বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
চুক্তি না হলে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

চুক্তি না হলে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি না হলে দেশটির সন্দেহভাজন পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।ট্রাম্প বলেন, ইরানের পিকঅ্যাক্স পর্বতে অবস্থিত ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। চাইলে যেকোনো সময় মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই সেখানে হামলা চালানো সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তবে ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো গেলে এমন পদক্ষেপের প্রয়োজন হবে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার সম্ভাবনাকে ট্রাম্প পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। তিনি বলেন, ‘তারা চুক্তি না করলে এটা হতে পারে, তবে তারা খুব ব্যাকুলভাবে একটি চুক্তি করতে চায় এবং আমাদের চুক্তি করার খুব ভালো সম্ভাবনা রয়েছে।’ নিজের অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে ট্রাম্প আরও যোগ করেন, ‘আমি যদি একটি চুক্তি করতে পারি, তবে আমি বরং সেটাই করব, এটি অনেক জীবন বাঁচাবে।’ মার্কিন সম্পদের বিরুদ্ধে সারফেস-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকির প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালিতে থাকা ইরানি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে মার্কিন সামরিক বাহিনী ‘সীমিত প্রতিরক্ষামূলক’ হামলা চালানোর পরপরই ট্রাম্পের এই মন্তব্য সামনে এসেছে বলে এসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

ভারতের মণিপুরে আবারও জাতিগত সহিংসতা, নিহত ৫

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে আবারও জাতিগত সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। নতুন করে ছড়িয়ে পড়া এ সহিংসতায় পৃথক দুটি ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। রোববার (১ নভেম্বর) পুলিশের দেওয়া বিবৃতির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।পুলিশের প্রথম বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার নোনে জেলায় অজ্ঞাতপরিচয় সশস্ত্র ব্যক্তিদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে কুকি সম্প্রদায়ের তিনজন পুরুষ নিহত হন।অন্যদিকে, দ্বিতীয় বিবৃতিতে পুলিশ জানায়, চলতি সপ্তাহের শুরুতে নিখোঁজ হওয়া একই সম্প্রদায়ের আরও দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকালে নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি অভিযানের সময় কাংপোকপি জেলা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।এদিকে, একটি শীর্ষ কুকি উপজাতীয় সংগঠন এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোকে দায়ী করেছে। ঘটনাটিকে নিজেদের জন্মভূমিতে কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই চালানো সরাসরি হামলা বলে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি। কুকি সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং ভারত সরকারের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিলের দাবিতে রাজ্য রাজধানী ইম্ফল ও অন্যান্য এলাকায় লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে গণবিক্ষোভের মধ্যেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। সুদূর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যে জাতিগত মাতৃভূমির স্বাধিকার দাবিকে কেন্দ্র করে প্রধানত খ্রিস্টান কুকি এবং নাগা উপজাতিদের মধ্যে বিরোধের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কুকি সম্প্রদায়ের কয়েকজন পুরুষ এক নাগা ব্যক্তিকে নির্যাতন করার পর নতুন করে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। পরবর্তীতে মে মাসে নাগা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হাতে তিন কুকি যাজক নিহত হওয়ার জেরে উভয় পক্ষ থেকেই প্রতিশোধমূলক অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের সূচনা হয়। এই নতুন কুকি-নাগা সংঘাত মণিপুরের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করেছে, যেখানে কুকিরা ২০২৩ সালের মে মাস থেকে প্রধানত হিন্দু মেইতেই সম্প্রদায়ের সঙ্গেও অর্থনৈতিক সুবিধা ও চাকরির কোটা নিয়ে রক্তাক্ত সংঘাতের মুখোমুখি হচ্ছে। তিন শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটানো এই সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ এখনও অস্থায়ী আশ্রয়ে বসবাস করছেন। সূত্র: রয়টার্স

ভারতের মণিপুরে আবারও জাতিগত সহিংসতা, নিহত ৫

নেতানিয়াহুর ঐক্য সরকার গঠনের উদ্যোগ, জামিনদার হতে পারেন ট্রাম্প

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইয়াশার পার্টির নেতা গাডি আইজেনকোটের সঙ্গে ঐক্য সরকার গঠনের কথা ভাবছেন। এ সরকার গঠনের চুক্তিতে জামিনদার হিসেবে থাকতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ।রোববার (১ নভেম্বর) ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ক্যানের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য নিউ আরব।নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ডিমোনার মেয়র বেনি বিটন রোববার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক চাল বা নির্বাচনী কৌশল নয়। নেতানিয়াহু সত্যিই একটি ঐক্য সরকার গঠন করতে চান।লিকুদ পার্টির এই নেতা জানান, আগের দিন তিনি ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগের সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রস্তাবিত চুক্তিতে হারজোগ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জামিনদার হিসেবে থাকবেন। তাদের ভূমিকা হবে গাডি আইজেনকোটের পক্ষে চুক্তির নিশ্চয়তা দেওয়া।গত মঙ্গলবারের সংসদ নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক জোট এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এ পরিস্থিতিতে দুই কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রী ইতমার বেন-গভির ও বেজালেল স্মোটরিচকে বাদ দিয়ে জাতীয় ঐক্য সরকার গঠনের বিষয়টি সামনে এসেছে।এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ডোনাল্ড ট্রাম্পও এমন একটি ঐক্য সরকার গঠনের উদ্যোগকে সমর্থন করছেন। ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ সব পক্ষকে নমনীয় হওয়ার এবং আরেকটি নির্বাচন এড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। বিটন বিরোধী দলের নেতাদের আলোচনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমি ব্যতিক্রম ছাড়া সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—গাডি আইজেনকোট, অবিগডোর লিবারম্যান এবং নাফতালি বেনেট—তাদের অহংকার সরিয়ে রাখতে। নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হয়েছে; একসঙ্গে আসুন, টেবিলে বসুন এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছান।’ একতরফাভাবে নেসেটের স্পিকার পরিবর্তনের চেষ্টা না করার হুঁশিয়ারি দিয়ে বিটন বলেন, ‘যে মুহূর্তে তারা নেসেটের স্পিকার প্রতিস্থাপনের চেষ্টা করবে... আমি কীভাবে বলব? এটি যুদ্ধ ঘোষণার শামিল। সব দলের সম্মতিতে স্পিকার নিয়োগে কোনো সমস্যা নেই। তবে তারা যদি একতরফা সংসদীয় চাল চালতে শুরু করে, তবে তা হবে একটি লাল রেখা।’ তিনি আরও সতর্ক করেন, জাতীয় ঐক্য সরকার গঠন করা না হলে দেশ আরেকটি নির্বাচনের দিকে ধাবিত হবে। বিটনের মতে, লিকুদ পার্টিকে ছাড়া গঠিত যেকোনো সরকার টিকে থাকবে না এবং ‘ছয় মাসের বেশি বেঁচে থাকতে সক্ষম হবে না’। এদিকে আরব দলগুলোর সমর্থনের ওপর ভিত্তি করে সরকার গঠনের বিকল্পটিকে বিরোধী দলগুলো প্রত্যাখ্যান করলেও জয়েন্ট লিস্ট এবং ইউনাইটেড আরব লিস্ট বা রা’আম পার্টি আইজেনকোটকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করতে পারে বলে জয়েন্ট লিস্টের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন। সূত্র: দ্য নিউ আরব

নেতানিয়াহুর ঐক্য সরকার গঠনের উদ্যোগ, জামিনদার হতে পারেন ট্রাম্প

ফ্রান্সের মতো সুইজারল্যান্ডে শত শত মানুষের বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ২

ফ্রান্সের যুব আন্দোলনের আদলে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ ও বাসেলে শত শত মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তবে একপর্যায়ে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। এ সময় বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার (১ নভেম্বর) জুরিখের লাংস্ট্রাসে শত শত বিক্ষোভকারী জড়ো হন। তাদের অনেকের মুখে ছিল হ্যালোইনের মুখোশ। পরে তারা প্রধান রেলস্টেশনের কাছের হেলভেটিয়াপ্লাজার দিকে অগ্রসর হন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা আতশবাজি ও ফ্লেয়ার জ্বালিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন।বিক্ষোভকারীরা স্কয়ারে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় একটি বাসস্টপ ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি ময়লার পাত্র ও সাইকেল দিয়ে তৈরি ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। পরে বিক্ষোভকারীদের ছোট ছোট দল বিভিন্ন স্থানে ডাস্টবিন ও গাড়িতে আগুন দেয় এবং কয়েকটি দোকানের কাচ ভাঙচুর করে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের ওপর বারবার আতশবাজি, বোতল ও পাথর নিয়ে হামলা চালানো হয়। পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে জবাব দেয়, যা রাত দেড়টা পর্যন্ত চলে। একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি প্রয়োজনে যাওয়া পুলিশ টহল গাড়িও আক্রমণের শিকার হয়, ফলে দুর্ঘটনাকবলিত পা গুরুতর জখম হওয়া এক কিশোরের কাছে পৌঁছানোর আগেই পুলিশ পেছাতে বাধ্য হয়। বাসেল শহরের কেন্দ্রস্থলে রাত ৯টার দিকে প্রায় ১৫০ জন মানুষ জড়ো হন বলে কান্টোনাল পুলিশ জানিয়েছে। কয়েকটি বক্তব্যের পর মিছিলটি মিটলেরে রাইনব্রুক অতিক্রম করে মার্কটপ্লাজ হয়ে সেন্ট জোহান জেলায় প্রবেশ করে। সেখানে কিছু বিক্ষোভকারী ডাস্টবিন ও ধাতব ব্যারিকেড দিয়ে তৈরি ব্যারিকেডে আগুন দিলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে। আয়োজক ও বিক্ষোভকারীরা ফ্রান্সের অসন্তোষের সঙ্গে সাদৃশ্য তুলে ধরেন, আর সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত আহ্বানে ‘জেনজি রেজাল্ট!’ বা ‘জেন জির হাতে নিয়ন্ত্রণ!’ স্লোগানটি ব্যবহার করা হয়। জার্মানির তরুণ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গেও ব্যবহৃত এই বাক্যটির মিল রয়েছে, যা ইউরোপজুড়ে আন্দোলনের একটি থেকে অন্যটির অনুপ্রেরণা নেওয়ার চিত্র ফুটিয়ে তোলে। সূত্র: উইওন।

ফ্রান্সের মতো সুইজারল্যান্ডে শত শত মানুষের বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ২

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ ভোটের অভিযোগে বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে অবৈধভাবে ভোট দেওয়ার অভিযোগে মোহাম্মদ হাচিবুর রহমান (৩৩) নামে এক বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মেরিল্যান্ডের ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের ইউএস অ্যাটর্নি অফিস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।মেরিল্যান্ডের ইউএস অ্যাটর্নি কেলি ও. হেইস এবং এফবিআইয়ের বাল্টিমোর ফিল্ড অফিসের স্পেশাল এজেন্ট ইনচার্জ জিমি পল যৌথভাবে এ তথ্য প্রকাশ করেন।মামলার নথি অনুযায়ী, মার্কিন নাগরিক না হয়েও হাচিবুর রহমান ২০২৪ সালের নভেম্বরের নির্বাচনে ভোট দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ করা হয়েছিল।তবে মামলা দায়ের হওয়া মানেই তিনি অপরাধী, এমন নয়। আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইন অনুযায়ী তিনি নির্দোষ হিসেবে গণ্য হবেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে হাচিবুর রহমান সর্বোচ্চ এক বছরের ফেডারেল কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন। তবে ফেডারেল অপরাধের ক্ষেত্রে প্রকৃত সাজা সাধারণত সর্বোচ্চ শাস্তির চেয়ে কম হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের সাজা নির্ধারণের নির্দেশিকা ও আইনের অন্যান্য বিধান বিবেচনায় নিয়ে ফেডারেল জেলা আদালতের বিচারক সাজা নির্ধারণ করবেন। তদন্তে কাজের জন্য এফবিআইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অ্যাটর্নি কেলি ও হেইস। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার (আইসিই) ওয়াশিংটন ফিল্ড অফিসের বাল্টিমোর কার্যালয়ের সহায়তারও প্রশংসা করেন তিনি। মামলাটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি ফিলিপ মোৎসেকেও ধন্যবাদ জানান হেইস।

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ ভোটের অভিযোগে বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা

নেতানিয়াহু হেরে গেছেন, কটাক্ষ গোলানের

ইসরায়েলে সরকার গঠনের জন্য গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন জোটকে আরব দলগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটস নেতা ইয়ার গোলান। তিনি বলেছেন, আরব দলগুলোকে নিয়ে জোট গঠন করা হলে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া সম্ভব।ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এ তথ্য জানিয়েছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গোলান লেখেন, ‘নেতানিয়াহু হেরে গেছেন। আমি ১২০ পর্যন্ত গুনতে জানি। ৫৫-এর চেয়ে ৬৫ বেশি। এভাবেই ইসরায়েলের গণতন্ত্র কাজ করে।’ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাবেক উপপ্রধান গোলান আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে স্পষ্ট যে, ভয় ও বর্ণবাদ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তা না হলে ইসরায়েলে ভবিষ্যৎ গড়া কঠিন হবে।তিনি আরও বলেন, নেতানিয়াহুর অনুসরণ করা ইহুদি ও আরব ভোটারদের মধ্যে বিভাজনের রাজনীতি আর মেনে নেওয়া হবে না। ইহুদিবাদ বা জায়নবাদ প্রসঙ্গে গোলান লিখেছেন, নেতানিয়াহুর ব্লকে অ-জায়নবাদী হারেদি দলের ১৬ জন নেসেট সদস্য রয়েছেন। তাদের দলগুলো ব্যাপকভাবে সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ এড়িয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়, অথচ তাদের সন্তানদের বয়সী অন্যরা লড়াই করছেন এবং প্রাণ হারাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, নেতানিয়াহু যদি কেবল জায়নবাদী সংখ্যাগরিষ্ঠতার হিসাব করতে চান, তাহলে তাকে প্রথমে নিজের জোট থেকে অ-জায়নবাদী হারেদি দলগুলোর ১৬ জন সদস্যকে বাদ দিতে হবে। তারা জায়নবাদ নিয়ে অন্যদের উপদেশ দিতে পারেন না। গোলান উল্লেখ করেন, পরিবর্তনের পক্ষে থাকা জোটে জায়নবাদী সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে; ৪৯ আসনের বিপরীতে ৩৯ আসন। একইভাবে ইসরায়েলি সংখ্যাগরিষ্ঠতাও রয়েছে; ৫৫ আসনের বিপরীতে ৬৫ আসন। ভয় বন্ধ করে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ডেমোক্র্যাটস নেতা বলেন, আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। আর ইসরায়েলের আরব নাগরিকদের সঙ্গে অংশীদারত্ব করে পরিবর্তনের সরকার গঠনের সুযোগও আমাদের হাতে রয়েছে- যে সরকার সমস্ত ইসরায়েলি নাগরিকের সেবা করবে। এখন আমাদের সাহস প্রয়োজন। এর জন্য নেতৃত্ব দরকার। এদিকে ভোট গণনা চলার মধ্যে নেতানিয়াহুর জোট ৫৬টি আসন, গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার নেতৃত্বাধীন জোট ৪৮টি আসন এবং আরব দলগুলো ১৬টি আসনে রয়েছে।

নেতানিয়াহু হেরে গেছেন, কটাক্ষ গোলানের

ডিজেলের নামে ইরান থেকে জেট ফুয়েল আনছে মিয়ানমার সরকার

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এড়াতে জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে ইরান থেকে জেট ফুয়েল আনছে মিয়ানমার সরকার। তবে কাগজপত্রে এই জ্বালানি আমদানির কথা বলা হয়েছে ডিজেল হিসেবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের অনুসন্ধান ও স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে এমন তথ্য উঠে এসেছে।২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ‘রিফ’ নামের একটি ট্যাঙ্কার মিয়ানমারের জলসীমায় পৌঁছায়। জাহাজটিতে ছিল প্রায় ১ লাখ ১৩ হাজার ব্যারেল জ্বালানি। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা এই জাহাজটি জ্বালানি নিয়ে মিয়ানমারে আসে।মিয়ানমারের জ্বালানি ব্রোকার প্রতিষ্ঠান ডাইনামিক ওয়েভ দাবি করে, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ডিজেল আনা হয়েছে। এ জন্য থাইল্যান্ডের তাওয়ান-অয়েল ট্রেডিংয়ের সঙ্গে ১ কোটি ৫৮ লাখ ডলারের চুক্তিও করা হয়।তবে জাতিসংঘের বাণিজ্য তথ্য ও জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ভার্টেক্সার বিশ্লেষণে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। ওই সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মিয়ানমারে জ্বালানি সরবরাহের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।স্যাটেলাইট চিত্র ও সিনম্যাক্স ইন্টেলিজেন্সের জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্যেও উঠে এসেছে, ট্যাঙ্কারটি আসলে ইরানের বন্দর আব্বাস থেকে জেট ফুয়েল নিয়ে মিয়ানমারে পৌঁছেছিল। অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলন দমনে সাধারণ মানুষের ওপর বিমান হামলা চালানোর অভিযোগে ২০২৩ সালে মিয়ানমারের জেট ফুয়েল খাতের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে ইরানি জ্বালানি কেনার ওপরও মার্কিন কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা এড়াতেই জালিয়াতির পথ বেছে নেয় মিয়ানমার সরকার। রয়টার্স ও অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপ জাস্টিস ফর মিয়ানমার-এর হস্তগত হওয়া নথিতে দেখা গেছে, জাহাজটি পৌঁছানোর কয়েক দিন আগেই মিয়ানমারের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ডাইনামিক ওয়েভের ক্লায়েন্টকে চিঠি দিয়ে জানায় যে এই চালানটি ‘জেট ফুয়েলের পরিবর্তে ডিজেল’ হিসেবে নথিভুক্ত করা হবে। এই চালানের অর্থ পরিশোধের জন্য থাইল্যান্ডের প্রাচীনতম ব্যাংক সিয়াম কমার্শিয়াল ব্যাংক (এসসিবি)-এ রাখা তাওয়ানের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর অনুমতি দেয় সংস্থাটি। যদিও জাতিসংঘ পূর্বে এই ব্যাংক ও তাওয়ান সংস্থাকে জান্তার কাছে অস্ত্র ও জ্বালানি সরবরাহের মাধ্যম হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। এর আগেও ২০২৫ সালের মে মাসে একইভাবে নোবেল নামের একটি ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে ২ লাখ ২ হাজার ব্যারেল ইরানি জেট ফুয়েল ডিজেল পরিচয়ে মিয়ানমারে আনা হয়েছিল। সে সময় জাহাজটি বাংলাদেশ সীমানার চট্টগ্রাম বন্দরকে গন্তব্য হিসেবে ভুয়া সংকেত (লোকেশন সিগন্যাল) দিয়েছিল বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। রয়টার্স ও জাস্টিস ফর মিয়ানমার জান্তা সরকারের একটি অরক্ষিত সার্ভার থেকে এসব নথিপত্রের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। ২০২১ সালে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত অং সান সু চির সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখলের পর থেকে জান্তা বাহিনী বিমান হামলার মাধ্যমে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ হত্যা করেছে বলে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, তারা বেসামরিক ক্ষতি এড়াতে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এত জটিলতার পথ অবলম্বন করতে হলেও ইরান থেকে জ্বালানি আসার ধারাবাহিকতা থামেনি। ফলে একদিকে ইরান মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা পাচ্ছে, অন্যদিকে মিয়ানমার সরকার সামরিক বিমান হামলা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা ধরে রাখছে।

ডিজেলের নামে ইরান থেকে জেট ফুয়েল আনছে মিয়ানমার সরকার

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কমার আভাসে কমল তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমার সম্ভাবনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) তেলের দাম কমে আসে। এর আগে গত সপ্তাহে দাম বেড়ে প্রায় ছয় মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছেছিল। তবে সৌদি আরবে ধারাবাহিক হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে এখনও উদ্বেগ রয়েছে। তাই সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ১ ডলার ৭৬ সেন্ট কমে যায়। এতে প্রতি ব্যারেলের দাম দাঁড়ায় ১০১ ডলার ৫১ সেন্টে। দাম কমেছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ।অন্যদিকে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমেছে ১ ডলার ৪৯ সেন্ট। ১ দশমিক ২৮ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেলের দাম দাঁড়িয়েছে ১১৫ ডলার ২৩ সেন্টে।শুক্রবার সৌদি আরবে হুথিদের হামলার পর জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে। এর ফলে সেদিন তেলের দাম প্রায় ৩ ডলার বেড়ে যায়। সপ্তাহ শেষে ব্রেন্টের দাম বেড়েছিল ৬ শতাংশ। আর ডব্লিউটিআইয়ের দাম বেড়েছিল ২ দশমিক ৩ শতাংশ।এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা চলছে। এ লক্ষ্যে রোববার কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের রাজধানী তেহরানে যান। পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। এ ছাড়া মক্কা চুক্তিভুক্ত দেশ সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সোমবার তেহরানে ইরানের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে। ইরান-সমর্থিত হুথিদের সৌদি আরবে হামলা বৃহত্তর সংঘাতে চাপের জায়গা হয়ে ওঠার পর এটিই তাদের প্রথম উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ। ফিলিপ নোভার বাজার বিশ্লেষণপ্রধান প্রিয়াঙ্কা সচদেব বলেন, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সরবরাহ ঝুঁকি দৃঢ়ভাবে রয়ে গেছে। বর্তমান পতন মূলত অবস্থান সমন্বয় ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন, অন্তর্নিহিত সরবরাহ পরিস্থিতিতে অর্থপূর্ণ কোনও উন্নতির নয়। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরল সোমবার সিঙ্গাপুরে এক শিল্প সম্মেলনে সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কথা আবারও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০২৭ সালে জ্বালানি বাজার ইরান যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরবে বলে তিনি আশা করেন না।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কমার আভাসে কমল তেলের দাম

ইসরায়েলি অভিযান ও অবরোধে হেব্রনে বাস্তুচ্যুত ২,৬৪৯ জন

অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেব্রন গভর্নরেটজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক অভিযান চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। এ অভিযানে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৬৪৯ জনে দাঁড়িয়েছে।হেব্রন সাপোর্ট অ্যান্ড রিলিফ কমিটির তথ্য অনুযায়ী, অভিযান, অবরোধ, যানবাহন জব্দ এবং বাসিন্দাদের ওপর নির্যাতনের কারণে এসব মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।সোমবার (২৬ অক্টোবর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।স্থানীয় সূত্র জানায়, মধ্যরাতে সাঁজোয়া যান নিয়ে ইসরায়েলি সেনাদের নতুন একটি দল হেব্রনে প্রবেশ করে। তারা ফারশ আল-হাওয়া প্রবেশপথ দিয়ে শহরে ঢোকে।একই সময়ে ইসরায়েলি সেনারা শহরের দক্ষিণাঞ্চলেও অভিযান চালায়। এ সময় তারা বেশ কয়েকটি ফিলিস্তিনি গাড়ি জব্দ করে। হেব্রনের গভর্নর খালেদ দুদিন জানান, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনী ৭০ জন ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি বলেন, ‘সামরিক অভিযানের কারণে ৪৫০টিরও বেশি পরিবার গৃহহীন হয়েছে এবং ৫০০টি বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে।’ তিনি আরও যুক্ত করেন, ইসরায়েলি সেনারা ১২৮টি ফটক ও ১২০টি সেনাচৌকি বসিয়ে পুরো অঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। অন্যদিকে গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস শহরের উপকণ্ঠে ইসরায়েলি স্থল ও বিমান হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং ১০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন বলে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন। সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলি অভিযান ও অবরোধে হেব্রনে বাস্তুচ্যুত ২,৬৪৯ জন

রাহুল গান্ধীর কনভয়ে অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কা, আহত বেশ কয়েকজন

ভারতের উত্তর প্রদেশে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর কনভয়ের পাঁচটি গাড়ির সঙ্গে একটি অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে রাহুল গান্ধী নিরাপদ আছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর প্রকাশ করেছে।পুলিশ জানায়, রাজ্যের রাজধানী লখনৌ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ের হালিয়াপুর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। কনভয়ের পেছনের দিকে থাকা পাঁচটি গাড়ি সংঘর্ষে জড়ায়।আহতদের মধ্যে কংগ্রেসের দলীয় কর্মী ও নিরাপত্তাকর্মীরা রয়েছেন।দুর্ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অ্যাম্বুলেন্সটি ডান পাশের দ্রুতগতির লেনে চলছিল। অন্য লেনগুলোতেও অনেক গাড়ি কাছাকাছি অবস্থানে ছিল।সংঘর্ষের পর একটি স্করপিও গাড়ির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। ফুটেজে গাড়িটিকে অ্যাম্বুলেন্সের সামনে থেমে থাকতে দেখা গেছে। রাহুল গান্ধী আজ (সোমবার) লখনৌ বিমানবন্দরে নেমেছিলেন। সেখান থেকে তার কনভয় প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার দূরের সুলতানপুরের দিকে রওনা হয়। গন্তব্য থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে থাকতে দুর্ঘটনাটি ঘটে। সুলতানপুরে একটি বিশেষ এমপি-এমএলএ আদালতে হাজির হওয়ার কথা ছিল রাহুলের। বিজেপির সভাপতি থাকার সময় অমিত শাহর বিরুদ্ধে কথিত আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে করা মানহানি মামলায় তার হাজিরা দেওয়ার কথা। আজই মামলার রায় ঘোষণার সম্ভাবনা থাকায় রায় ঘোষণার সময় এই কংগ্রেস সংসদ সদস্যের সশরীরে উপস্থিত থাকা প্রয়োজন ছিল।

রাহুল গান্ধীর কনভয়ে অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কা, আহত বেশ কয়েকজন

সৌদি আরবে ভারতীয়দের জন্য দূতাবাসের সতর্কবার্তা

সৌদি আরবে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়তে থাকায় দেশটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দৃশ্য ধারণ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে না দেওয়ার জন্য নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ভারত। একই সঙ্গে সৌদি আরবে বসবাসরত ভারতীয়দের স্থানীয় আইন ও বিধিবিধান মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে দেশটিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।রোববার (২৫ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সৌদি সিভিল ডিফেন্স ডিরেক্টরেটের একটি সতর্কবার্তা পুনরায় প্রকাশ করে রিয়াদে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। এতে সৌদি আরবে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের স্থানীয় নিয়মকানুন মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার কার্যক্রমের দৃশ্য ধারণ, সেগুলো কোথায় আঘাত হেনেছে সেই সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করলে আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সম্প্রতি ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই নির্দেশনা দেওয়া হলো। একই সঙ্গে রিয়াদ ও দাম্মাম থেকে এয়ার ইন্ডিয়া এবং এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের ফ্লাইট আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত এবং জেদ্দায় ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ভারতীয় মিশন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেদ্দা ও মক্কায় ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু করেছে ভারতীয় কনস্যুলেট। ফ্লাইট বাতিলের ফলে সৃষ্ট ভিসা সংক্রান্ত সমস্যা সামলাতে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

সৌদি আরবে ভারতীয়দের জন্য দূতাবাসের সতর্কবার্তা

নবজাতকের মুখে পরিপাটি গোঁফ! ফাঁস হলো ডিজিটাল জালিয়াতির রহস্য

সদ্যোজাত এক শিশুর মুখে পরিপাটি করে ছাঁটা ঘন কালো গোঁফ—এমনই এক অবিশ্বাস্য দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা ও হাসির রোল। ইকুয়েডরের বলে দাবি করা ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়, হাসপাতালের বিছানায় থাকা নবজাতকটির ওপরের ঠোঁট এবং গালের কিছু অংশে স্পষ্ট কালো লোম রয়েছে, যা দেখতে অবিকল পূর্ণবয়স্ক পুরুষের গোঁফের মতো। ভিডিওটি মুহূর্তেই নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে কোটি মানুষের নজর কাড়লেও প্রশ্ন উঠেছে—চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এমন ঘটনা কি আদৌ সম্ভব, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে ডিজিটাল কারসাজি? ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা হাস্যরসে মেতে ওঠেন। শিশুটির অবয়ব দেখে নেটিজেনরা মন্তব্য করতে থাকেন, প্রথম পা ফেলার আগেই শিশুটি যেন জীবনের ‘মিড-লাইফ ক্রাইসিসে’ (মধ্যবয়সের সংকটে) পড়েছে। একজন ব্যবহারকারী রসিকতা করে লেখেন, ‘ছেলেটি কিন্ডারগার্টেন বাদ দিয়ে সরাসরি জীবনের মধ্যবয়সী হতাশায় ঢুকে পড়েছে।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘সে জন্মই নিয়েছে তিন সন্তানের বাবা হয়ে, সঙ্গে দুটি হোম লোন এবং অবসরের প্রস্তুতি নিয়ে।’ অন্য এক মন্তব্যে বলা হয়, ‘বয়স মাত্র দুই ঘণ্টা, কিন্তু তার মুখ দেখে মনে হচ্ছে ৯টা-৫টার করপোরেট চাকরি করতে করতে সে এখনই ক্লান্ত।’ শুধু মন্তব্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকেনি; সামাজিক মাধ্যমে শিশুটির ছবি নিয়ে শুরু হয় একের পর এক ব্যঙ্গাত্মক ‘ফটো এডিট’। ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া একটি সম্পাদিত ছবিতে দেখা যায়, শিশুটি কাঁধে সোনালি পাড়ের সামরিক পোশাক ও মেডেল পরে ‘সুপ্রিম লিডার’ নামফলক লাগানো এক টেবিলের পেছনে বসে আছে, পেছনে উত্তর কোরিয়ার পতাকা এবং স্লোগান লেখা ‘ছোট হাত, বড় পরিকল্পনা’। আরেকটি ছবিতে তাকে করপোরেট ব্লেজার পরিয়ে মুখে চুরুট ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে; অন্য একটি ছবিতে ভিডিও গেমের জনপ্রিয় চরিত্র ‘মারিও’র লাল টুপি ও ওভারঅল পোশাকে সাজানো হয়েছে। এমনকি মেটালিক হেলমেট ও বর্ম পরিয়ে প্রাচীন হান যোদ্ধার রূপেও তাকে উপস্থাপন করা হয়। তবে হাসির জোয়ার ছাপিয়ে প্রশ্ন উঠেছে চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়ে—একটি নবজাতকের কি সত্যিই এমন গোঁফ গজাতে পারে? চিকিৎসকদের মতে, মাতৃগর্ভে ভ্রূণের বিকাশের সময় কিছু শিশুর শরীরে ‘ল্যানুগো’ (Lanugo) নামের অতি সূক্ষ্ম ও নরম লোম তৈরি হয়, যা সাধারণত জন্মের আগেই কিংবা জন্মের পর প্রাকৃতিকভাবেই ঝরে যায়। অনেক সময় শিশু পিঠ, কাঁধ, কান কিংবা মুখে এই ধরনের পাতলা লোমের ছাপ নিয়ে জন্ম নিতে পারে। তবে ল্যানুগো অত্যন্ত পাতলা, বিবর্ণ ও হালকা রঙের হয়ে থাকে। প্রাপ্তবয়স্কদের মতো এমন ঘন, সুবিন্যস্ত ও গাঢ় কালো গোঁফ কোনোভাবেই ল্যানুগো হতে পারে না। চিকিৎসাবিজ্ঞানের কোনো নথিতেও এই ভিডিওর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ এমন ঘটনার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ মেলেনি। ভিডিওটির সত্যতা বিশ্লেষণ করে সাইবার ও ভিডিও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এটি স্পষ্টতই ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন বা ভিডিও সম্পাদনার কারসাজি। গভীর পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, শিশুটির মাথা ও মুখমণ্ডলের নড়াচড়ার সঙ্গে গোঁফটি স্বাভাবিকভাবে সরছে না; শিশুর মুখের প্রতিটি নড়াচড়ার সময় গোঁফের অংশে সূক্ষ্ম ‘গ্লিচ’ বা ফ্রেমের কাঁপুনি ধরা পড়ে। এ ছাড়া হাসপাতালের কক্ষের স্বাভাবিক আলো-ছায়া ও শিশুর গায়ের চামড়ার উজ্জ্বলতার সঙ্গে কৃত্রিমভাবে বসানো ওই কালো গোঁফের আলোর কোনো মিল নেই। ভিডিওটি যে হাসপাতালের দাবি করা হচ্ছে, সেই হাসপাতালের কোনো স্বীকৃতি, চিকিৎসকের বক্তব্য, শিশুর পরিবারের পরিচয় কিংবা কোনো মেডিকেল রেকর্ডের অস্তিত্বও কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকদের ধারণা, হাসপাতালে শুয়ে থাকা এক সাধারণ নবজাতকের আসল ভিডিওতে কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ফিল্টার কিংবা ডিজিটাল ফেস-ম্যাপিং টুলের সাহায্যে ইচ্ছাকৃতভাবে গোঁফটি জুড়ে দেওয়া হয়েছে, কেবল ইন্টারনেটে ভাইরাল করার উদ্দেশ্যে।    

নবজাতকের মুখে পরিপাটি গোঁফ! ফাঁস হলো ডিজিটাল জালিয়াতির রহস্য

ফুসফুসের ক্যানসার থেকে স্বস্তিতে পোপ লিও

পোপ লিওর ফুসফুসের ক্যানসারের অস্ত্রোপচারের পর আর কোনও চিকিৎসার প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসকেরা। তাদের দেওয়া বুধবার এই তথ্য থেকে ইঙ্গিত মিলেছে, ক্যানসারটি ফুসফুসের বাইরে ছড়ায়নি। তবে আগামী ৬ থেকে ১৭ নভেম্বর উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও পেরু সফরে পোপ যাবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া ৭১ বছর বয়সী এই ধর্মগুরুর সফরটি আগে থেকেই নির্ধারিত রয়েছে। গত ১৩ অক্টোবর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পোপের ডান ফুসফুসের নিচের অংশ অপসারণ করা হয়। তার ফুসফুসের অ্যাডেনোকার্সিনোমা শনাক্ত হয়েছিল, যা ফুসফুসের ক্যানসারের সবচেয়ে সাধারণ ধরণ। ভ্যাটিকানের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে চিকিৎসকেরা জানান, অপসারণ করা টিস্যুর চূড়ান্ত হিস্টোলজিক্যাল পরীক্ষা ও মলিকিউলার বায়োলজি বিশ্লেষণে রোগনির্ণয় নিশ্চিত হয়েছে। তবে রোগটি ফুসফুসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। পোপের প্রধান সার্জন স্টেফানো মারগারিটোরা ও ব্যক্তিগত চিকিৎসক লুইজি কারবোনে বিবৃতিতে বলেন, ‘পরবর্তী ক্যানসারবিষয়ক মূল্যায়নে নিশ্চিত হওয়া গেছে, আর কোনও চিকিৎসার প্রয়োজন নেই’। গত শনিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান পোপ লিও। এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক দায়িত্ব পালনে ফিরছেন তিনি। বুধবার তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে সাপ্তাহিক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে ফিরে আসেন পোপ। গত সপ্তাহে মারগারিটোরা বলেছিলেন, দক্ষিণ আমেরিকা সফরে পোপের বাধা হতে পারে এমন কোনও ‘ক্লিনিক্যাল কারণ’ নেই। তবে ভ্যাটিকানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন, সুস্থ হয়ে ওঠার সুবিধার্থে পোপকে তার সফরসূচির গতি কিছুটা কমাতে হতে পারে।সুত্রঃ রয়টার্স

ফুসফুসের ক্যানসার থেকে স্বস্তিতে পোপ লিও

ইরানে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহু-ট্রাম্পের মতভেদ

চলতি মাসের শুরুতে ইরানে সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু করতে রাজি হননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, গত ১০ অক্টোবরের সপ্তাহান্তে ইরানে হামলা চালানোর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, শাসকগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর, জ্বালানি কেন্দ্র এবং বেসামরিক অবকাঠামো।তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রগুলো জানায়, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ বা সংঘাত এড়াতে চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ কারণে ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর বিষয়ে তিনি সম্মতি দেননি। সূত্রগুলো আরও দাবি করেছে, এই পরিকল্পিত হামলাগুলো যদি বাস্তবায়িত হতো, তবে তা গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর পরিচালিত যৌথ হামলার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী ও তীব্র হতো। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েলের এই সম্ভাব্য হামলায় যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যোগ দিত কি না- তা স্পষ্ট নয়। তবে এক সূত্র পত্রিকাটিকে জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহগুলোতে পুনরায় এই হামলা শুরু হওয়ার বিষয়টি একেবারেই ‘অযৌক্তিক কোনও দৃশ্যপট বা অনুমান নয়’। এক সূত্রের তথ্যমতে, অতীতে যেসব বেসামরিক অবকাঠামো স্পর্শ করা হয়নি, সেগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে ইসরায়েল এবার তাদের হামলার লক্ষ্যের নতুন তালিকা প্রস্তুত করেছে। অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে আইডিএফ-এর পরিকল্পিত হামলার এই উদ্যোগ আলোচনার একটি কৌশল বা কৌশলগত চালও হতে পারে। তবে যুদ্ধ বা লড়াই পুনরায় শুরু করার যেকোনও সিদ্ধান্ত মূলত ট্রাম্পের ওপরই নির্ভর করছে। বিষয়টি নিয়ে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য করা হয়নি বলে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সম্প্রতি গোপনে ইসরায়েল সফর করেন এবং ‘অঞ্চলের হুমকি’ নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন। তার ওই গোপন সফরের ঠিক দুদিনের মাথায় এই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ পেলো। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর হামলা চালানোর জন্য চাপ দেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে গত ৯ অক্টোবর ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ওয়াশিংটন ইরানে কোনও হামলা চালাবে না। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কয়েকদিন আগেই খবর বেরিয়েছিল, আইডিএফ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির তার মার্কিন সমকক্ষদের জানিয়েছেন— এ ধরনের হামলার কারণে আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে যেতে পারে। জেরুজালেমের অনুমান, মার্কিন হামলা হলে ইরান ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণের মাধ্যমে এর জবাব দিতে পারে। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ গত সপ্তাহে জানিয়েছিল, নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আহ্বান জানিয়েছিলেন যাতে আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলের নির্বাচন এবং ৩ নভেম্বর মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জোরদার করা হয়।  সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ইরানে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহু-ট্রাম্পের মতভেদ

মঙ্গলগ্রহের উপগ্রহ থেকে নমুনা আনতে জাপানের মহাকাশযান উৎক্ষেপণ

মঙ্গলগ্রহের উপগ্রহ ‘ফোবোস’ থেকে পাথরের গুঁড়ো ও ধূলিকণা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করেছে জাপান। অভিযানটি সফল হলে মঙ্গলগ্রহ বা এর কোনো উপগ্রহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে এটি হবে প্রথম ঘটনা।জাপানের মহাকাশ সংস্থার নেতৃত্বে পরিচালিত ‘মার্স মুনস এক্সপ্লোরেশন’ (এমএমএক্স) নামের এই মিশনটি ২০২৭ সালের আগস্টে ফোবোসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। প্রথমে মহাকাশযানটি মঙ্গলের আরেকটি ছোট উপগ্রহ ডিমোস পর্যবেক্ষণ করবে। এরপর ফোবোসে একটি রোভার নামানো হবে।এই নমুনা বিশ্লেষণের দায়িত্বে থাকা ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের অধ্যাপক সারা রাসেল অভিযানটিকে যুগান্তকারী ও রোমাঞ্চকর বলে উল্লেখ করেছেন। তবে ফোবোসের মহাকর্ষ বল কম হওয়া এবং মঙ্গলের প্রবল মহাকর্ষীয় টানের কারণে সেখানে রোভার অবতরণ করানো বেশ কঠিন হবে বলেও জানান তিনি। ফোবোসে সফলভাবে অবতরণের পর একটি রোবোটিক বাহুর সাহায্যে প্রায় ১০ গ্রাম নমুনা সংগ্রহ করা হবে, যা ২০৩১ সালে একটি ক্যাপসুলে করে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার উমেরা মরুভূমিতে পৌঁছাবে। নমুনার পরিমাণ মাত্র ১০ গ্রাম হলেও লেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর ক্রিসা অ্যাভডেলিডু বলেন, একেকটি ক্ষুদ্র কণার ওপরও আমরা গবেষণা চালাতে পারি... বিজ্ঞানচর্চার জন্য কেজির পর কেজি নমুনা লাগে না। তাই প্রতিটি গ্রামই অত্যন্ত মূল্যবান। বিজ্ঞানীদের আশা, এই গবেষণার মাধ্যমে মঙ্গলগ্রহের দুটি উপগ্রহের সৃষ্টিরহস্য উন্মোচিত হবে। উপগ্রহ দুটি মঙ্গলে কোনও বিশালাকার সংঘর্ষের ফলে তৈরি ধ্বংসাবশেষ থেকে এসেছে, নাকি পথভ্রষ্ট দুটি গ্রহাণুকে মঙ্গলের মহাকর্ষ আটকে ফেলেছে, নমুনার রাসায়নিক ও খনিজ উপাদান পরীক্ষা করে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান সারা রাসেল। এছাড়া ফোবোসের গায়ে মঙ্গলের নিজস্ব কণাও গেঁথে থাকতে পারে, যা লাল গ্রহটির আদি ইতিহাস জানতে সাহায্য করবে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে সংকট চলায় নাসার মার্স স্যাম্পল রিটার্ন মিশন স্থগিত রয়েছে এবং চীন ২০২৮ সালে তাদের নিজস্ব মিশন চালুর পরিকল্পনা করছে। ফলে জাপানের এই নিষ্কলুষ ও অবিকৃত নমুনা সংগ্রহ মিশনটি বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীদের কাছে এখন বিপুল আগ্রহ তৈরি করেছে।

মঙ্গলগ্রহের উপগ্রহ থেকে নমুনা আনতে জাপানের মহাকাশযান উৎক্ষেপণ
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream