জাতীয় পর্যায়ে সফল আত্মকর্মী হিসেবে অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছেন নাটোরের লালপুর উপজেলার যুব উদ্যোক্তা মো. আব্দুল মোতালেব রায়হান। জাতীয় যুব পুরস্কার ২০২৬-এ সফল আত্মকর্মী ক্যাটাগরিতে সারা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন তিনি। তাঁর এ অর্জনে গর্বিত লালপুরবাসী। পুরস্কার হিসেবে তিনি পাচ্ছেন নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুব-১ শাখা থেকে গত ২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে জাতীয় যুব পুরস্কার ২০২৬-এর ক্যাটাগরিভিত্তিক চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় সফল আত্মকর্মী ক্যাটাগরিতে জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী হিসেবে নাটোর জেলার আব্দুল মোতালেব রায়হানের নাম স্থান পেয়েছে।
প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, সফল আত্মকর্মী ক্যাটাগরিতে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের মধ্যে রায়হান দ্বিতীয় হয়েছেন। এ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জনকারীকে ২ লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারীকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারীকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।
আব্দুল মোতালেব রায়হানের বাড়ি নাটোরের লালপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামে। তাঁর পিতার নাম মো. মজিবুর রহমান এবং মাতার নাম মোছা. রওশনআরা বেগম। তাঁর পরিচালিত ‘গরু মোটাতাজাকরণ ও সমন্বিত খামার প্রকল্প’ সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে এ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতকে ঘিরে আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গরু মোটাতাজাকরণ ও সমন্বিত খামার প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে একজন যুবক নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার সুযোগ তৈরি করতে পারেন। রায়হানের এ জাতীয় স্বীকৃতি স্থানীয় পর্যায়ে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখাতেও ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জাতীয় পর্যায়ে এমন স্বীকৃতি অর্জনের মধ্য দিয়ে লালপুরের নাম দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তুলে ধরেছেন রায়হান। তাঁর এ সাফল্যে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর এ অর্জন বেকারত্ব দূরীকরণে আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার সম্ভাবনাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
মতামত