বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

বন্যার এক সপ্তাহ পরও টানেলে আটকা শত শত শ্রমিক


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
| ফটো কার্ড

বন্যার এক সপ্তাহ পরও টানেলে আটকা শত শত শ্রমিক
বন্যার এক সপ্তাহ পরও টানেলে আটকা শত শত শ্রমিক

বুধবারও উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলগুলোতে। কিন্তু নির্দিষ্ট দূরত্বের পর উদ্ধারকর্মীরা ভেতরে আর সামনে এগোতে পারছেন না। ফলে জীবিত কাউকে উদ্ধারের আশা ফিকে হয়ে গেছে।

ভয়াবহ বন্যার এক সপ্তাহ পার হয়েছে। শুরুতে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, একাধিক টানেলের ভেতর ১০০ জনের বেশি শ্রমিক জীবিত থাকতে পারেন। জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) তথ্য অনুযায়ী, জলবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ৬৩৯ জন কর্মী নিখোঁজের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এনডিআরআরএমএ-এর মুখপাত্র শান্তি মাহাত বলেন, তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। টানেলগুলোতে বিদেশি দলগুলোও কাজে সহায়তা করছে। বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মধ্যেও তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে প্রচুর পরিমাণে কাদা, ধ্বংসাবশেষ ও পলি জমে আছে।

এএফপিকে শান্তি মাহাত আরও বলেন, কিছু ক্ষেত্রে টানেলে প্রবেশের পথ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। আবার প্রবেশপথ খুঁজে পেলেও উদ্ধারকারীরা ভেতরে টানেল বন্ধ অবস্থায় পেয়েছেন। তবে চেষ্টা অব্যাহত আছে।

সোমবার উদ্ধারকারীরা দুটি টানেল থেকে অন্তত তিনটি মরদেহ উদ্ধার করেন। কয়েকটি টানেলের ভেতরে তারা কয়েক’শ মিটার পর্যন্ত প্রবেশ করতেও সক্ষম হন। কিন্তু কাদার কারণে আর সামনে এগোতে পারেননি।

মঙ্গলবার জ্বালানিমন্ত্রী বিরাজ ভক্ত শ্রেষ্ঠ সাংবাদিকদের বলেন, সব টানেলেই আমাদের প্রবেশাধিকার আছে। তবে ভেতরে ঢোকা কঠিন হয়ে গেছে। কারণ সেখানে পাথর ও পলি জমে আছে।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মোট ৪৩১ দশমিক ১ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার ১১টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ও একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। যা মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার প্রায় ১০ শতাংশ।

এছাড়া, নির্মাণাধীন আরও ১৫টি বিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব প্রকল্পের সম্ভাব্য মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৪৭০ মেগাওয়াট।

বিষয় : উদ্ধার নেপাল অভিযান বন্যা জলবিদ্যুৎ প্রকল্প

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বন্যার এক সপ্তাহ পরও টানেলে আটকা শত শত শ্রমিক

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বুধবারও উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলগুলোতে। কিন্তু নির্দিষ্ট দূরত্বের পর উদ্ধারকর্মীরা ভেতরে আর সামনে এগোতে পারছেন না। ফলে জীবিত কাউকে উদ্ধারের আশা ফিকে হয়ে গেছে।

ভয়াবহ বন্যার এক সপ্তাহ পার হয়েছে। শুরুতে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, একাধিক টানেলের ভেতর ১০০ জনের বেশি শ্রমিক জীবিত থাকতে পারেন। জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) তথ্য অনুযায়ী, জলবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ৬৩৯ জন কর্মী নিখোঁজের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এনডিআরআরএমএ-এর মুখপাত্র শান্তি মাহাত বলেন, তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। টানেলগুলোতে বিদেশি দলগুলোও কাজে সহায়তা করছে। বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মধ্যেও তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে প্রচুর পরিমাণে কাদা, ধ্বংসাবশেষ ও পলি জমে আছে।

এএফপিকে শান্তি মাহাত আরও বলেন, কিছু ক্ষেত্রে টানেলে প্রবেশের পথ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। আবার প্রবেশপথ খুঁজে পেলেও উদ্ধারকারীরা ভেতরে টানেল বন্ধ অবস্থায় পেয়েছেন। তবে চেষ্টা অব্যাহত আছে।

সোমবার উদ্ধারকারীরা দুটি টানেল থেকে অন্তত তিনটি মরদেহ উদ্ধার করেন। কয়েকটি টানেলের ভেতরে তারা কয়েক’শ মিটার পর্যন্ত প্রবেশ করতেও সক্ষম হন। কিন্তু কাদার কারণে আর সামনে এগোতে পারেননি।

মঙ্গলবার জ্বালানিমন্ত্রী বিরাজ ভক্ত শ্রেষ্ঠ সাংবাদিকদের বলেন, সব টানেলেই আমাদের প্রবেশাধিকার আছে। তবে ভেতরে ঢোকা কঠিন হয়ে গেছে। কারণ সেখানে পাথর ও পলি জমে আছে।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মোট ৪৩১ দশমিক ১ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার ১১টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ও একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। যা মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার প্রায় ১০ শতাংশ।

এছাড়া, নির্মাণাধীন আরও ১৫টি বিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব প্রকল্পের সম্ভাব্য মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৪৭০ মেগাওয়াট।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream