থানা, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), আদালত এবং জেলা প্রশাসকের কাছে একের পর এক মামলা, সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পরও থামছে না সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের তৎপরতা। সামাজিক মাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে অপরাধীদের তথ্য প্রকাশ করে দেওয়ায় কুমিল্লার মানবাধিকারকর্মীকে প্রাণনাশের চক্রান্ত ও হুমকি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, নানা সময়ে গণমাধ্যমে নাম উঠে আসা প্রভাবশালী ইন্ধনদাতা ও প্রশ্রয়দাতারা মামলা-তদন্তের মুখোমুখি হওয়ার পর নতুন করে অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ওই ব্যক্তির ওপর একের পর এক ৩৮টি অপরাধমূলক ঘটনা ঘটানোর পর, এবার সরাসরি তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২ লাখ টাকার একটি চুক্তির (কনট্র্যাক্ট কিলিং) ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের অপচেষ্টা চলছে।
অভিযোগে দাবি করা হয়, এর পেছনে এমন কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত, যাদের অপকর্ম ও অপরাধ সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ ভুক্তভোগী ইতোমধ্যে প্রকাশ করেছেন কিংবা তিনি তাদের বিরুদ্ধে চলমান কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী। ওই ব্যক্তিকে সরাসরি বা কৌশলগতভাবে হত্যার মাধ্যমে বাধা সরিয়ে দিতে আসামিরা একটি ৯০ দিনের সময়সীমা (আল্টিমেটাম) বেঁধে দিয়ে অপরাধ সংঘটনের পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে অভিযুক্ত মূল আসামিদের তালিকা বা 'হট লিস্ট' তৈরি করে থানা পুলিশ, ডিবি, আদালত ও জেলা প্রশাসকের নিকট পুনরায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভবিষ্যতে ভুক্তভোগীর ওপর পরিকল্পিত কোনো ধরনের হামলা, ক্ষতি কিংবা প্রাণহানি ঘটলে এই নির্দিষ্ট অপরাধী চক্রকেই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যাবতীয় দায়ভার বহন করতে হবে।
মতামত