বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

এআই বিচারব্যবস্থার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে: আইনমন্ত্রী


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| ফটো কার্ড

এআই বিচারব্যবস্থার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে: আইনমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিচারব্যবস্থার সামনে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এআইয়ের সম্ভাব্য প্রভাব ও অপব্যবহার থেকে বিচারব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখতে বিচারকদের প্রযুক্তিটি সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের বিচারিক প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার রাজধানীর এশিয়াটিক সোসাইটি মিলনায়তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী নির্বাহী পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এআই ব্যবহার করে মানুষের কণ্ঠস্বর নকল, ছবি পরিবর্তন কিংবা ভুয়া তথ্যকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে। এমনকি মানুষের চিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপরও প্রযুক্তিটি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এর অপব্যবহার ঠেকাতে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গড়ে তোলা জরুরি।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব দ্রুত এআইনির্ভর যুগে প্রবেশ করলেও এর ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত হয়নি। ভবিষ্যতে এআই মানুষকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত বা পরিচালিত করতে পারে—যা বিচারব্যবস্থার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনার বিষয়।

তিনি আরও বলেন, এআইয়ের মাধ্যমে কোনো বিচারককে বিভ্রান্ত বা প্রভাবিত করার চেষ্টা হলে তা বিচারিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণের সময় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা উপাদান এআইনির্ভর কি না, সেটিও সতর্কভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

মন্ত্রী বলেন, সময়ের সঙ্গে আইন পরিবর্তিত হয় এবং বিচারিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে আইনের নতুন দিক উন্মোচিত হয়। এআইও বিচারব্যবস্থার সামনে একইভাবে নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। প্রয়োজনীয় আইন ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো পুরোপুরি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের নিজেদের প্রজ্ঞা ও বিচারিক বিবেচনাবোধ কাজে লাগাতে হবে।

তবে এআই নিষিদ্ধ করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই জানিয়ে তিনি বলেন, প্রযুক্তিটির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপব্যবহার রোধেও সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ একরামুল হক, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


এআই বিচারব্যবস্থার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে: আইনমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিচারব্যবস্থার সামনে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এআইয়ের সম্ভাব্য প্রভাব ও অপব্যবহার থেকে বিচারব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখতে বিচারকদের প্রযুক্তিটি সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের বিচারিক প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার রাজধানীর এশিয়াটিক সোসাইটি মিলনায়তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী নির্বাহী পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এআই ব্যবহার করে মানুষের কণ্ঠস্বর নকল, ছবি পরিবর্তন কিংবা ভুয়া তথ্যকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে। এমনকি মানুষের চিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপরও প্রযুক্তিটি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এর অপব্যবহার ঠেকাতে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গড়ে তোলা জরুরি।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব দ্রুত এআইনির্ভর যুগে প্রবেশ করলেও এর ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত হয়নি। ভবিষ্যতে এআই মানুষকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত বা পরিচালিত করতে পারে—যা বিচারব্যবস্থার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনার বিষয়।

তিনি আরও বলেন, এআইয়ের মাধ্যমে কোনো বিচারককে বিভ্রান্ত বা প্রভাবিত করার চেষ্টা হলে তা বিচারিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণের সময় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা উপাদান এআইনির্ভর কি না, সেটিও সতর্কভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

মন্ত্রী বলেন, সময়ের সঙ্গে আইন পরিবর্তিত হয় এবং বিচারিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে আইনের নতুন দিক উন্মোচিত হয়। এআইও বিচারব্যবস্থার সামনে একইভাবে নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। প্রয়োজনীয় আইন ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো পুরোপুরি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের নিজেদের প্রজ্ঞা ও বিচারিক বিবেচনাবোধ কাজে লাগাতে হবে।

তবে এআই নিষিদ্ধ করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই জানিয়ে তিনি বলেন, প্রযুক্তিটির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপব্যবহার রোধেও সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ একরামুল হক, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream