জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় বসতবাড়িকে মাদকের ‘খুচরা দোকান’ হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগে মো. খায়রুল ইসলাম (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার বসতঘরে অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার খায়রুল ইসলাম ক্ষেতলাল পৌর এলাকার রামপুরা রানিপুকুর গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি একটি পূর্বের মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খায়রুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিদিন ভোর থেকে বিভিন্ন বয়সী লোকজন তার বাড়িতে যাতায়াত করতেন। তাদের কেউ মাদক কিনে নিয়ে যেতেন, আবার কেউ কেউ বাড়ির আশপাশে অবস্থান করে মাদক সেবন করতেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খায়রুলের বাড়িতে মাদক বিক্রির বিষয়টি নিয়ে তারা অতিষ্ঠ ছিলেন। তার মাদক ব্যবসার কারণে এলাকার যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ক্ষেতলাল থানা পুলিশের একটি দল রামপুরা গ্রামে খায়রুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তাকে আটক করা হয়। পরে তার বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, খায়রুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদকদ্রব্য বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম খায়রুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তিনি পূর্বের একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারের অভিযানের অংশ হিসেবে তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মতামত