জামালপুরের মাদারগঞ্জে স্কুলছাত্রী মরিয়মকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। কর্মসূচিতে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও উত্তেজিত জনতার সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রলীগের দুই নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের বাজিতেরপাড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, মাদারগঞ্জে সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়মকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে বাজিতেরপাড়া বাজারে মানববন্ধন করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন আদারভিটা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিপু হাসান।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে মিছিলকারীদের সাথে ছাত্রদল নেতাকর্মী ও জনতার ধস্তাধস্তি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দিপু হাসান ও মিরাজ নামে ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে আটক করে।
মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীষ রায় বলেন, ছাত্রলীগের দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হবে।
উল্লেখ্য গত ১০ সেপ্টেম্বর স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম। পরে ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে চরলোটাবর গ্রামের প্রতিবেশী জামিনুর ইসলামের বসতঘরের মেঝে খুঁড়ে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।
এ ঘটনায় মাদারগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয় । পুলিশ অভিযুক্ত জামিনুর ইসলাম ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে। জামিনুর ইসলাম মরিয়মকে ধর্ষণের পর শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে ।
মতামত