বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

কায়রোতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিকের মরদেহ ফেরাতে দুই দেশের কূটনৈতিক উদ্যোগ


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

কায়রোতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিকের মরদেহ ফেরাতে দুই দেশের কূটনৈতিক উদ্যোগ
ছবি: সংগৃহীত

মিশরের রাজধানী কায়রোতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিক আলমগীর চৌধুরী। গত রবিবার (২৫ অক্টোবর) কায়রোর নিউ কায়রোর হেলিওপোলিস হাসপাতালে (Heliopolis Hospital) শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 

আলমগীর চৌধুরী মারা যাওয়ার পর তাঁর মরদেহ জার্মানিতে, নাকি বাংলাদেশে পাঠানো হবে-তা নিয়ে পরিবারের ইচ্ছা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। এদিকে তাঁর মরদেহ দেশে ফেরানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে কায়রোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলমগীর চৌধুরী চলতি বছরের ৮ অক্টোবর মিশরে আসেন। ১৭ দিনের মাথায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর পরিচয় ও পারিবারিক তথ্য যাচাই-বাছাই করে জানা গেছে, তিনি জার্মানির নাগরিক ছিলেন। তাঁর কাছে জার্মান পাসপোর্টের পাশাপাশি বাংলাদেশি পাসপোর্টও রয়েছে বলে জানা গেছে।

আলমগীর চৌধুরীর গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার সদর উপজেলার উকিলপাড়া গ্রামে। তাঁর পিতার নাম মৃত মোজাম্মেল হক চৌধুরী এবং মাতার নাম জাহান আরা বেগম চৌধুরী। জার্মান নাগরিকত্ব থাকলেও বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক ও বংশগত সম্পর্ক রয়েছে।

মরদেহ কোথায় পাঠানো হবে, সে বিষয়ে দু’টি সম্ভাবনা রয়েছে। জার্মান সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিলে মরদেহ জার্মানিতে পাঠানোর ব্যবস্থা হতে পারে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে অবস্থানরত তাঁর পরিবারের সদস্যরা মরদেহ দেশে ফিরিয়ে নিতে চাইলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।

এ বিষয়ে কায়রোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমসচিব জাকির হোসেন জানান, মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে কিছু প্রক্রিয়া জার্মান দূতাবাসের মাধ্যমে এবং বাকি প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। 

তিনি বলেন, আলমগীর চৌধুরীর বিষয়ে যাবতীয় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে কায়রোতে অবস্থিত জার্মান দূতাবাসকেও বিষয়টি অবহিত করা হবে। মরদেহ দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের সদস্যদের ইচ্ছা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, প্রবাসের মাটিতে একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকের এমন মৃত্যুতে তাঁর পরিবারের কাছে মরদেহ পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি মানবিক গুরুত্ব বহন করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বিষয় : বাংলাদেশি মরদেহ দেশে জার্মান নাগরিক

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


কায়রোতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিকের মরদেহ ফেরাতে দুই দেশের কূটনৈতিক উদ্যোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মিশরের রাজধানী কায়রোতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিক আলমগীর চৌধুরী। গত রবিবার (২৫ অক্টোবর) কায়রোর নিউ কায়রোর হেলিওপোলিস হাসপাতালে (Heliopolis Hospital) শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 

আলমগীর চৌধুরী মারা যাওয়ার পর তাঁর মরদেহ জার্মানিতে, নাকি বাংলাদেশে পাঠানো হবে-তা নিয়ে পরিবারের ইচ্ছা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। এদিকে তাঁর মরদেহ দেশে ফেরানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে কায়রোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলমগীর চৌধুরী চলতি বছরের ৮ অক্টোবর মিশরে আসেন। ১৭ দিনের মাথায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর পরিচয় ও পারিবারিক তথ্য যাচাই-বাছাই করে জানা গেছে, তিনি জার্মানির নাগরিক ছিলেন। তাঁর কাছে জার্মান পাসপোর্টের পাশাপাশি বাংলাদেশি পাসপোর্টও রয়েছে বলে জানা গেছে।

আলমগীর চৌধুরীর গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার সদর উপজেলার উকিলপাড়া গ্রামে। তাঁর পিতার নাম মৃত মোজাম্মেল হক চৌধুরী এবং মাতার নাম জাহান আরা বেগম চৌধুরী। জার্মান নাগরিকত্ব থাকলেও বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক ও বংশগত সম্পর্ক রয়েছে।

মরদেহ কোথায় পাঠানো হবে, সে বিষয়ে দু’টি সম্ভাবনা রয়েছে। জার্মান সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিলে মরদেহ জার্মানিতে পাঠানোর ব্যবস্থা হতে পারে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে অবস্থানরত তাঁর পরিবারের সদস্যরা মরদেহ দেশে ফিরিয়ে নিতে চাইলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।

এ বিষয়ে কায়রোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমসচিব জাকির হোসেন জানান, মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে কিছু প্রক্রিয়া জার্মান দূতাবাসের মাধ্যমে এবং বাকি প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। 

তিনি বলেন, আলমগীর চৌধুরীর বিষয়ে যাবতীয় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে কায়রোতে অবস্থিত জার্মান দূতাবাসকেও বিষয়টি অবহিত করা হবে। মরদেহ দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের সদস্যদের ইচ্ছা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, প্রবাসের মাটিতে একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকের এমন মৃত্যুতে তাঁর পরিবারের কাছে মরদেহ পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি মানবিক গুরুত্ব বহন করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream