বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
কায়রোতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিকের মরদেহ ফেরাতে দুই দেশের কূটনৈতিক উদ্যোগ

কায়রোতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিকের মরদেহ ফেরাতে দুই দেশের কূটনৈতিক উদ্যোগ

মিশরের রাজধানী কায়রোতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিক আলমগীর চৌধুরী। গত রবিবার (২৫ অক্টোবর) কায়রোর নিউ কায়রোর হেলিওপোলিস হাসপাতালে (Heliopolis Hospital) শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।  আলমগীর চৌধুরী মারা যাওয়ার পর তাঁর মরদেহ জার্মানিতে, নাকি বাংলাদেশে পাঠানো হবে-তা নিয়ে পরিবারের ইচ্ছা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। এদিকে তাঁর মরদেহ দেশে ফেরানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে কায়রোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলমগীর চৌধুরী চলতি বছরের ৮ অক্টোবর মিশরে আসেন। ১৭ দিনের মাথায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর পরিচয় ও পারিবারিক তথ্য যাচাই-বাছাই করে জানা গেছে, তিনি জার্মানির নাগরিক ছিলেন। তাঁর কাছে জার্মান পাসপোর্টের পাশাপাশি বাংলাদেশি পাসপোর্টও রয়েছে বলে জানা গেছে। আলমগীর চৌধুরীর গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার সদর উপজেলার উকিলপাড়া গ্রামে। তাঁর পিতার নাম মৃত মোজাম্মেল হক চৌধুরী এবং মাতার নাম জাহান আরা বেগম চৌধুরী। জার্মান নাগরিকত্ব থাকলেও বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক ও বংশগত সম্পর্ক রয়েছে। মরদেহ কোথায় পাঠানো হবে, সে বিষয়ে দু’টি সম্ভাবনা রয়েছে। জার্মান সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিলে মরদেহ জার্মানিতে পাঠানোর ব্যবস্থা হতে পারে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে অবস্থানরত তাঁর পরিবারের সদস্যরা মরদেহ দেশে ফিরিয়ে নিতে চাইলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। এ বিষয়ে কায়রোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমসচিব জাকির হোসেন জানান, মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে কিছু প্রক্রিয়া জার্মান দূতাবাসের মাধ্যমে এবং বাকি প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।  তিনি বলেন, আলমগীর চৌধুরীর বিষয়ে যাবতীয় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে কায়রোতে অবস্থিত জার্মান দূতাবাসকেও বিষয়টি অবহিত করা হবে। মরদেহ দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের সদস্যদের ইচ্ছা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রবাসের মাটিতে একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকের এমন মৃত্যুতে তাঁর পরিবারের কাছে মরদেহ পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি মানবিক গুরুত্ব বহন করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

অবশেষে সৌদি প্রবাসী আবু সাঈদের মরদেহ দেশে এলো, জানাজায় হাজারো মানুষের অংশগ্রহণ

রিজওয়ান, নওগাঁ:  নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার হেলেঞ্চাডাঙ্গী গ্রামের সৌদি প্রবাসী আবু সাঈদের (৩৫) মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে তাঁর মরদেহ নিজ গ্রামে পৌঁছালে স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া।নিহত আবু সাঈদ উপজেলার হেলেঞ্চাডাঙ্গী গ্রামের মোঃ আবু তালেবের ছেলে। পরিবারের সুখ-সমৃদ্ধির আশায় জীবিকার তাগিদে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন। সেখানে প্রবাসজীবনে কর্মরত অবস্থায় হঠাৎ স্ট্রোক করে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও ১১ বছরের এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে শনিবার তাঁর মরদেহ দেশে আনা হয়। মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্বজনদের আহাজারিতে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বাবার মরদেহ দেখে ১১ বছরের কন্যাসহ স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। তাঁকে শেষবারের মতো দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীসহ শত শত মানুষ। এ ঘটনায় পুরো হেলেঞ্চাডাঙ্গী গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে।শনিবার এশার নামাজের পর হেলেঞ্চাডাঙ্গী গ্রামে আবু সাঈদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শত শত মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়।ভিডিও কলে পরিবারের পাশে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হকএদিকে সৌদি প্রবাসী আবু সাঈদের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানাতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক, এমপি ভিডিও কলে আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।এ সময় প্রতিমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দেন। একই সঙ্গে জানাজায় উপস্থিত স্বজন ও মুসল্লিদের সঙ্গেও ভিডিও কলে কথা বলেন তিনি।প্রবাসে কর্মরত একজন বাংলাদেশির মৃত্যুতে তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি খোঁজখবর নেওয়া ও সহমর্মিতা প্রকাশের বিষয়টি উপস্থিত স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে গুরুত্ব পায়।আবু সাঈদের মৃত্যুতে তাঁর পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোক বিরাজ করছে। ১১ বছরের কন্যাসন্তানকে রেখে তাঁর এভাবে চলে যাওয়া পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে আরও শোকের আবহ তৈরি করেছে।

অবশেষে সৌদি প্রবাসী আবু সাঈদের মরদেহ দেশে এলো, জানাজায় হাজারো মানুষের অংশগ্রহণ
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream