শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
Bangla FM

নিরাপদ খাবার পানির প্রাপ্ততা বাড়াতে পারে ডাচ-বাংলাদেশ সহযোগিতা: রাষ্ট্রদূত


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| ফটো কার্ড

নিরাপদ খাবার পানির প্রাপ্ততা বাড়াতে পারে ডাচ-বাংলাদেশ সহযোগিতা: রাষ্ট্রদূত

নেদারল্যান্ডস ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাসহ দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাবার পানি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ডাচ রাষ্ট্রদূত ইয়োরিস ভ্যান বোমেল।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বরিশালের বাকেরগঞ্জের দুধলমৌ এলাকায় ম্যাক্স ফাউন্ডেশনের ‘বিল্ডিং ওয়াটার বিজনেস’ কর্মসূচি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস—দুই দেশই নদী, বদ্বীপ ও সমুদ্রঘেরা হওয়ায় পানি ব্যবস্থাপনায় তাদের অভিজ্ঞতার মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। তাই পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সবার জন্য নিরাপদ পানির সুযোগ বাড়ানো যেতে পারে।

বরিশালে পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কম রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে কীভাবে মানুষের ঘরে পানি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে, তা সরেজমিনে দেখা। ইয়োরিস ভ্যান বোমেল বলেন, ঘরে সরাসরি পানির সংযোগ শুধু নিরাপদ পানি নিশ্চিত করে না, পানি সংগ্রহে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া নারী ও শিশুদের ভোগান্তিও কমায়।

তিনি বলেন, বরিশালের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে—সরকার, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

ম্যাক্স ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জোক লে পুল জানান, দুই দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে কাজ করছে তাদের প্রতিষ্ঠান। সময়ের সঙ্গে মানুষের চাহিদা ও আর্থিক সক্ষমতা বাড়ায় এখন পাইপলাইনের মাধ্যমে ঘরে পানি পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও নেপালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম বলেন, বরিশাল ও পটুয়াখালীতে অনুদাননির্ভরতার বাইরে গিয়ে ব্যবসাভিত্তিক পানি সরবরাহের মডেল তৈরি করা হয়েছে। পরিবারগুলোর মাসিক পানির বিল থেকেই এসব ব্যবস্থা পরিচালনার ব্যয় মেটানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

তার ভাষ্য, এ পর্যন্ত প্রায় ১০০টি ওয়াটার গ্রিড স্থাপন করা হয়েছে। পরিচালন ব্যয় কমানো এবং ব্যবস্থাকে আরও টেকসই করতে ধাপে ধাপে সৌরবিদ্যুৎ ও অটোমেশন প্রযুক্তিও যুক্ত করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘরে পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি পৌঁছালে পানিবাহিত ও ত্বকের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমার পাশাপাশি নারীদের পানি সংগ্রহের সময় ও শ্রমও উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬


নিরাপদ খাবার পানির প্রাপ্ততা বাড়াতে পারে ডাচ-বাংলাদেশ সহযোগিতা: রাষ্ট্রদূত

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নেদারল্যান্ডস ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাসহ দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাবার পানি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ডাচ রাষ্ট্রদূত ইয়োরিস ভ্যান বোমেল।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বরিশালের বাকেরগঞ্জের দুধলমৌ এলাকায় ম্যাক্স ফাউন্ডেশনের ‘বিল্ডিং ওয়াটার বিজনেস’ কর্মসূচি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস—দুই দেশই নদী, বদ্বীপ ও সমুদ্রঘেরা হওয়ায় পানি ব্যবস্থাপনায় তাদের অভিজ্ঞতার মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। তাই পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সবার জন্য নিরাপদ পানির সুযোগ বাড়ানো যেতে পারে।

বরিশালে পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কম রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে কীভাবে মানুষের ঘরে পানি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে, তা সরেজমিনে দেখা। ইয়োরিস ভ্যান বোমেল বলেন, ঘরে সরাসরি পানির সংযোগ শুধু নিরাপদ পানি নিশ্চিত করে না, পানি সংগ্রহে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া নারী ও শিশুদের ভোগান্তিও কমায়।

তিনি বলেন, বরিশালের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে—সরকার, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

ম্যাক্স ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জোক লে পুল জানান, দুই দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে কাজ করছে তাদের প্রতিষ্ঠান। সময়ের সঙ্গে মানুষের চাহিদা ও আর্থিক সক্ষমতা বাড়ায় এখন পাইপলাইনের মাধ্যমে ঘরে পানি পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও নেপালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম বলেন, বরিশাল ও পটুয়াখালীতে অনুদাননির্ভরতার বাইরে গিয়ে ব্যবসাভিত্তিক পানি সরবরাহের মডেল তৈরি করা হয়েছে। পরিবারগুলোর মাসিক পানির বিল থেকেই এসব ব্যবস্থা পরিচালনার ব্যয় মেটানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

তার ভাষ্য, এ পর্যন্ত প্রায় ১০০টি ওয়াটার গ্রিড স্থাপন করা হয়েছে। পরিচালন ব্যয় কমানো এবং ব্যবস্থাকে আরও টেকসই করতে ধাপে ধাপে সৌরবিদ্যুৎ ও অটোমেশন প্রযুক্তিও যুক্ত করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘরে পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি পৌঁছালে পানিবাহিত ও ত্বকের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমার পাশাপাশি নারীদের পানি সংগ্রহের সময় ও শ্রমও উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
২৪/৭ লাইভ অডিও সম্প্রচার