জয়পুরহাটে যৌতুকের দাবিতে সাবেকুন নাহার নামে এক গৃহবধূর গায়ে গরম পানি বা দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় গত পাঁচ দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। পরিবারের অভিযোগ, যৌতুকের দাবিতেই এই ঘটনা ঘটেছে।
জয়পুরহাট সদর উপজেলার কয়রাপাড়া গ্রামের মোশাররফ হোসেনের মেয়ে সাবেকুন নাহার। গত প্রায় ২ বছর আগে তার বিয়ে হয় পাঁচবিবি উপজেলার খাসবাট্টা তৈফিকপাড়া গ্রামের আলেফ উদ্দীনের ছেলে সাজু মিয়ার সঙ্গে। তাদের ঘরে এখন সারে ৩ মাস বয়সী ছেলে সন্তান ।
স্বজনদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে সাবেকুনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেন স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তার গায়ে গরম পানি অথবা দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করা হয় বলে অভিযোগ দগ্ধ সাবেকুন নাহার।
গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় সাবেকুনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত পাঁচ দিন ধরে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সাবেকুনের পরিবার।
ডা: মুর্শিদা পারভীন জলি জানান যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূর ওপর এমন নির্যাতনের অভিযোগে গরম পানি নাকি অন্য কোনো দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছিল তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে রোগীর অবস্থা আশংকাজনক বলে জানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক।
এ দিকে ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে অভিযুক্তরা। আার ঘটনার পর ৫ দিন গড়িয়ে গেলেও মামলা করেনি ভূক্তভাগীর পরিবার। মামলা হলে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে বলে জানান- পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ।
মতামত