২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল ও বিশিষ্ট লেখক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
একই সঙ্গে মামলায় পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন।
আসামি ও আইনি নির্দেশনাবলিপ্রসিকিউশন থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করার পর আদালত তা গ্রহণ করেন।মামলার অভিযুক্তদের তালিকা ও বর্তমান অবস্থা:আসামির নাম ও পরিচয়বর্তমান অবস্থাআদালতের আদেশঅধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল (সাবেক উপাচার্য, ঢাবি)পলাতকগ্রেফতারি পরোয়ানা জারিড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল (শিক্ষাবিদ ও লেখক)পলাতকগ্রেফতারি পরোয়ানা জারিসাদ্দাম হোসেন (সভাপতি, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ)পলাতকগ্রেফতারি পরোয়ানা জারিশেখ ওয়ালী আসিফ ইনান (সাধারণ সম্পাদক, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ)পলাতকগ্রেফতারি পরোয়ানা জারিমাজহারুল কবির শয়ন (সভাপতি, ঢাবি ছাত্রলীগ)পলাতকগ্রেফতারি পরোয়ানা জারিএ কে এম জামাল উদ্দিন (অধ্যাপক, ঢাবি)কারাগারে আটকট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশশামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক (অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি)কারাগারে আটকট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশতানবীর হাসান সৈকত (সাধারণ সম্পাদক, ঢাবি ছাত্রলীগ)কারাগারে আটকট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ
বিচারিক প্রক্রিয়াট্রাইব্যুনাল-১ কারাবন্দি তিন আসামি—সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাবি শিক্ষক এ কে এম জামাল উদ্দিন এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তানবীর হাসান সৈকতকে আগামী নির্ধারিত তারিখে সশরীরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতার করে দ্রততম সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে সোপর্দ করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মতামত