মুহাম্মদ মহসিন আলী ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
তিতাস নদীতে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ঝাঁপ দেওয়া এক নারীকে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার করে মানবিকতা ও সাহসিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পুলিশ কনস্টেবল অমিত হাসান। তাঁর অসীম সাহস ও কর্তব্যনিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে পুরস্কৃত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ্ মোঃ আব্দুর রউফ।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কনস্টেবল অমিত হাসানের হাতে ‘সার্টিফিকেট অব অ্যাপ্রেসিয়েশন’ ও অর্থ পুরস্কার তুলে দেন পুলিশ সুপার শাহ্ মোঃ আব্দুর রউফ।
এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে শহরের শিমরাইলকান্দি এলাকার সেতু থেকে এক নারী তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেন। মুহূর্তের মধ্যেই বিষয়টি নজরে আসে পুলিশ কনস্টেবল অমিত হাসানের। নিজের নিরাপত্তার কথা না ভেবে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে ওই নারীকে উদ্ধার করেন। পরে নৌকার সহায়তায় তাঁকে নদীর তীরে তুলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পুলিশের দায়িত্ব শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নয়—বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানোও পুলিশ সদস্যদের মানবিক দায়িত্ব, অমিত হাসানের এই সাহসী উদ্যোগ তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।
একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে নিজের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া অমিত হাসানের এই সাহসিকতা প্রশংসিত হয়েছে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন মহলে। তাঁর এমন মানবিক ও সাহসী ভূমিকা বাংলাদেশ পুলিশের সেবার আদর্শকে আরও উজ্জ্বল করেছে।
মতামত