শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মাসের সময় চাইলেন মাহবুব কবীর মিলন


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মাসের সময় চাইলেন মাহবুব কবীর মিলন
ছবি: সংগৃহীত

রেলের টিকিট কালোবাজারি বন্ধ এবং ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এক মাসের জন্য পূর্ণ প্রশাসনিক ক্ষমতা ও স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ চেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন। কোনো পদ-পদবি বা পারিশ্রমিক ছাড়াই কাজ করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে যাতায়াতের জন্য একটি গাড়ি চেয়েছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ প্রস্তাব দেন মাহবুব কবীর মিলন।

স্ট্যাটাসে তিনি জানান, এক মাসের দায়িত্ব পেলে ঢাকা-কক্সবাজার ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেলের টিকিট কালোবাজারি বন্ধ করে দেখাতে চান। এ সময় সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। অভিযানের জন্য কিছু সৎ ও অবসরপ্রাপ্ত টিকিট পরীক্ষক নিয়োগ, কয়েকজন কর্মকর্তা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সহযোগিতা ও বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

টিকিট যাচাইয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি বগিতে দৈবচয়নের ভিত্তিতে যাত্রীদের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে টিকিটের তথ্যের অমিল পাওয়া গেলে দ্বিগুণ জরিমানা এবং ‘টিকিট যার, ভ্রমণ তার’ নীতি কার্যকরের কথা বলেন। অপ্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীদের টিকিটের সঙ্গে বাবা বা মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যুক্ত করার প্রস্তাবও দেন তিনি।

টিকিট পরীক্ষক ও ট্রেনের গার্ডদের কাজে স্বচ্ছতা আনতে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন মাহবুব কবীর মিলন। অনিয়মকারীদের পক্ষে কেউ তদবির বা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করলে তাঁদের পরিচয় প্রকাশ করার কথাও বলেন তিনি। পাশাপাশি পরীক্ষামূলকভাবে ভ্রমণের তিন থেকে পাঁচ দিন আগে টিকিট ইস্যুর ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেন।

রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) কার্যকারিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে আরএনবি আইনের পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং বাহিনীটিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালনার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এ ছাড়া ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধ এবং রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে রেলওয়ে পুলিশের সমন্বিত দায়িত্ব পালনের পরিকল্পনা এক মাসের মধ্যে তৈরি করার প্রত্যয় জানান তিনি।

প্রস্তাবিত অভিযানে ব্যর্থ হলে যেকোনো শাস্তি মেনে নেওয়ার কথাও বলেছেন সাবেক এই কর্মকর্তা। তবে কাজের পুরো সময় তাঁকে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে হবে বলে শর্ত দিয়েছেন। অভিযানের অগ্রগতি জনগণকে সরাসরি জানানোর কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬


প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মাসের সময় চাইলেন মাহবুব কবীর মিলন

প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রেলের টিকিট কালোবাজারি বন্ধ এবং ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এক মাসের জন্য পূর্ণ প্রশাসনিক ক্ষমতা ও স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ চেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন। কোনো পদ-পদবি বা পারিশ্রমিক ছাড়াই কাজ করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে যাতায়াতের জন্য একটি গাড়ি চেয়েছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ প্রস্তাব দেন মাহবুব কবীর মিলন।

স্ট্যাটাসে তিনি জানান, এক মাসের দায়িত্ব পেলে ঢাকা-কক্সবাজার ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেলের টিকিট কালোবাজারি বন্ধ করে দেখাতে চান। এ সময় সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। অভিযানের জন্য কিছু সৎ ও অবসরপ্রাপ্ত টিকিট পরীক্ষক নিয়োগ, কয়েকজন কর্মকর্তা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সহযোগিতা ও বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

টিকিট যাচাইয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি বগিতে দৈবচয়নের ভিত্তিতে যাত্রীদের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে টিকিটের তথ্যের অমিল পাওয়া গেলে দ্বিগুণ জরিমানা এবং ‘টিকিট যার, ভ্রমণ তার’ নীতি কার্যকরের কথা বলেন। অপ্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীদের টিকিটের সঙ্গে বাবা বা মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যুক্ত করার প্রস্তাবও দেন তিনি।

টিকিট পরীক্ষক ও ট্রেনের গার্ডদের কাজে স্বচ্ছতা আনতে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন মাহবুব কবীর মিলন। অনিয়মকারীদের পক্ষে কেউ তদবির বা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করলে তাঁদের পরিচয় প্রকাশ করার কথাও বলেন তিনি। পাশাপাশি পরীক্ষামূলকভাবে ভ্রমণের তিন থেকে পাঁচ দিন আগে টিকিট ইস্যুর ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেন।

রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) কার্যকারিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে আরএনবি আইনের পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং বাহিনীটিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালনার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এ ছাড়া ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধ এবং রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে রেলওয়ে পুলিশের সমন্বিত দায়িত্ব পালনের পরিকল্পনা এক মাসের মধ্যে তৈরি করার প্রত্যয় জানান তিনি।

প্রস্তাবিত অভিযানে ব্যর্থ হলে যেকোনো শাস্তি মেনে নেওয়ার কথাও বলেছেন সাবেক এই কর্মকর্তা। তবে কাজের পুরো সময় তাঁকে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে হবে বলে শর্ত দিয়েছেন। অভিযানের অগ্রগতি জনগণকে সরাসরি জানানোর কথাও উল্লেখ করেন তিনি।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream