রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
Bangla FM
Topic Ads 1
বাব এল-মান্দেবে হুথিদের নিশানায় সৌদি-সংশ্লিষ্ট জাহাজ

বাব এল-মান্দেবে হুথিদের নিশানায় সৌদি-সংশ্লিষ্ট জাহাজ

হুথি বিদ্রোহীরা বর্তমানে ইয়েমেনের লোহিত সাগরীয় বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে কেবল সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা একলেডের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশ্লেষক ভ্যালেনটিন দ্যোতিয়ে। এপি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিপজ্জনক এলাকায় চলাচলের পরিসংখ্যান তুলে ধরে শিপিং তথ্য সংস্থা ‘উইন্ডওয়ার্ড’ জানিয়েছে, হুথিদের তৎপরতা শুরুর আগে বাব এল-মান্দেব দিয়ে দৈনিক ৩৫টি জাহাজ চলাচল করত, যা কমে ২৫টিতে নেমেছিল। তবে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে গত রোববার সেই সংখ্যা বেড়ে ৪৫টি জাহাজে উন্নীত হয়েছে। বিশ্লেষক ভ্যালেনটিন দ্যোতিয়ে জানান, বর্তমানে হুথিরা কেবল সৌদি আরব-সংশ্লিষ্ট জাহাজে নজর দিলেও সৌদি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে তারা ভবিষ্যতে লক্ষ্যবস্তুর পরিধি আরও বাড়াতে পারে। হুথিদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে চলা অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি। তিনি এসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, সৌদি আরব নিজেই ইয়েমেনের জলসীমায় জাহাজ চলাচল বন্ধ করে অন্যায্য অবরোধ চাপিয়ে দিয়েছে, যার জবাবে তারা এই ব্যবস্থা নিচ্ছেন। সূত্র: আল জাজিরা

হুথিদের মক্কামুখী হামলাকে ‘মহাপাপ’ বললেন দুই ইমাম

হুথি বিদ্রোহীদের মক্কাকে লক্ষ্য করে আক্রমণকে ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যের ওপর আঘাত এবং একটি ‘মহাপাপ’ বলে অভিহিত করেছেন দুই পবিত্র মসজিদের ইমামগণ। সৌদি গেজেটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। মক্কার মসজিদ আল-হারামের ইমাম ও খতিব শেখ বান্দার বালিলা শুক্রবারের খুতবায় জানান, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা ও নির্দোষ মানুষের জীবন রক্ষা করা একটি ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা। তিনি বলেন, আল্লাহর ঘর ও নবীর মসজিদকে লক্ষ্য বস্তু বানানোর স্পর্ধা যাদের রয়েছে, ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। ধ্বংসাত্মক কাজ ঢাকতে হুথিরা ধর্মীয় স্লোগানকে ব্যবহার করছে বলেও তিনি অভিযোগ তোলেন। অন্যদিকে মদিনার মসজিদে নববীর ইমাম শেখ আবদুল মহসিন আল-কাসিম বলেন, মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলা হুথিদের এই আক্রমণগুলো তাদের সন্ত্রাসবাদের ধারাবাহিকতারই অংশ। এই হামলাগুলো নিরপরাধ মুসলিমদের রক্তপাত ঘটানো এবং শান্তিতে থাকা মানুষকে আতঙ্কিত করার অপচেষ্টা মাত্র। প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই মক্কার দক্ষিণে একটি হুথি ড্রোন চিহ্নিত করে ধ্বংস করে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী। ইয়েমেনে বৈধ সরকারকে সহায়তাকারী সামরিক জোট জানায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ছটা ৫০ মিনিটে ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়। ২০১৭ সালের জুলাই মাসে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মক্কাকে লক্ষ্য করে এটি হুথিদের দ্বিতীয় আক্রমণ ছিল। শেখ বালিলা আরও বলেন, এসব হামলা সৌদি আরবের নেতৃত্ব ও জনগণের ঐক্যকে কেবল শক্তিশালীই করবে এবং দেশটি চিরকাল মুসলিমদের কিবলা হিসেবে অটুট থাকবে। সূত্র: সৌদি গেজেট

হুথিদের মক্কামুখী হামলাকে ‘মহাপাপ’ বললেন দুই ইমাম

ইরান যুদ্ধে মার্কিন সেনা মৃত্যু নিয়ে নতুন দাবি

ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে চলমান ইরান যুদ্ধে পেন্টাগনের প্রকাশ্যে স্বীকার করা তথ্যের তুলনায় বাস্তবে অনেক বেশি মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ছয় কর্মকর্তার পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ তথ্যের বরাতে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এই খবর জানানো হয়েছে। ওই কর্মকর্তাদের মধ্যে পাঁচজন জানান, যুদ্ধে অন্তত ২২ জন সেনা সদস্য মারা গেছেন, যা পেন্টাগনের প্রাতিষ্ঠানিক ডাটাবেজ ‘ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালিসিস সিস্টেম’ বা ডিসিএএস-এ প্রদর্শিত সংখ্যার চেয়ে চারটি বেশি। অন্য এক কর্মকর্তা জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প প্রশাসন ও ইসরায়েল যৌথভাবে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ২৩ জন মার্কিন সেনা এবং মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত তিনজন মার্কিন ঠিকাদার প্রাণ হারিয়েছেন। পেন্টাগনের প্রকাশ্য ডাটাবেজে ১৮ জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর কথা বলা হলেও চারজনের তথ্য বাদ দেওয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মৃতের সংখ্যা আড়াল করার ফলে নিহত সেনাদের স্বজনরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। পেন্টাগন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। রয়টার্স-ইপসোস জরিপ অনুযায়ী ট্রাম্পের ইরাননীতির প্রতি মার্কিন জনগণের অনিচ্ছা ও অসন্তোষ বাড়ছে। এর মধ্যেই রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় দলের বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা যুদ্ধ বন্ধে ও তথ্য বিকৃতি রুখতে নানা আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এমনকি যুদ্ধ পরিচালনা নিয়ে আইনি জটিলতার অভিযোগে প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের অভিশংসন দাবি করেছেন একজন রিপাবলিকান প্রতিনিধি। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের এক নথি অনুযায়ী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই যুদ্ধে আমেরিকার খরচ হয়েছে প্রায় ৪৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং আটশরও বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন, যাদের অনেকেই মস্তিষ্কে মারাত্মক আঘাত পেয়েছেন। সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

ইরান যুদ্ধে মার্কিন সেনা মৃত্যু নিয়ে নতুন দাবি

প্যারিসে ডাকাতির মামলায় কিমকে ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ দিল আদালত

ফ্রান্সের রাজধানীতে ২০১৬ সালে সশস্ত্র ডাকাতির শিকার হওয়ার ঘটনায় কিম কার্দাশিয়ানকে প্যারিসের একটি আদালত মঙ্গলবার ১ ইউরো (১.১৫ ডলার) ক্ষতিপূরণ দিয়েছে। এ তারকা এই পরিমাণ ক্ষতিপূরণই অবশ্য দাবি করেছিলেন। মামলার সঙ্গে যুক্ত একজন আইনজীবী এ তথ্য জানিয়েছেন। ডাকাতির এই ঘটনাটিকে কার্দাশিয়ান তার 'জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা' বলে বর্ণনা করেছিলেন। গত বছর আদালত এ ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে আটজনকে দোষী সাব্যস্ত করে।  এরপর থেকেই কার্দাশিয়ান এই স্মৃতি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এক যৌথ বিবৃতিতে তিনি ও তার স্টাইলিস্ট সিমন হারুশ ফ্রান্সের বিচারব্যবস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সংবাদ সংস্থা দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) দেওয়া ওই বিবৃতিতে বলা হয়, 'অভিজ্ঞতাটি ভীষণ যন্ত্রণাদায়ক ছিল। এর প্রভাব এখনো আমাদের মনে রয়ে গেছে। আজকের এই রায় শুধু ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয় নয়, বরং এটি জবাবদিহি ও স্বীকৃতির প্রমাণ।' বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'আদালত এবং এই পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে যারা আমাদের সমর্থন করেছেন, তাদের সবার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। আশা করি, এখন এই ঘটনা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে এবং মানসিক ক্ষত সারিয়ে তুলতে পারব।' ওই মামলার এক আইনজীবী জানান, আদালত হোটেল দ্য পোরতালেস-এর একজন সাবেক রিসেপশনিস্টকে ১ লাখ ৯ হাজার ৫১৬ ইউরো ক্ষতিপূরণ দিয়েছে। ডাকাত দল যখন কার্দাশিয়ানকে টার্গেট করে, তখন তিনি ওই হোটেলেই অবস্থান করছিলেন। ওই রিসেপশনিস্ট জানান, ২০১৬ সালের ২ অক্টোবর 'ফ্যাশন উইক' চলাকালে গয়না ডাকাতির ওই ঘটনায় তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তিনি ক্ষতিপূরণ ও সুদ বাবদ সাড়ে ৫ লাখ ইউরো দাবি করেছিলেন। তার আইনজীবী মোহান্দ উইদজা এই রায়কে বিজয় হিসেবে উল্লেখ করে স্বাগত জানিয়েছেন। কার্দাশিয়ান ও অন্যদের বিষয়ে দেওয়া আদালতের লিখিত রায়গুলো এপি-র সাংবাদিকের সামনে পড়ে শোনান এই আইনজীবী। আদালত ওই হোটেলকে ৫০ হাজার ইউরো ক্ষতিপূরণ দিয়েছে। এছাড়া ডাকাতির সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা কার্দাশিয়ানের স্টাইলিস্ট হারুশকেও তার দাবি করা ১ ইউরো দেওয়া হয়েছে। বিচার চলাকালে কার্দাশিয়ানের পক্ষে কাজ করা ফরাসি আইনজীবীরা চলতি সপ্তাহে এপি-র পক্ষ থেকে করা টেক্সট মেসেজ ও ফোনকলের সাড়া দেননি। ডাকাতদের মধ্যে দুজন পুলিশের ছদ্মবেশে জোরপূর্বক কার্দাশিয়ানের স্যুইটে প্রবেশ করে। তারা জিপ টাই ও টেপ দিয়ে কার্দাশিয়ানকে বেঁধে ৬০ লাখ ডলারেরও বেশি মূল্যের গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়। লুট হওয়া গয়নার মধ্যে একটি হীরার আংটিও ছিল; সেটি তিনি ওই রাতে গিভেঞ্চির এক শোতে পরেছিলেন। বয়সের কারণে ফ্রান্সে এই ডাকাতরা 'গ্র্যান্ডপা রবার্স' নামে পরিচিতি পান। সশস্ত্র ডাকাতি, অপহরণ, সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততা ও অন্যান্য অভিযোগে যখন তাদের বিচার হয়, তখন তাদের ছয়জনের বয়স ছিল ৬০ থেকে ৭০-এর কোঠায়। বিচার-পূর্ব আটকাবস্থায় এরইমধ্যে সাজা ভোগ করে ফেলায় দোষী সাব্যস্ত কাউকেই আর নতুন করে কারাগারে যেতে হয়নি। তাদের কেউ এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলও করেননি। ডাকাতদের দোষী সাব্যস্ত করার পর দেওয়া এক বিবৃতিতে কার্দাশিয়ান বলেন, 'এই মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য ফরাসি কর্তৃপক্ষের কাছে আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।' এই তারকা বলেন, 'ডাকাতির এই ঘটনা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা, যা আমার এবং আমার পরিবারের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। যা ঘটেছে, তা আমি কখনোই ভুলতে পারব না। তবে আমি মানুষের মানসিক উত্তরণ ও জবাবদিহির শক্তিতে বিশ্বাস করি এবং সবার ক্ষত সেরে ওঠার জন্য প্রার্থনা করি।'

প্যারিসে ডাকাতির মামলায় কিমকে ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ দিল আদালত

ইসরায়েল-মরক্কোর কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন অগ্রগতি

নিজেদের কূটনৈতিক সম্পর্ক দূতাবাস চালু এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও মরক্কো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলি সরকারের অফিসিয়াল আরবি অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতির বরাতে রয়টার্স এই খবর নিশ্চিত করেছে। আমেরিকায় জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজের উপস্থিতিতে নিউইয়র্কে আয়োজিত একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার এবং মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বোরিতা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা কূটনৈতিক মিশনগুলোকে দূতাবাসে উন্নীত করা এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগের পাশাপাশি ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। মার্কিন মধ্যস্থতায় ২০২০ সালের আব্রাহাম চুক্তির আওতায় যে চারটি আরব দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছিল, মরক্কো তার মধ্যে অন্যতম। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও সুদানও এই চুক্তিতে অংশ নিয়েছিল। এছাড়া মিশর ও জর্ডানের সঙ্গে ইসরায়েলের পূর্ব থেকেই শান্তি চুক্তি বিদ্যমান। আরব দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার এই পদক্ষেপ ফিলিস্তিনিদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং দখলকৃত ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি প্রত্যাহারের দীর্ঘদিনের আরব অবস্থানের ওপর এসব চুক্তি প্রভাব ফেলবে বলে তারা মনে করছেন। সূত্র: রয়টার্স

ইসরায়েল-মরক্কোর কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন অগ্রগতি

অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নিষেধাজ্ঞা

অস্ট্রেলিয়া অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। একই সঙ্গে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ব্যাকপ্যাকার ও তথাকথিত ‘ভিসা হপারদের’ ওপরও বিধিনিষেধ জোরদার করার। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক অভিবাসন ব্যবস্থাপনার ওপর উচ্চমানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার তাগিদ দিয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েট ভিসার নতুন নিয়মগুলো প্রকাশ করেন। ২০২৮ সালের মধ্যে নিট অভিবাসন ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সে দেশের সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভিসায় পরিবার আনার সুযোগ বন্ধ করা হলেও ইতোমধ্যে দেশে অবস্থানরত শিক্ষার্থী, প্যাসিফিক ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আবেদনকারী এবং পিএইচডি গবেষকরা এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবেন। পড়াশোনা শেষ করে নিম্নমানের কোর্সে ভর্তি হয়ে অবস্থান দীর্ঘায়িত করার বা ‘ভিসা হপিং’ প্রবণতাও বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো শিক্ষার্থী উচ্চতর ডিগ্রিতে ভর্তি হতে চাইলে সেই অনুমতি দেওয়া হবে। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6aab8a17957a6" ) ); ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার ক্ষেত্রে ব্যালট প্রথা চালু করা হচ্ছে। এর ফলে দ্বিতীয় বছরের সুযোগ পাওয়া আবেদনকারীর সংখ্যা ৪৫ হাজারে এবং তৃতীয় বছরের জন্য তা ৫ হাজারে সীমিত করা হবে। তবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির কারণে যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা এই পরিবর্তনের আওতায় পড়বেন না। অস্ট্রেলিয়ার পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ১২ মাসে দেশটির জনসংখ্যা ১.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২ কোটি ৭৯ লাখে পৌঁছেছে, যার মধ্যে নিট অভিবাসী ২ লাখ ৯২ হাজার ১০০ জন। জীবনযাত্রার ব্যয় ও আবাসন সংকট বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিবাসন সেখানে একটি প্রধান রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। নতুন এই নীতির সমালোচনা করে সেটেলমেন্ট সার্ভিসেস ইন্টারন্যাশনালের ভায়োলেট রুমেলিওটিস জানান, স্বল্পমেয়াদী রাজনীতির কারণে নেওয়া এসব সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মেধাবীদের আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়াকে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে দেবে। সূত্র: বিবিসি

অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নিষেধাজ্ঞা

হুথিদের সামরিক হামলা নিয়ে জাতিসংঘে পাকিস্তানের কড়া ভাষণ

সৌদি আরবে হুথিদের সামরিক আক্রমণ নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভাষণ দেওয়ার সময় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমেদ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আসিম ইফতিখার আহমেদ বলেন, ‘ইয়েমেনের অভ্যন্তরে হুথিদের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি, সৌদি আরবের ওপর অব্যাহত হামলা এবং লোহিত সাগর উপকূলে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত পুরো পরিস্থিতিকে একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক মোড়ে নিয়ে এসেছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, পাকিস্তান সৌদি আরবের ওপর হুথি বাহিনীর পরিচালনা করা সমস্ত হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। সেই সঙ্গে অঞ্চলে বিদ্যমান উত্তেজনা প্রশমন এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারে সর্বোচ্চ স্তরে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার রাখার বিষয়ে পাকিস্তানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। সূত্র: ডন

হুথিদের সামরিক হামলা নিয়ে জাতিসংঘে পাকিস্তানের কড়া ভাষণ

হরমুজে আরও এক ‘এমকিউ-১’ ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের

আরও একটি ‘এমকিউ-১’ ড্রোন হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমায় ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।। আইআরজিসি জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোর থেকে শুরু হওয়া সামরিক তৎপরতার মধ্যে এটি ড্রোন ভূপাতিতের দ্বিতীয় ঘটনা। মেহর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালি ও তার আশপাশের এলাকায় ইরানি বাহিনীর পরিচালিত অভিযানে এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-নির্মিত মোট চারটি এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করা হলো। প্রধানত নজরদারি ও রেকি অভিযানের কাজে ব্যবহৃত এই ড্রোনগুলোকে কেন্দ্র করে কৌশলগত জলসীমায় উত্তেজনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজে আরও এক ‘এমকিউ-১’ ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের

পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে ১০০ দিন ধরে ইন্টারনেট বন্ধ

টানা ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে মোবাইল ডেটা ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা বিচ্ছিন্ন রয়েছে। গত জুন মাসে নির্বাচনী সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। চলমান অস্থিরতার মধ্যেই তিন দফায় অঞ্চলটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং ১০ আগস্ট শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নতুন সরকার গঠিত হলেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় এই ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের প্রভাব বহাল রয়েছে। অনলাইন ব্যাংকিং অ্যাপ ও ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় স্থানীয় ব্যবসায়িক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেই সঙ্গে শিক্ষা বর্ষের সার্বিক অচলাবস্থার কারণে প্রবেশিকা পরীক্ষাসমূহ স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন। ইন্টারনেট নজরদারি সংস্থা নেটব্লকস নিশ্চিত করেছে, গত ৫ জুন থেকে এই আংশিক ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর রয়েছে। ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই পুরো কাশ্মীর অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব দাবি করলেও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত অংশে একটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত শাসনব্যবস্থা চালু রয়েছে। এই ব্যবস্থার অধীনে ৪৫ আসনের আইনসভায় ভারতে বসবাসরত কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য ১২টি আসন সংরক্ষিত রাখা হয়। এই আসনগুলো বাতিলের দাবিতে ‘জম্মু কাশ্মীর জয়েন্ট অ্যাওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’ (জেকেজেএএসি) আন্দোলন শুরু করলে ৫ জুন সংস্থাটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর শুরু হওয়া সহিংস বিবাদে সাতজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ অর্ধশতাধিক মানুষ প্রাণ হারান বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বিক্ষোভে উত্তাল বেশ কিছু এলাকায় ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়। পরবর্তীতে বাকি আসনগুলোর ফলাফল নিয়েই নতুন আঞ্চলিক সরকার গঠন করা হয়েছে। সূত্র: অল জাজিরা

পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে ১০০ দিন ধরে ইন্টারনেট বন্ধ

বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই পশ্চিমবঙ্গে বাজারে গরুর মাংসের সংকট

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতায় আসার পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে কঠোর কড়াকড়ি ও সরবরাহ সংকটের কারণে বাজার থেকে গোরুর মাংস প্রায় দেখায় যাচ্ছে না। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জানানো হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি রাজ্য সরকার গঠন করার পরই এই প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। গত ১৩ মে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৯৫০ সালের পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোরভাবে মেনে চলার আদেশ জারি করে। এই নীতি অনুযায়ী ১৪ বছরের বেশি বয়সী, প্রজনন বা কাজের অনুপযোগী অথবা গুরুতরভাবে পঙ্গু পশু ছাড়া গোরু বা মহিষ জবাইয়ের জন্য ফিটনেস সনদ প্রদান নিষিদ্ধ করা হয় এবং কেবল নির্ধারিত কসাইখানায় জবাইয়ের অনুমতি দেওয়া হয়। কলকাতার ট্যাংরায় অবস্থিত শহরের একমাত্র পৌর কসাইখানাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং কসাইদের ব্যবসার লাইসেন্স নবায়ন স্থগিত থাকায় সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। মেয়র ফরহাদ হাকিমের পদত্যাগের পর পৌরসভা ভেঙে দেওয়া এবং আগামী ডিসেম্বরে নির্বাচনের দিন ধার্য থাকায় লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া পুরোপুরি থমকে গেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় কলকাতায় গোরুর মাংসের দাম কেজিতে ২০০-২৫০ রুপি থেকে বেড়ে ৩৫০-৫০০ রুপিতে পৌঁছেছে, অন্যদিকে এক প্লেট ভুনা মাংসের দাম ১০০ থেকে বেড়ে ১২০ রুপি হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ব্যবসা ৫০ শতাংশের বেশি কমে গেছে এবং নিরাপত্তার ভয়ে সাধারণ মানুষ প্রকাশ্যে এই মাংস খাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন। আইনের কঠোর প্রয়োগের কারণে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী রেস্তোরাঁ অলি পাব ও জাম জামসহ বহু প্রতিষ্ঠান তাদের খাদ্য তালিকা থেকে গোরুর মাংসের পদ বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে। এমনকি অনেক মাংস ব্যবসায়ী ও খামারি লোকসান সামলাতে কম দামে গবাদিপশু বিক্রি করে ছাগলের ব্যবসায় আত্মনিয়োগ করছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর কিংবা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মালদার মতো জেলাগুলোতে কড়াকড়ির কারণে এখন রাতে গোপনে ও গোপন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গোরুর মাংস সরবরাহ করা হচ্ছে।  সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্যের ১০ দশমিক ৪ শতাংশ গ্রামীণ এবং ৭ দশমিক ৯ শতাংশ শহুরে পরিবার গোরুর মাংস গ্রহণ করত, যার মধ্যে মুসলিমদের দুই-তৃতীয়াংশের পাশাপাশি খ্রিস্টান, দলিত ও আদিবাসী জনগোষ্ঠী অন্তর্ভুক্ত ছিল। ট্যাংরা কসাইখানা ও লাইসেন্স নবায়নের বিষয়ে কলকাতা পৌরসংস্থার কমিশনার স্মিতা পান্ডে জানান, বিষয়টি প্রাণী সম্পদ বিকাশ বিভাগের আওতাধীন। তবে প্রাণী সম্পদ বিভাগের পরিচালক নিখিল কুমার শেঠ কসাইখানা পরিচালনা ও ফিটনেস সনদ প্রদানের যাবতীয় দায়িত্ব পৌরসংস্থার ওপর ন্যস্ত করেছেন। সূত্র: আল জাজিরা

বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই পশ্চিমবঙ্গে বাজারে গরুর মাংসের সংকট

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথমবারের মতো পৃথিবীর কক্ষপথে মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন বিমানবাহিনীর সচিব ট্রয় মেঙ্ক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  সোমবার বিমান, মহাকাশ ও সাইবার সম্মেলনে ট্রয় মেঙ্ক জানান, শত্রুভাবাপন্ন শত্রুর আক্রমণ থেকে মার্কিন বাহিনীকে রক্ষা করতে কক্ষপথে এই ধরনের অস্ত্র স্থাপন আবশ্যক ছিল। যুক্তরাষ্ট্র বিকাশমান হুমকির মোকাবেলা করতে প্রস্তুত উল্লেখ করলেও এই অস্ত্রের ধরন বা কবে এটি স্থাপন করা হয়েছে তা নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি তিনি। ট্রাম্প প্রশাসন তাদের প্রস্তাবিত ‘গোল্ডেন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অধীনে মহাকাশভিত্তিক প্রযুক্তি ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে, যা ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশপথের অন্যান্য হুমকি প্রতিরোধ করবে। ১৯৬৭ সালের একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে মহাকাশে গণবিধ্বংসী অস্ত্র নিষিদ্ধ করা হলেও যোগাযোগ ও নজরদারি স্যাটেলাইট অকার্যকর করার মতো অন্যান্য প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন। যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্সের এক মুখপাত্র জানান, প্রয়োজনবোধে শত্রুপক্ষের সামরিক সক্ষমতা ব্যাহত, অকার্যকর বা ধ্বংস করতে কাইনেটিক ও নন-কাইনেটিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। কমান্ডারের নির্দেশনায় এসব ক্ষমতা আক্রমণাত্মক ও আত্মরক্ষামূলক উভয় কাজেই ব্যবহার করা যেতে পারে। ২০১৯ সালে গঠিত মার্কিন স্পেস ফোর্স মূলত আমেরিকান স্যাটেলাইট ও মহাকাশীয় সম্পদ রক্ষায় কাজ করছে। গত বছর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে এই বাহিনীকে আত্মরক্ষার পাশাপাশি আক্রমণাত্মক ভূমিকা পালনেরও নির্দেশনা প্রদান করেন। মার্কিন গোয়েন্দাদের দাবি অনুযায়ী, রাশিয়া ও চীন তাদের সামরিক আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে মহাকাশকে যুদ্ধক্ষেত্র মনে করছে। ২০২৪ সালে রাশিয়া অন্য স্যাটেলাইটে হামলার উপযোগী কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠায় এবং ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে প্রায় এক ডজন ইউরোপীয় স্যাটেলাইটের তথ্য রাশিয়ান উপগ্রহ আড়ি পেতেছে বলে মার্কিন তথ্যে জানা যায়। সূত্র: বিবিসি

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের  কথা স্বীকার করল  যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের বাণিজ্যে ভারতের জায়গা নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য হ্রাস এবং মার্কিন পণ্যের আমদানি নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারে পরিণত হয়েছে। ফার্স্টপোস্টে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে। বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাম্প্রতিক তথ্যের বরাতে ফার্স্টপোস্ট জানায়, গত অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৬৭ কোটি ডলারে। অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭২ কোটি ডলার, যা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে প্রায় ১৯৫ কোটি ডলার কম। যদিও সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে চীন, তবে এই নতুন পরিবর্তনটি ভারতের জন্য অত্যন্ত তাত্পর্যপূর্ণ। মূলত দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্য দিয়েই এই পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ তুলনামূলক অনেক বেশি পণ্য ক্রয় করায় এই বাণিজ্য ব্যবধান তৈরি হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি ২৪৯ কোটি ডলার থেকে ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। বিপরীতে ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি কমেছে প্রায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ভারতে রপ্তানি হ্রাস পেয়েছে প্রায় ৩ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক সংক্রান্ত নীতি ও আলোচনার অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন থেকে ক্রয় বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয় ঢাকা, যার ফলে দুই দেশের বাণিজ্যে এই উল্লেখযোগ্য গতি এসেছে। তৈরি পোশাক খাতের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রেও ভারতের অবস্থান পিছিয়ে পড়ার চিত্র স্পষ্ট দেখা গেছে। সূত্র: ফার্স্টপোস্ট

বাংলাদেশের বাণিজ্যে ভারতের জায়গা নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

পরমাণু কর্মসূচিতে উত্তর কোরিয়ার নতুন পদক্ষেপ

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসি নিশ্চিত করেছেন উত্তর কোরিয়া একটি নতুন দোতলা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নির্মাণ করেছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য জানিয়ে একে ‘গভীর উদ্বেগের বিষয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। নতুন ভবনটি উত্তর কোরিয়ার প্রধান ইয়ংবিয়ন পারমাণবিক কমপ্লেক্সের অংশ। সেখানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য ২৮টি পর্যন্ত সেন্ট্রিফিউজ ক্যাসকেড স্থাপনের সুযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। আইএইএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক অবকাঠামোর ধারাবাহিক বিস্তার ঘটিয়ে চলেছে। ২০০৯ সালে পরিদর্শকদের বহিষ্কার করার পর থেকে আইএইএ মূলত স্যাটেলাইট ছবির ওপর ভিত্তি করে তাদের পর্যবেক্ষণ পরিচালনা করে আসছে। আইএইএ প্রধান রাফায়েল গ্রোসি এক বিবৃতিতে জানান, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির এই বিস্তার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবনার স্পষ্ট লঙ্ঘন। এর আগে গত ৩ জুন দেশটির শীর্ষ নেতা কিম জং উন নবনির্মিত এই পারমাণবিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশংসা করেন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক এডওয়ার্ড হাওয়েল জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির উদ্বেগের প্রধান কারণ হলো ইয়ংবিয়নের বাইরে ক্যাংসনের মতো আরও অনেক গোপন কেন্দ্র রয়েছে যা চিহ্নিত করা কঠিন। ক্যাংসন সেন্টারে গত বছরের শুরুতে একটি নতুন ভবন নির্মাণের পরচলতি বছরের জানুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু হওয়ার লক্ষণ দেখা গেছে। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6aa78e8fed5f6" ) ); আন্তর্জাতিক আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে, যা ২০২২ সালের এক গবেষণা প্রতিবেদনে প্রায় ৬৪ কোটি ডলার বলে উল্লেখ করা হয়। ২০১৭ সাল থেকে দূরপাল্লার আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ একাধিক পরীক্ষা চালিয়েছে পিয়ংইয়ং। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে ষষ্ঠ পারমাণবিক পরীক্ষার পর ২০২২ সালে নিজেদের পারমাণবিক ক্ষমতার অধিকারী দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে তারা। চলতি বছরের আগস্টে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়াং যুদ্ধ অবসানে উত্তর কোরিয়াকে আলোচনার প্রস্তাব দেন এবং বার্ষিক ১৫ থেকে ২০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড উৎপাদন বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জং উনের মধ্যে চুক্তির সমর্থনে মত দেন। তবে উত্তর কোরিয়া এখনো এই প্রস্তাবের কোনো উত্তর দেয়নি। সূত্র: বিবিসি

পরমাণু কর্মসূচিতে উত্তর কোরিয়ার নতুন পদক্ষেপ

‘মার্কিন অস্ত্রেই প্রাণ যাচ্ছে গাজার শিশুদের’

মার্কিন কংগ্রেস সদস্য রাশিদা তলাইব গাজায় চলমান নৃশংসতার ঘটনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অংশীদারিত্বের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, গাজায় শিশুদের জীবন যাচ্ছে মার্কিন নির্মিত প্রাণঘাতী অস্ত্রের আঘাতেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় রাশিদা তলাইব উল্লেখ করেন, ‘গণহত্যা এখনো চলছে’ এবং ‘মার্কিন নির্মিত বোমার আঘাতে শিশুরা প্রাণ হারাচ্ছে, আর যারা বেঁচে থাকছে তারা সারাজীবনের জন্য মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।’ জাতিগত নিধনের মতো এসব জঘন্য ও নৃশংস কর্মকাণ্ডে মার্কিন প্রশাসনের সব ধরনের সহায়তা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানান তিনি। সূত্র: আল জাজিরা

‘মার্কিন অস্ত্রেই প্রাণ যাচ্ছে গাজার শিশুদের’

রুশ তেল স্থাপনায় হামলা নিয়ে জেলেনস্কিকে ট্রাম্পের বার্তা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে রাশিয়ার ডিজেল শোধনাগারগুলোতে আক্রমণ বন্ধ করতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে অনুরোধ করেছেন। আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়ারল্যান্ড সফর শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে ওয়াশিংটন ডিসিতে ফেরার পথে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, রাশিয়ার জ্বালানি উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটায় বৈশ্বিক সরবরাহে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। ট্রাম্প বলেন, ‘ইউক্রেন ও রাশিয়াকে নিয়ে আমার মূল সমস্যা হলো বিশ্ববাজারের সিংহভাগ ডিজেল আসে রাশিয়া থেকে, আর সেই রাশিয়ার প্ল্যান্টগুলোতেই হামলা চালাচ্ছে ইউক্রেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে ডিজেল প্ল্যান্ট ও শোধনাগারগুলোতে হামলা না করার জন্য অনুরোধ করেছি।’ রাশিয়া থেকে ডিজেল বাজারে আনা কঠিন হয়ে পড়ায় এর মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সতর্ক করেন, এই পরিস্থিতি সমগ্র বিশ্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং এটি এখনই বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

রুশ তেল স্থাপনায় হামলা নিয়ে জেলেনস্কিকে ট্রাম্পের বার্তা

পুতিনের বর্জ্য নিয়ে অদ্ভুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ব্যবহৃত বর্জ্য বা মল-মূত্র ভারত সফর শেষে সিলগালা করা ব্রিফকেসে সংগ্রহ করে মস্কোতে নিয়ে যাওয়া হবে। কোনো বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা যাতে তার শারীরিক অবস্থা বা স্বাস্থ্যের তথ্য বিশ্লেষণ করতে না পারে, সেজন্যই এমন অদ্ভুত ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। পুতিনের বডিগার্ডরা এই বর্জ্য সংগ্রহ করে সিলগালা ব্রিফকেসে করে বিমানে তুলে দেন। ২০১৭ সালে ফ্রান্স, ২০১৯ সালে সৌদি আরব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আলাস্কা সফরের সময়ও পুতিনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল। বিসিবি-র প্রাক্তন সাংবাদিক ফরিদা রুস্তমোভা জানান, ১৯৯৯ সালে নেতৃত্ব শুরুর পর থেকেই পুতিন এই নিয়ম মেনে চলছেন এবং বিদেশ সফরে বহনযোগ্য বিশেষ টয়লেট ব্যবহার করেন। রাশিয়ার ফেডারেটর প্রোটেক্টিভ সার্ভিস (এফএসও) পুতিনের বিদেশ সফরের এই চরম গোপনীয় ও সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিচালনা করে। তার দৃশ্যমান নিরাপত্তারক্ষীদের পেছনে রয়েছে এক অদৃশ্য নিরাপত্তার জাল, যার মধ্যে এলিট প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিসের (এসবিপি) বিশেষ প্রশিক্ষিত সদস্যরা কাজ করেন। এই রক্ষীদের বয়স ৩৫ বছরের কম, উচ্চতা ১৮০ সেন্টিমিটারের বেশি এবং তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হয়। পুতিনের খাবারে বিষপ্রয়োগ এড়াতে তার প্রতিটি খাবার তৈরির আগে উপাদান ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। এরপর রাঁধুনিদের তৈরি সেই খাবার পুতিনকে পরিবেশনের আগে নিরাপত্তারক্ষীরা নিজেরা খেয়ে পরীক্ষা করেন। পুতিন সাধারণত ফাস্টফুড এবং রাতে অতিরিক্ত মাংস এড়িয়ে চলেন এবং সরকারি অনুষ্ঠানে আদা বা গোলাপের চা পান করেন।  বিদেশ সফরে পুতিন গ্রেনেড-প্রতিরোধী ও জরুরি অক্সিজেন সমৃদ্ধ ‘রাসায়নিক বুলেটপ্রুফ’ আউরাস সেনাট লিমুজিন গাড়ি ও ‘ডুমসডে প্লেনে’ ভ্রমণ করেন। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত ‘ইলিউশিন আইএল-৯৬-৩০০পিইউ’ বিমানে সুরক্ষিত যোগাযোগ ব্যবস্থা, জিম, মেডিকেল সেন্টার এবং পারমাণবিক হামলার নির্দেশ দেওয়ার মতো আধুনিক সরঞ্জাম রয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি

পুতিনের বর্জ্য নিয়ে অদ্ভুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream