সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

ফ্রান্সের মতো সুইজারল্যান্ডে শত শত মানুষের বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ২



ফ্রান্সের মতো সুইজারল্যান্ডে শত শত মানুষের বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ২
ফ্রান্সের মতো সুইজারল্যান্ডে শত শত মানুষের বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ২

ফ্রান্সের যুব আন্দোলনের আদলে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ ও বাসেলে শত শত মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তবে একপর্যায়ে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। এ সময় বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১ নভেম্বর) জুরিখের লাংস্ট্রাসে শত শত বিক্ষোভকারী জড়ো হন। তাদের অনেকের মুখে ছিল হ্যালোইনের মুখোশ। পরে তারা প্রধান রেলস্টেশনের কাছের হেলভেটিয়াপ্লাজার দিকে অগ্রসর হন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা আতশবাজি ও ফ্লেয়ার জ্বালিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন।

বিক্ষোভকারীরা স্কয়ারে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় একটি বাসস্টপ ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি ময়লার পাত্র ও সাইকেল দিয়ে তৈরি ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। পরে বিক্ষোভকারীদের ছোট ছোট দল বিভিন্ন স্থানে ডাস্টবিন ও গাড়িতে আগুন দেয় এবং কয়েকটি দোকানের কাচ ভাঙচুর করে।

পুলিশ জানিয়েছে, তাদের ওপর বারবার আতশবাজি, বোতল ও পাথর নিয়ে হামলা চালানো হয়। পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে জবাব দেয়, যা রাত দেড়টা পর্যন্ত চলে। একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি প্রয়োজনে যাওয়া পুলিশ টহল গাড়িও আক্রমণের শিকার হয়, ফলে দুর্ঘটনাকবলিত পা গুরুতর জখম হওয়া এক কিশোরের কাছে পৌঁছানোর আগেই পুলিশ পেছাতে বাধ্য হয়।

বাসেল শহরের কেন্দ্রস্থলে রাত ৯টার দিকে প্রায় ১৫০ জন মানুষ জড়ো হন বলে কান্টোনাল পুলিশ জানিয়েছে। কয়েকটি বক্তব্যের পর মিছিলটি মিটলেরে রাইনব্রুক অতিক্রম করে মার্কটপ্লাজ হয়ে সেন্ট জোহান জেলায় প্রবেশ করে। সেখানে কিছু বিক্ষোভকারী ডাস্টবিন ও ধাতব ব্যারিকেড দিয়ে তৈরি ব্যারিকেডে আগুন দিলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।

আয়োজক ও বিক্ষোভকারীরা ফ্রান্সের অসন্তোষের সঙ্গে সাদৃশ্য তুলে ধরেন, আর সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত আহ্বানে ‘জেনজি রেজাল্ট!’ বা ‘জেন জির হাতে নিয়ন্ত্রণ!’ স্লোগানটি ব্যবহার করা হয়। জার্মানির তরুণ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গেও ব্যবহৃত এই বাক্যটির মিল রয়েছে, যা ইউরোপজুড়ে আন্দোলনের একটি থেকে অন্যটির অনুপ্রেরণা নেওয়ার চিত্র ফুটিয়ে তোলে।

সূত্র: উইওন।

বিষয় : বিশ্ব সংবাদ ইউরোপ সুইজারল্যান্ড

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


ফ্রান্সের মতো সুইজারল্যান্ডে শত শত মানুষের বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ২

প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ফ্রান্সের যুব আন্দোলনের আদলে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ ও বাসেলে শত শত মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তবে একপর্যায়ে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। এ সময় বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১ নভেম্বর) জুরিখের লাংস্ট্রাসে শত শত বিক্ষোভকারী জড়ো হন। তাদের অনেকের মুখে ছিল হ্যালোইনের মুখোশ। পরে তারা প্রধান রেলস্টেশনের কাছের হেলভেটিয়াপ্লাজার দিকে অগ্রসর হন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা আতশবাজি ও ফ্লেয়ার জ্বালিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন।

বিক্ষোভকারীরা স্কয়ারে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় একটি বাসস্টপ ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি ময়লার পাত্র ও সাইকেল দিয়ে তৈরি ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। পরে বিক্ষোভকারীদের ছোট ছোট দল বিভিন্ন স্থানে ডাস্টবিন ও গাড়িতে আগুন দেয় এবং কয়েকটি দোকানের কাচ ভাঙচুর করে।

পুলিশ জানিয়েছে, তাদের ওপর বারবার আতশবাজি, বোতল ও পাথর নিয়ে হামলা চালানো হয়। পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে জবাব দেয়, যা রাত দেড়টা পর্যন্ত চলে। একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি প্রয়োজনে যাওয়া পুলিশ টহল গাড়িও আক্রমণের শিকার হয়, ফলে দুর্ঘটনাকবলিত পা গুরুতর জখম হওয়া এক কিশোরের কাছে পৌঁছানোর আগেই পুলিশ পেছাতে বাধ্য হয়।

বাসেল শহরের কেন্দ্রস্থলে রাত ৯টার দিকে প্রায় ১৫০ জন মানুষ জড়ো হন বলে কান্টোনাল পুলিশ জানিয়েছে। কয়েকটি বক্তব্যের পর মিছিলটি মিটলেরে রাইনব্রুক অতিক্রম করে মার্কটপ্লাজ হয়ে সেন্ট জোহান জেলায় প্রবেশ করে। সেখানে কিছু বিক্ষোভকারী ডাস্টবিন ও ধাতব ব্যারিকেড দিয়ে তৈরি ব্যারিকেডে আগুন দিলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।

আয়োজক ও বিক্ষোভকারীরা ফ্রান্সের অসন্তোষের সঙ্গে সাদৃশ্য তুলে ধরেন, আর সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত আহ্বানে ‘জেনজি রেজাল্ট!’ বা ‘জেন জির হাতে নিয়ন্ত্রণ!’ স্লোগানটি ব্যবহার করা হয়। জার্মানির তরুণ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গেও ব্যবহৃত এই বাক্যটির মিল রয়েছে, যা ইউরোপজুড়ে আন্দোলনের একটি থেকে অন্যটির অনুপ্রেরণা নেওয়ার চিত্র ফুটিয়ে তোলে।

সূত্র: উইওন।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream