানান, চুয়াডাঙ্গার ওজোপাডিকো ও পল্লী বিদুৎ বিভাগে সারাক্ষণ বিদ্যুৎ বন্ধ থাকছে। এতে পোল্ট্রি ফার্মের মালিকরা খুব বিপাকে আছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রভাবে ডিম ও মুরগি উৎপাদনে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। সময় মতো বিদ্যুৎ না থাকায় ডিজেল চালিত জেনারেটর চালিয়ে মুরগির ডিম উৎপাদন করতে হচ্ছে। এতে ব্যয় বাড়ছে।তিনি আরও জানান, প্রতিমাসে মুরগি ও ডিম উৎপাদনে বাড়তি ১ লাখ টাকা খরচ গুনতে হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের প্রভাব কমে গেলে পোল্ট্রি খাতে লাভের সম্ভাবনা আছে । লোডশেডিং চলতে থাকলে মুরগি ফার্ম মালিকদের পথে বসার উপক্রম হয়ে যাবে।চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে সুত্রে জানাগেছে, জেলায় প্রান্তিক ব্রয়লার মুরগির খামার ৮ হাজার ২৯৫ টি, লেয়ার মুরগি খামার ৫ হাজার ৯২৮ টি, হাঁসের খামার ৩৯৮ টি। অপরদিকে কোম্পানি ফার্মের মধ্যে ব্রয়লার মুরগি খামারের সংখ্যা ৬২ টি, লেয়ার মুরগির খামার ২১ টি ও হাঁসের খামার ৬ টি।জেলার এক পোল্ট্রি খামারি মিরাজ হোসেন বলেন, ‘ঘন ঘন লোডশেডিংর কারণে মুরগি ও ডিম উৎপাদনে অনেক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এক ঘন্টা পর পর বিদ্যুৎ বন্ধ থাকছে। এতে ডিম উৎপাদন প্রতিদিন কমে আসছে। ফলে ফার্মে অনেক লোকশান গুনতে হচ্ছে।’জেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ডা: মোঃ সাহাবুদ্দিন  বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গায় লোডশেডিংয়ের কারণে আমাদের পোল্ট্রি খামারীরা বিপাকে আছে। তাদের মুরগি ও ডিম উৎপাদনে খরচ বাড়ছে। এই বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় মুরগি ডিম উৎপাদনে বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে প্রাণীসম্পদ অফিস এ ব্যাপারে খামারিদের নিয়ম মতো পরামর্শ দিচ্ছে।’চুয়াডাঙ্গা ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্টিভিশন কোং লিমিটেড(ওজোপাডিকো) সুত্রে জানাগেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলা মিলে বিদ্যুতের গ্রাহক আছে ৬০ হাজার। এখানে বিদ্যুদের চাহিদা ২৫ মেগাওয়াট। যেখানে সরবরাহ করা হচ্ছে ২০ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম। ওজোপাডিকোর বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র আছে ৩ টি। অপরদিকে, চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি জানিয়েছে, চুয়াডঙ্গা এরিয়ায় পল্লি বিদ্যুতের গ্রাহক আছে ৮৪ হাজার। তবে এই বিদ্যুৎতের চাহিদা রয়েছে ২০ মেগাওয়াট। যেখানে বিদ্যুত সরবরাহ করা হচ্ছে ১৩ মেগাওয়াটে ভিতরে। তবে বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে ৭ মেগাওয়াট। কারণ ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুত দিয়ে দুইটা জেলা কাভার করা লাগে।এ বিষয়ে ওজোপাডিকো এর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব  বলেন, ’জাতীয় গ্রিড থেকে বরাদ্দ বৃদ্ধি না পাওয়া পর্যন্ত এই সাময়িক সংকট দূর করা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা চাহিদা মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ করছি। তবে এই লোডশেডিং কবে ঠিক হবে এখন বলতে পারছি না।’চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার(ডিজিএম) মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি দুই ইউনিটে বিদ্যুত সরবরাহ করে। যে কারণে ধারণ ক্ষমতার বিষয় চিন্তা করে আমরা বিদু্যুত সাপ্লাই করছি। চাহিদা তুলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।’

চুয়াডাঙ্গায় লোডশেডিংয়ের প্রভাবে মুরগি ডিম উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে

কাচাঁ মরিচ আমদানি স্বাভাবিক থাকায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে

ভারত থেকে বেনাপোল দিয়ে কাচাঁ মরিচ আমদানি স্বাভাবিক থাকায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। সে কারণে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে কাঁচা মরিচের দামে। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে যশোরের শার্শা-বেনাপোলসহ বিভিন্ন খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে ২০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। হঠাৎ এই দরপতনে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এখন ৩০০ টাকার মরিচ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারত থেকে বেনাপোল দিয়ে ১০ দিনে ২৩৩ টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে।গত ৩ আগস্ট প্রথম চালানে ৯,২০০ কেজি (৯.২ টন), ৪ আগস্ট দ্বিতীয় চালানে ৪২,২২০ কেজি (৪২.২২ টন), ৬ আগস্ট ১৪,০০০ কেজি (১৪ টন), ৮ আগষ্ট ১৫,০০০ কেজি (১৫ টন), ৯ আগস্ট ১৪,০০০ কেজি (১৪ টন), ১০ আগষ্ট ১৪,০০০ কেজি (১৪ টন), ১১ আগষ্ট ৫৬,০০০ কেজি (৫৬ টন), ১২ আগস্ট ২৮,০০০ কেজি (২৮ টন), ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার ২৮,০০০ কেজি (২৮ টন) এবং সবশেষ রবিবার (১৬ আগস্ট) ১৩,৫০০ কেজি (১৩.৫ টন) কাচাঁ মরিচ ভারত থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি করা হয়। এ নিয়ে ৩ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত ১০ কার্যদিবসে প্রায় ২৩৩ টন কাঁচা মরিচ বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছে। আমদানি শুরু হওয়ায় শার্শা-বেনাপোলসহ আশেপাশের সব বাজারে মরিচের দাম ৩০০ টাকা থেকে কমে বর্তমানে বাজারে ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।আজ সোমবার শার্শার বেনাপোল, নাভারন ও বাগআঁচড়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন বাজার দর।সরেজমিনে এসব খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। অথচ মাত্র দুই সপ্তাহ আগে সরবরাহের ওপর নির্ভর করে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছিল ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত।তবে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি হওয়ার কারণে দামে অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শুধু তাই নয়, দেশের প্রধান মরিচ উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলো থেকেও মরিচের জোগান বাজারে হঠাৎ অনেকাংশ বেড়েছে বলেও মনে করেন তারা।বেনাপোল বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রেতা রাশেদ আলী বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে নিয়মিত কাঁচা মরিচ আমদানি অব্যাহত থাকায় বাজারে সরবরাহের কোনো ঘাটতি হয়নি। একইসঙ্গে বন্যার কারণে কৃষকের উৎপাদন ব্যাহত হলেও এখন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকারি বাজারে মরিচ আসছে, এতে দাম কমে এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।বাজার করতে আসা রাসেল হোসেন সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, রান্নাবান্নার অন্যতম প্রয়োজনীয় পণ্য কাঁচা মরিচ। কয়েক দিন আগেও দাম অতিরিক্ত থাকায় ৫০ গ্রামের বেশি কিনতে হিমশিম খেতে হতো। ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম কমে যাওয়া সত্যি স্বস্তিদায়ক বলে তিনি উল্লেখ করেন।আমদানিকারক শামীম হোসেন বলেন, কাচাঁ মরিচ আমদানির প্রভাবে বাজারে তিন ভাগের দুইভাগ দাম কমে গেছে। প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে কাচাঁ মরিচ আমদানি হচ্ছে। এ ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকলে কাচাঁ মরিচের দাম কমে ৫০ টাকায় নেমে আসবে। তখন আর আমদানিকে পোষাবে না।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, পচনশীল কৃষিপণ্যের বাজার হঠাৎ ওঠানামা ঠেকাতে স্থায়ী সংরক্ষণাগার গড়ে তোলা জরুরি। এ ছাড়া স্থানীয় সরবরাহ ভালো থাকলে আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে বাজারকে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।বেনাপোল চেকপোস্ট উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, ভারত থেকে প্রতিদিনই কাচাঁ মরিচ বাংলাদেশে আমদানি হচ্ছে। সে কারনে বাজারে দাম ৩০০ থেকে নেমে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চলতি মাসের ৩ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে ১০ কার্যদিবসে প্রায় ২৩৩ টন কাচাঁ মরিচ বেনাপোল বন্দরে আমদানি হয়েছে। আরও বেশ কিছু কাচাঁ মরিচ বোঝাই ট্রাক পেট্রাপোল বন্দর থেকে বেনাপোল বন্দরে ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছে। এ চালানগুলো ঢুকলে দাম আরও কমে যাবে। 

কাচাঁ মরিচ আমদানি স্বাভাবিক থাকায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে

গ্যাস সংকট কাটাতে অবকাঠামো নির্মাণে লাগবে দুই বছর: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় দুই বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।  শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে সিলেটে একটি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যের প্রধান দিকসমূহ:অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ: দেশে জ্বালানি সংকটের যে চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা থেকে স্থায়ী উত্তরণে প্রথাগত চিন্তার বাইরে গিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরিতে নির্দিষ্ট কিছু সময়ের প্রয়োজন।  স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা: জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে পরিকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়াতে কাজ চলছে।  এলএনজি আমদানির উদ্যোগ: সাময়িকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মালয়েশিয়া থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান মন্ত্রী।  গ্যাস সংকট দূর করতে অবকাঠামো উন্নয়ন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এ খাতের চ্যালেঞ্জগুলো টেকসই উপায়ে সমাধানের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।  

গ্যাস সংকট কাটাতে অবকাঠামো নির্মাণে লাগবে দুই বছর: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিত্যপন্যের বাজারে আগুন, জেনে নিন আজকের বাজারদর

রাজধানীর কাঁচাবাজার ও মাছের বাজারে যেন দরদামের কোনো লাগাম নেই। শুক্রবারে (১৪ আগস্ট) রাজধানীর একাধিক বাজার ঘুরে দেখা গেছে—চাল, ডাল, সবজি ও মাছের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংসারের হিসাব মেলাতে চরম হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।ভোক্তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক পালাবদল কিংবা প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ি সত্ত্বেও বাস্তবে বাজারে কোনো পরিবর্তন আসে না।বেশিরভাগ সবজিই কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকার আশপাশে। কাঁচা মরিচ ২৫০ টাকা, টমেটো ও গাজর ১৪০ টাকা এবং ধনেপাতা বিকোচ্ছে ৩০০ টাকা কেজিতে।পটল, বেগুন, করলা, উচ্ছে, বরবটি ও কচুর লতির দর ৭০-৯০ টাকা। তুলনামূলক কম দামে মিলছে পেঁপে (৪০-৫০ টাকা) এবং চালকুমড়া ও শসা (৫০-৬০ টাকা)। খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, আড়তেই অতিরিক্ত দামের সাথে পরিবহন খরচ ও পচনজনিত ক্ষতি যোগ করতে হয় বলে দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।দেশি পাবদা, টেংরা, শিং, মাগুর, শোল ও বোয়াল বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ১,২০০ টাকা কেজি দরে। এমনকি সাধারণ কাচকি মাছও ৫০০-৭০০ টাকা হাঁকা হচ্ছে। নিম্ন-মধ্যবিত্তের ভরসা চাষের মাছের বাজারও চড়া। চাষের পাঙাশ ২০০-২৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০-৩০০ টাকা এবং রুই-কাতলা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৫০০ টাকা কেজিতে। কেবল খুচরা বাজারে অভিযান না চালিয়ে পাইকারি বাজার, মজুত, পরিবহন এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে কঠোর নজরদারি চালানোর দাবি খুচরা বিক্রেতাদের।অসাধু ব্যবসায়ী ও কৃত্রিম সংকট তৈরি করা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে বাজারে স্বস্তি ফেরানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

নিত্যপন্যের বাজারে আগুন, জেনে নিন আজকের বাজারদর

মুরগি-ডিম-দুধের দামে নতুন ধাক্কা, কিছুটা স্বস্তি সবজিতে

রাজধানীর বাজারে আবারও বেড়েছে মুরগি, ডিম ও দুধের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে ডিম ও দুধের দামও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের নিত্যদিনের আমিষের চাহিদা পূরণ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।অন্যদিকে, কয়েক সপ্তাহের উচ্চমূল্যের পর বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সবজির দামে। সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে, যদিও কিছু সবজি এখনও ১০০ টাকার আশপাশে বিক্রি হচ্ছে।শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। সোনালী মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায়। ফার্মের লাল ডিমের ডজন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা এবং প্রতি লিটার পাস্তুরিত দুধ ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগি ও দেশি ডিমের দাম আগের মতোই সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে রয়েছে।এদিকে ভারত থেকে আমদানি বাড়ায় কাঁচামরিচের দাম কমতে শুরু করেছে। এক সপ্তাহ আগে যেখানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা ছিল, এখন তা ২৫০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে এর দাম নেমে এসেছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়।বাজারে বরবটি ৮০ টাকা, ঝিঙা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ধুন্দুল ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা এবং টমেটো ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।এ ছাড়া লাউ প্রতিটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, মুলা ৮০ টাকা, জালি কুমড়া ৬০ টাকা, গোল বেগুন ১০০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা, কচু ৮০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।নারিন্দা কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা আমিনুল হক বলেন, বৃষ্টির কারণে কয়েক সপ্তাহ সবজির সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছিল। এখন মাঠ থেকে বেশি সবজি আসায় অধিকাংশ পণ্যের দাম কমেছে। তবে মৌসুম না থাকায় কিছু সবজির দাম এখনও তুলনামূলক বেশি।ধুপখোলা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা সরকারি চাকরিজীবী আবির ইমন বলেন, আগের তুলনায় সবজির দাম কিছুটা কমলেও সব ধরনের পণ্য এখনও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসেনি। বাজার পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে।কারওয়ান বাজারের আড়ত ব্যবসায়ী মো. সাইদুল ইসলাম জানান, ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনে দাম আরও কমতে পারে। তবে খুচরা পর্যায়ে অনেক বিক্রেতা এখনও বেশি দামে মরিচ বিক্রি করছেন।কিচেন মার্কেটের ডিম বিক্রেতা মো. রফিকুল হক বলেন, বন্যার অজুহাতে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করছেন। কার্যকর বাজার তদারকি না থাকায় ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না।মুরগি বিক্রেতা আব্দুল কাদেরের দাবি, খামার পর্যায়েই বেশি দামে মুরগি কিনতে হচ্ছে। পোল্ট্রি খাদ্য, পরিবহন ও অন্যান্য ব্যয় বাড়ায় খুচরা বাজারেও দাম বাড়াতে হচ্ছে।যাত্রাবাড়ী আড়তের ডিম বিক্রেতা জসিম বলেন, খামার থেকেই বেশি দামে ডিম কিনতে হচ্ছে। তাই ডজনপ্রতি ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকার নিচে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, পোল্ট্রি খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় ও পরিবহন খরচ বাড়ায় মুরগি, ডিম ও দুধের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কার্যকর বাজার তদারকির অভাবে এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না। এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর।

মুরগি-ডিম-দুধের দামে নতুন ধাক্কা, কিছুটা স্বস্তি সবজিতে

বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম, চরম বিপাকে সাধারণ মানুষ

চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, সবজি, মাছ ও ডিমসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষ। বাজারে আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য রাখতে না পেরে অনেকেই ধারদেনা বা সঞ্চয় ভেঙে সংসার চালাতে বাধ্য হচ্ছেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। দিনমজুর ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোকে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা থেকে কাটছাঁট করতে হচ্ছে নানা অপরিহার্য উপাদান।শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম আরও বেড়েছে। তবে কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে গরুর মাংসের বাজার।মাংস ও ডিম: ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায়। তবে সোনালি (৩২০-৩৪০ টাকা), হাইব্রিড (২৯০-৩০০ টাকা) ও লেয়ার (৩৫০ টাকা) মুরগির দামে পরিবর্তন আসেনি। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়।মাছ ও অন্যান্য: সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি মাছে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পুকুরে চাষ করা পাঙাশ, তেলাপিয়া ও রুইসহ সাধারণ মানুষের পাতে থাকা মাছগুলোর দামও ঊর্ধ্বমুখী।রিকশাচালক, শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মতে, প্রতিদিনের সীমিত আয়ে পরিবারের খাদ্যের সংস্থান, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালানো এখন তাদের জন্য এক বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম, চরম বিপাকে সাধারণ মানুষ
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream